নাম জারি
জমির নামজারি খতিয়ান ফি 1180 টাকা ওনাদের দাবি 15000।টাকা না দিলে করা যাবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির নামজারি খতিয়ান ফি 1180 টাকা ওনাদের দাবি 15000।টাকা না দিলে করা যাবে না।
আমি নামজারি আবেদন করেছি। আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে ফাইল জমা দিতে গেলে অফিস পিউন আমার কাছে 10000 টাকা চায় । আমি ৮০০০টাকা দিছি। 10000 টাকা ছাড়া মেদাম নাকি ফাইল ধরে না। আমার কাছে ভিডিও আছে। এই হলো দেশের অনলাইন সিস্টেম।, অনলাইন আবেদন করার পর কেন আবার মেনুয়াল ভাবে ফাইল ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা দিতে হবে???????? আমি আমার সব ডকুমেন্টস অনলাইনে আপলোড করেছি।
আদালত এর রায়ের ভিত্তি তে জমির মালিকানা পাই, মিসকেস করে নিজের নামে নামজারি করার সময় এদিক সেদিক পেচিয়ে টাকা টা নেওয়া হয়। টাকা দিলে কাজ হয় না হইলে হয় না। এসি ল্যান্ড থেকে নিম্নতর সব্বাই ঘুস খোর।
৮০০০ টাকা ছাড়া নামজারি করবেনা । অনেক অনুরোধ করেও টাকার পরিমাণ কমাতে পারিনি । বাধ্য হয়েই ৮০০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে ।
This incident happened in August 2025. The official property mutation fee was only BDT 1,100, but the person asked my mother for BDT 25,000. Without my knowledge, my mother paid him BDT 8,000. When I later found out about this, I refused to pay him any more money. After that, he entered or processed my information incorrectly, which caused further problems for me. As a result, I had to complete the process again from the beginning. Later, I was able to complete the same work properly by paying only BDT 1,100 as the official fee.
আমি জমিটি বিক্রি করে ফেলেছিলাম এমত অবস্থায় জমি মিউটেশন ছাড়া রেজিস্ট্রি দেওয়া যায় না। আমি ভূমি অফিসে যাওয়ার পর সে আমাকে ৮ হাজার টাকার প্রস্তাব দেয় কিন্তু সাইনবোর্ডে লেখা ১১৭০ টাকা আমি বললাম আপনি এত টাকা চাচ্ছেন কেন সে বললো এর নিচে হবে না তারপর আমি তাকে এই মর্মে কাজটি দেই কিন্তু এক সপ্তাহ পরে ফোন দিয়ে বলে যে এই কাগজগুলো ফটোকপি ফটোকপি দিয়ে হবে না আমাকে আরো টাকা দাবি করে পরে সে আরো ৪ হাজার টাকা নিয়েছে আমার কাছে মোট ১২০০০ টাকা নিয়েছে ভূমি অফিসের দুর্নীতি কেউ বন্ধ করতে পারবে বলে মনে হয় না আমার বাংলাদেশের জন্মে কি পাপ করলাম ভাবলে কষ্ট লাগে আরো কিছু কথা লিখতে পারলাম না কারণ এখানে বেশি কিছু লেখা যাচ্ছে না প্রথমে সব বিস্তারিত লিখেছিলাম পরে দেখি আর লেখা যাচ্ছে না হয়তো লেখার সংখ্যা কম।
পরে সে কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।
আমার ছয়টি খতিয়ানে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বকেয়া ছিল কিন্তু দায়িত্ব রত কর্মকর্তা ১২০০০ টাকা দাবি করে তাও সব টাকা দাখিলার কাগজে লেখা থাকবে না পরবর্তীতে অনেক বাক বিতর্ক হল কিছুদিন পরে ৯০০ টাকা দিয়ে ছয়টি খতিয়ানের ভূমি উন্নয়ন কর পরিষদ করি।
ভুমি অফিসে ইউনিয়ন কর্মকর্তা নামজারি করতে 9000 টাকা নিছে শর্ত ছিলো দুই দিনে ডিসিআর দিবো কিন্তু আজ পনেরো দিন হলো এখনো ঘুরাইতাছে সে বদলি হয়েছে বলে কিছু করতে পারিনা আপনেরা যদি একটু সাহায্য করতেন আমার ইউনিয়ন চরদুয়ানী
মাদ্রাসা জমি ক্রয় হয় এবং সে নিজে দলিল করে কিন্তু বর্তমান সে নিজে এই জমির পাশে জমি ক্রয় করে গোপন সুত্রে এবং মাদ্রাসা জমিটি তার নিজের নামে ক্রয় করা হয়েছে দাবি করে। সেই দাবী অনুযায়ী জমির দাম ৩০ লক্ষ টাকা চায়। মূলতঃ সে একজন দলিল লেখক এভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছে।
নামজারি করতে গেলে সাত হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি 7000 টাকা জমা দিয়ে নাম্বারি করার জন্য জমা দিতে বাধ্য হয়েছি।
নামজারি করতে গিয়ে ১৯৭৪ সালের দলিল দিয়ে কাজ হবে, কিন্তু ৫০ হাজার টাকা দিলে বিবেচনা করা হবে। পরে মামলাটি খারিজ করে দেন।
আমার দাদার নামে জমি। তিনি মারা গেছেন তাই তার জমি গুলো আমার বাবা, চাচা ও ফুপু দের নামে করার জন্য আবেদন করতে যায়। আবেদন করতে সরকারি খরচ 140 টাকা কিন্তু সে সময় নির্ধারণ করে বিভিন্ন টাকার রেট দেই। তার মধ্য থেকে সবথেকে কম 8000 টাকার ঘুষ আমি পরিশোধ করি একপ্রকার বাধ্য হয়ে।
লাকসাম উপজেলায় নামজারী করতে হলে। আপনার কাগজ পাতি ঠিক থাকলেও ১০ হাজার অফিসে দিতেই হবে৷ আর ভুল বা কোন কাগজ কম হলে তো কথাই নাই। মিনিমাম ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ও হয়ে থাকে। এটা অফিসের একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে।
জমি খারিজ চাইলে বলে রিটার্ন আনেন আমি ত কিনেছি রিটার্ন পাব ক্যাম্নে
দাখিলা,রশিদ টাকা পাঠান
খাজনা দেওয়া হয়েছে ১৮ সালে। এখন যাওয়ার বলছে ২০ বছর যাভৎ দেওয়া হইনি। নিয়েছে ১৮০০ টাকা রশিদ দিয়েছে৮০০ টাকার। ঘটনা আমার বড় ভাইয়ের সাথে ঘটে ছে৷ ভাই একজন প্রবাসী।
“আমি একটি নামজারি বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর মিস কেস করি । তিনি আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ।আমার সকল কাগজপত্র ধারাবাহিকতা ঠিক থাকার পরও আমার আবেদনটি নথিভুক্ত করার আদেশ দেননি । আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানাই।”
টাকা না দিলে কাগজপত্র করে দিবে না অথচ বিবাদীর কোন অভিযোগ ছিলো না।
হাউজ বিল্ডিং এর এর লোন এর জন্য ১২ বছরের তল্লাশি সাটিফিকেট লাগে।আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।কিন্তু সরকারি নিধারিত ফি ছিল ১৫০ টাকা