খাজনা
আজ আমার বাবার জমিতে খাজনা দেয়ার জন্য আমারা ভুমি অফিসে যাই BRS পর্চা দেখে বলে খাজনা নেবেনা নতুন করে নামজারি করতে হবে তার জন্য ৫টা নামজারি করতে ৬০ হাজার টাকা করে চায় নায়েবের নাম — [redacted]
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আজ আমার বাবার জমিতে খাজনা দেয়ার জন্য আমারা ভুমি অফিসে যাই BRS পর্চা দেখে বলে খাজনা নেবেনা নতুন করে নামজারি করতে হবে তার জন্য ৫টা নামজারি করতে ৬০ হাজার টাকা করে চায় নায়েবের নাম — [redacted]
কক্সবাজার শহরে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত নতুন ভূমি জরিপ চলমান রয়েছে, এই জরিপে সকল ভূমি মালিকদের নিজ নিজ জমির সকল বৈধ কাগজপত্র (যেমন, জমির দলিল, খতিয়ান, পরিশোধিত খাজনার রশিদ ইত্যাদি) নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত সার্ভেয়ার কর্তৃক জমির মালিকানা প্রমাণ সাপেক্ষ নতুন বিডিএস খতিয়ান পাওয়া যায়। এই সেবাটি পেতে আমাকে দুই ধাপে যথাক্রমে, তিন লক্ষ এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, দুজন আলাদা সরকারি কর্মীকে।
৬২ শতাংশ জমির জন্য আমাকে বলেছে 20,000.00tk খাজনা দিতে হবে। টাকা দেওয়ার পর তারা আমাকে ২৫০.০০ টাকার খাজনা পরিশোধের রিসিট ধরিয়ে দিয়েছে ।
আমাদের জমির কাগজ নিয়ে একটু সম্যসা হয়েছিলো যে আমরা জমি খারিজ করার জন্য কম্পিউটারে দোকানে ৩ বার খারিজ ফরম পূরণ করি প্রতিবার বলে এটাতে সম্যসা ওটাতে সম্যসা মানে এই রকম বলতেই থাকে।😅 পরে বাহির হওয়ার সময় একজন agt(দা***) কাগজ নেয় এবং একটু দেখে বলে,,,,,,, 13-14হাজার টাকালাগবে কাজ হয়ে যাবে তা আমরা ওখান কার সরকারি কর্ম কতা এবং অন্য লোকদের দেখে তাদের কথা শুনে বুঝতে পারলাম বিষয় টা তারপরে একজন বন্ধুর সাথে দেখা সেও ওই কথাই বলে ১২হাজার। চিন্তা করলাম অপরিচিত কাউকে না দিয়ে একে দিয়েই করে নেই। সরকারি ফি 1070+70 আশেপাশে। এটাই বাসত্ব।
আমি ময়মনসিংহ ডি সি অফিসে যাই জমির সি এস খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি তুলতে, গিয়ে জিজ্ঞেস করি, আসতে কতদিন সময় লাগবে? বলা হয় ২৫-৩০ দিন, আমি বলি আরো তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় না? বলা হয়, যাবে তবে টাকা লাগবে ২০০০, অথচ সরকারি খরচ হয় ১২০ টাকা। তখন আমি আর কাজটা করাই নি।
নামজারি করাতে গেলে ২৫০০০ টাকা চায়।আমি ১০০০০ টাকা পয়ন্ত অফার করি কিন্তু সে করবে না।এই টাকা না দিলে সে করাইতে পারবে না।এটা কয়েটা নিউজ করলেও এখনো কেউ ভালো হয় নাই
নামজারি করতে ঘুষ চেয়েছে।
ওয়ারিশ সম্পত্তির জমিতে নামজারি করতে টাকা লেগেছে। সরকার যে বলে ১১৭০ টাকা লাগে যা আদও সঠিক না। টাকা না দিলে বহুত নিয়ম কানুন দেখাবে আর আবেদন পেন্ডিং অথবা বিভিন্ন কারনে বাদ দিবে অথচ টাকা দিলে সব হবে। কোন সমস্যা হবে না । এই দেশে লিগাল জিনিস্ও টাকা দিয়ে করতে হয়।
আমার জায়গা নামজারি করতে গেলে প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে পরে আত্মীয়ের মাধ্যমে এটা ৬৫০০ টাকায় করিয়ে আনি আমার কাজটা ৫/৬ দিনের মধ্যে হয়ে যায়।
আমার একটা জমি খাজনা খারিজ করানোর জন্য গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। মোট ৩ একর ৫২ শতক। জমির দলিল, ভায়া দলিল এবং প্রয়োজনীয় কাগজ সবই ছিলো। কিন্তু জমিটা যে খতিয়ান থেকে আমার বাবা কিনেছিলেন সেই দাগে মোট জমির পরিমান প্রায় ৪০ বিঘা।। সেখান থেকে আমার ৩ একর। উনারা বললেন সম্পূর্ণ জমির খাজনা যেহেতু বাকি তাই আমাকে পুরো ৪০ বিঘার খাজনা দিয়ে তারপর খারিজ করতে হবে। কিন্তু সেটা তো সম্ভব না। খাজনা আসে তখন প্রায় ৬ লাখ। আর আমার নিজের ৩ একরের খাজনা মাত্র ৪৯ হাজার।৷ তাই উনাদের সাথে চুক্তি করে অনেক প্যারা অনেক দৌড় ঝাপ করে প্রায় ৬ মাস পর খারিজ করাতে পারছি।।
নামজারী বাবদ অনলাইন এ করার পর আবেদনকারী উপস্থিত না থাকায় তার প্রতিনিধি হিসেবে যাওয়া এবং বসুন্ধরা প্লট এজন্য নাকি এই পরিমান খরচ দিতে হয় ভূমি অফিস ও এসি ল্যান্ড, ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল এর সার্ভেয়ার মূলত সব ডিল করে। —
নামজারি আবেদন জমা দিলেই সাথে ৫০০ টাকা দিতে হবে। যদি টাকা দেওয়া হয় তাহলে ভালো প্রতিবেদন দিবে। আর যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে আবেদন বাতিল হবে। এটা সবার জন্য।
আমি নামজারি করতে আমাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছি পরে তারা নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা দাবি করে। আমি তাদেরকে ১৮,০০০ টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করেছি।
I have been living in Canada. I needed to give power of attorney to my brother. There were different layer of approval at different government office. At land office at Khilkhet in the month of Ramadan, they asked bribery to complete the task although there was no fault on my file. My elder brother went to office 2-3 times. Magistrate were there and we raised complain but there was no remedy.
নারায়ণগঞ্জ দেউলি ভুমি আসিসে আমি UNDP ভুমি অটোমোশন প্রকল্পে DEO হিসেবে 4 মাস যুক্ত ছিলাম এই ভুমি অফিসে দেখেছি জমি বিক্রি করলেও খাজনার তথ্য 26 সালের গুলো সব পকেটে রেজি ২ তোলে না জমি অবশিষ্ট থাকলে মালিকের আবার শুরু থেকে দেয়া লাগে — নামের এক অইট সোষ্টসিং ও — এই কাজের মুল হোতা আগে ULO — ও — তারা বর্তমানে বন্দর ভুমি অফিসে আছে প্রচুর ঘুস খাই ভাগ খায় এখন নতুন ULO ও
একটি দাগের আংশিক জমি ১নং খাস খতিয়ানে এবং ঐ দাগের অবশিষ্ট জমিসহ অন্যান্য জমি মিলে মালিকানা হিসেবে আর এস রেকর্ড হয়েছে। ঐ জমির খাজনা দিতে গেছি তহসিলদার কয় ঐ দাগের খাজনা নেওয়া যাবে না। পরে পিয়ন পাশের রুমে আসেন। পাশের রুমে ডাকে নিয়ে যায়া ৫০ হাজার টাকা দিলে সম্পূর্ণ জমির খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা করি দেব। আমি ৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হলাম। কিন্তূ কাজ হলো না এভাবে প্রায় ১ মাস ঘোরার পর তহশিলদারদের ভাগনার মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে খাজনা দিছি। পরে শুনলাম জমির পরিমাণ বেশি হলে এই কাজের জন্যৈ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয়
Nothing to do, i gave it to them.
জমি বিক্রির সময় আমার মায়ের নামে সামান্য ভুল থাকায় তারা ঝামেলা করে এবং অর্থ দাবি করে এক প্রকার বাধ্য হয়েই সাব রেজিস্ট্রার কে অর্থ দিয়ে জ কাজ করতে হয়
আমরা 5 জন শরীক মিলে একটা জমির নামজারি করতে ভূমি অফিসে যাই। এখানে দুইজন নায়েব আছে একজন সৎ আরেকজন দুর্নীতিগ্রস্ত। সাৎ জনকে দিয়ে অনেক চেষ্টা করানোর পরও সে কাজটা করতে পারেনি। পরে অসৎ যে নায়েব আছে। সে তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমাদের পাঁচ জনের নামজারি করে দিয়েছে।
আমার মনে হয় বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ঘুষ দিতে হয় ভূমি অফিসে ।