নামজারি
নামজারি, সরাসরি ৩ ধাপে কাজ আটকে টাকা চাওয়া হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি, সরাসরি ৩ ধাপে কাজ আটকে টাকা চাওয়া হয়।
নামজারি করাতে গেলে ২৫০০০ টাকা চায়।আমি ১০০০০ টাকা পয়ন্ত অফার করি কিন্তু সে করবে না।এই টাকা না দিলে সে করাইতে পারবে না।এটা কয়েটা নিউজ করলেও এখনো কেউ ভালো হয় নাই
আমরা 5 জন শরীক মিলে একটা জমির নামজারি করতে ভূমি অফিসে যাই। এখানে দুইজন নায়েব আছে একজন সৎ আরেকজন দুর্নীতিগ্রস্ত। সাৎ জনকে দিয়ে অনেক চেষ্টা করানোর পরও সে কাজটা করতে পারেনি। পরে অসৎ যে নায়েব আছে। সে তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমাদের পাঁচ জনের নামজারি করে দিয়েছে।
ওয়ারিশ সম্পত্তির জমিতে নামজারি করতে টাকা লেগেছে। সরকার যে বলে ১১৭০ টাকা লাগে যা আদও সঠিক না। টাকা না দিলে বহুত নিয়ম কানুন দেখাবে আর আবেদন পেন্ডিং অথবা বিভিন্ন কারনে বাদ দিবে অথচ টাকা দিলে সব হবে। কোন সমস্যা হবে না । এই দেশে লিগাল জিনিস্ও টাকা দিয়ে করতে হয়।
নাম জারি সরকারি ফি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কিন্তু ওরা আমার কাছে ১৮ হাজার টাকা দাবি করেছে ওই আঠার হাজার টাকা আমি দিয়েছি ওদেরকে অর্থাৎ ভূমি অফিস কে। ভূমি অফিসে অনেক বেশি হয় দুর্নীতি। আমার নাম — আমি একজন প্রবাসী।
নামজারি আবেদন জমা দিলেই সাথে ৫০০ টাকা দিতে হবে। যদি টাকা দেওয়া হয় তাহলে ভালো প্রতিবেদন দিবে। আর যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে আবেদন বাতিল হবে। এটা সবার জন্য।
জমির নামজারি করতে ১১৫০ টাকার পরিবর্তে ৮০০০ টাকা দিতে হইসে।
একটি দাগের আংশিক জমি ১নং খাস খতিয়ানে এবং ঐ দাগের অবশিষ্ট জমিসহ অন্যান্য জমি মিলে মালিকানা হিসেবে আর এস রেকর্ড হয়েছে। ঐ জমির খাজনা দিতে গেছি তহসিলদার কয় ঐ দাগের খাজনা নেওয়া যাবে না। পরে পিয়ন পাশের রুমে আসেন। পাশের রুমে ডাকে নিয়ে যায়া ৫০ হাজার টাকা দিলে সম্পূর্ণ জমির খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা করি দেব। আমি ৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হলাম। কিন্তূ কাজ হলো না এভাবে প্রায় ১ মাস ঘোরার পর তহশিলদারদের ভাগনার মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে খাজনা দিছি। পরে শুনলাম জমির পরিমাণ বেশি হলে এই কাজের জন্যৈ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয়
কক্সবাজার শহরে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত নতুন ভূমি জরিপ চলমান রয়েছে, এই জরিপে সকল ভূমি মালিকদের নিজ নিজ জমির সকল বৈধ কাগজপত্র (যেমন, জমির দলিল, খতিয়ান, পরিশোধিত খাজনার রশিদ ইত্যাদি) নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত সার্ভেয়ার কর্তৃক জমির মালিকানা প্রমাণ সাপেক্ষ নতুন বিডিএস খতিয়ান পাওয়া যায়। এই সেবাটি পেতে আমাকে দুই ধাপে যথাক্রমে, তিন লক্ষ এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, দুজন আলাদা সরকারি কর্মীকে।
আমি নামজারি করতে আমাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছি পরে তারা নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা দাবি করে। আমি তাদেরকে ১৮,০০০ টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করেছি।
Dolil tollashi kora ,and. Check korq
জমি বিক্রির সময় আমার মায়ের নামে সামান্য ভুল থাকায় তারা ঝামেলা করে এবং অর্থ দাবি করে এক প্রকার বাধ্য হয়েই সাব রেজিস্ট্রার কে অর্থ দিয়ে জ কাজ করতে হয়
আমার জায়গা নামজারি করতে গেলে প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে পরে আত্মীয়ের মাধ্যমে এটা ৬৫০০ টাকায় করিয়ে আনি আমার কাজটা ৫/৬ দিনের মধ্যে হয়ে যায়।
আমার কাছে নামজারীর জন্য ৫০০০০টাকা চে্যে ছিলো আমি দর কসা কসির পর ২৫০০০টাকায চুক্তি করি।
আমি ময়মনসিংহ ডি সি অফিসে যাই জমির সি এস খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি তুলতে, গিয়ে জিজ্ঞেস করি, আসতে কতদিন সময় লাগবে? বলা হয় ২৫-৩০ দিন, আমি বলি আরো তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় না? বলা হয়, যাবে তবে টাকা লাগবে ২০০০, অথচ সরকারি খরচ হয় ১২০ টাকা। তখন আমি আর কাজটা করাই নি।
নারায়ণগঞ্জ দেউলি ভুমি আসিসে আমি UNDP ভুমি অটোমোশন প্রকল্পে DEO হিসেবে 4 মাস যুক্ত ছিলাম এই ভুমি অফিসে দেখেছি জমি বিক্রি করলেও খাজনার তথ্য 26 সালের গুলো সব পকেটে রেজি ২ তোলে না জমি অবশিষ্ট থাকলে মালিকের আবার শুরু থেকে দেয়া লাগে — নামের এক অইট সোষ্টসিং ও — এই কাজের মুল হোতা আগে ULO — ও — তারা বর্তমানে বন্দর ভুমি অফিসে আছে প্রচুর ঘুস খাই ভাগ খায় এখন নতুন ULO ও
৬২ শতাংশ জমির জন্য আমাকে বলেছে 20,000.00tk খাজনা দিতে হবে। টাকা দেওয়ার পর তারা আমাকে ২৫০.০০ টাকার খাজনা পরিশোধের রিসিট ধরিয়ে দিয়েছে ।
আজ আমার বাবার জমিতে খাজনা দেয়ার জন্য আমারা ভুমি অফিসে যাই BRS পর্চা দেখে বলে খাজনা নেবেনা নতুন করে নামজারি করতে হবে তার জন্য ৫টা নামজারি করতে ৬০ হাজার টাকা করে চায় নায়েবের নাম — [redacted]
মিউটেশন করার জন্য সরকারি খরচ ১১৭০ । কিন্তু ভূমিঅফিস থেকে ক্লিয়ারেন্স দিবেনা এসিল্যান্ড অফিসকে তাই এজন্য ঘুষ দাবী, জমির পরিমান ও দাম অনুযায়ী তা লাখ টাকাও হয়ে থাকে ।
আমি একটি নামজারি বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর মিস কেস করি । দীর্ঘ ২ বছর শুনানির পর আমার কাছে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ।আমার সকল কাগজপত্র ধারাবাহিকতা ঠিক থাকার পরও আমার আবেদনটি নথিভুক্ত করার আদেশ দেন । আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানাই।