Jomi Registry
Jomi registry krte geley dalal diye kora lage sorkari seba paoa jayna. Ami 3tr jnno 80000 disi already
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Jomi registry krte geley dalal diye kora lage sorkari seba paoa jayna. Ami 3tr jnno 80000 disi already
আমার কাছে সরাসরি টাকা চাওয়া হয়
মৌজা ম্যাপ ঢাকায় গেছে। কুরিয়ারে অানবে।দোকান নাকি একটাই। কালিতলা বগুড়া। যার থেকে যেভাবে পাচ্ছে নিচ্ছে। আল্লাহ এসব লোকের কর্মের উত্তম ফল দান করুন।
আমার জানা মতে জমির নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে, আমি চুক্তির মাধ্যমে ৬০০০টাকা করেছি।
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের সাদিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, নামজারি আবেদন নং-১৬১০২০৬৬ তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য ৫০০০ টাকা চাইলে বিকাশে ৩০০০ টাকা দিলে একদিন পর টাকা ফেরত দেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সর্বোচ্চ ২৮ দিন নির্ধারণ করে দিলেও কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের কানুনগোর শোনানীর তারিখ ছিল ১৭/০৮/২০২৬ আবেদনকারী যোগাযোগ না করায় আজ ২৫/০৮/২৬ তারিখ হলেও ফাইল্টিতে হাত দেয়নি, চাইলে অনলাইনে দেখতে পারেন,কানুনগোর শোনানী সিস্টেমটাই ঘুষ খাওয়ার একটি রাস্তা কারণ অনলাইনে কাগজপত্র দেওয়ার পর আবার আবেদনকারীকে ডাকা হয়, আমার মনে হয় কেবলমাত্র টাকা আদাইয়ের জন্য
নামজারি জন্য সরকারি ফি 1100 টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে 15000 টাকা ঘুস ছাড়া আড়াইহাজারে সেবা নাই
প্রতিটি নামজারি মামলার জন্য এসিল্যান্ড ২০০০ টাকা করে নিতেছে আর বাকিটাকা বিভিন্ন ভাবে নিচ্ছে এবং বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে কেস আটকানো হয়। এমনকি কেস নথি ছাড়াই শুধু কেস নম্বর দিয়ে নামজারি হচ্চে।
নামজারীতে জমির পরিমাণ ভুল, যা সিটি কর্পোরেশনের নামে কিছু অংশ রের্কড হয়।
আমার একটা দোকান ছিল সকারী জায়গায় আমার দখলে এখন লিজ নিয়েছি সরকারি খরচ হলো ১৯৬০ টাকা তারা নিয়ে ১০০০০০ টাকা সবার থেকে নিচে টায় আমি ও দিতে হইছে আমার হিসেবে পাই ৫০ কোটি টাকা এবাবে নিয়েছে।
নামজারির ফাইল আটকে রেখে প্রথমবার শুনানিতে উপস্থিত হই নাই বলে বাতিল করে। দ্বিতীয় বার সফটওয়্যার সমস্যা বলে বাতিল করে।।তৃতীয়বারের আবেদন চলমান আছে। ইতোমধ্যে ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাবদ আমার ১০০০০টাকা শেষ।
আমার ওয়ারীশসূত্রে প্রাপ্ত জমির জন্য নামজারি করতে গেলে আমার থেকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়। অন্যথায় হয়রানি সীমাহীন যেমন: তদন্ত রিপোর্ট নেগেটিভ দেওয়া, আবেদন বাতিল ইত্যাদি ইত্যাদি। দুঃখের বিষয় হলো ১০,০০০ টাকা দেওয়ার পরেও আমার সৃজিত দলিলে বিদ্যমান থাকা জমি তারা আমার খতিয়ানে সম্পূর্ণ আনতে পারেনি, জমি না আসার বিষয়টি আমাকে পূর্বে অবগত করেনি, বা অন্যকোন সমস্যা থাকলে সেটাও আমাকে জানায়নি। তারা জাস্ট টাকা নিয়ে খতিয়ান একটা করে দিল। তারা পরবর্তীতে এ বিষয়ে কোন সমাধানও দেয়নি না। এ অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না। সাধারণ নাগরিকের প্রপ্য সেবা যেগুলো ফ্রিতে পাওয়ার কথা সেগুলোও টাকা ছাড়া হয়না। অফিসের নাম: কাকারা ইউনিয়ন ভূমি অফিস অফিসের ঠিকানা: ছিকলঘাট ষ্টেশনের পূর্ব পাশে, চকরিয়া, কক্সবাজার।
৩০০০০ টাকার কমে নামজারি করবে না
আমি আমার দোখানে একটা জমা খারিচ করতেই গেসিলাম ওনারা আমার থেকে ২০০০০ টাকা চেয়ে সিলো। কম হবে না কারণ এটা অনেক দামি জায়গা টায় দিতে হবে পরে আমি ২০০০০ টাকা দিয়ে করতেই হইছে আমার আর কিছু করার ছিল না।
বিভিন্ন অজুহাতে নামজারি প্রদানে বিলম্ব করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি। পরিশোধ সাপেক্ষে নামজারী প্রদান করা হয়েছে।
নামজারি করতে গেলে ৩০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হবে অন্যথায় হবে না। কোন সহযোগিতা তারা করবে না টাকা ছাড়া
নামজারি (Mutation) করতে ১০ হাজার টা দাবি করেছিল । ১০ হাজার টাকা ছাড়া নামজারি (Mutation) করা যাবে না। যেহেতু সকল কাগজপত্র ভুমি অফিস এ তাদের কাছেই আসে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে -অন্যথায় নামজারি বাতিল হয়ে যায়
আমি আমার জমির নামজারী আবেদন করার জন্য ভূমি অফিসে গেলে আমার কাছ হতে সরকার নির্ধারিত ফি 1170 টাকার অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দাবি করায় আমি সেটি দিতে বাধ্য হয়েছি।
গিয়েছিলাম খতিয়ান এটেস্টেশন করার জন্য। তারাই খবর দিয়েছিল আগস্টের ১৩ তারিখের মধ্যে করতে হবে। গেলাম ১০ তারিখ। যাওয়ার পর ব্বিভিন্ন ডকুমেন্টস চাইল যা সাথে ছিল না সব ফোটোকপি ছিল। তারপরও অরিজিনাল চাইছিল। পরে আমার লোক তাদের ডাকল। তারা খতিয়ান এটেস্টড করার জন্য প্রথমে ৫০,০০০ টাকা চাইল। পরে আমার লোক ওদের সাথে কতক্ষন দরাদরি করার পর ৩০,০০০টাকার কমে হবে না বলে চলে গেল। আমি পরে যোগাযোগ করব বলে চলে এলাম। ঘটনাটি ছিল কাশিমপুর ভুমি অফিসের সাথে লাগানো। শুধুমাত্র রেকর্ড অফিস। শুধুমাত্র একটা সাইন করার জন্য ৩০,০০০ টাকা। তারা দিনে কত টাকা ইনকাম করে?
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার ভূমি অফিসে একদিন আমরা নাম জারি করতে গিয়েছিলাম তারপর সেখানকার বড় অফিসার বলল আপনারা কাউকে টাকা দিয়েছেন আমরা বললাম না তারপরে তিনি সিকিউরিটি দিকে টাকা চাওয়ালেন এছাড়া বন্দর জরিপ করতে আসছে হরিপুর বঙ্গ শাসন এলাকায় মোটা অংকের টাকা দাবি করে এছাড়া জমির পরিমাণ কম লিখে নিয়েছি এবং ঠিক করার জন্য অনেক টাকা দাবি করছে আমাদের কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করেছে
আমি খতিয়ান প্রস্তুত করতে নিয়ে যায় আনোয়ারার একটি ভূমি অফিসে। সে কোনভাবে ফাইলটি দ্রুত উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠাচ্ছিল না। পরে একজন বলে এই কাজ দ্রুত হওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তাকে কিছু টাকা দাও, তারা তখন করে দিবে। যথারীতি আমি ৬০০০ টাকা দিলে কাজটা হয়ে যায় দ্রুত। তবে উপজেলা ভূলি অফিস খতিয়ান দেয়ার সময় কোন চার্জ করেনি। ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে বাধ্য হয়ে দিতে হলো।