নামজারি
নামজারি জন্য সরকারি ফি 1100 টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে 15000 টাকা ঘুস ছাড়া আড়াইহাজারে সেবা নাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি জন্য সরকারি ফি 1100 টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে 15000 টাকা ঘুস ছাড়া আড়াইহাজারে সেবা নাই
স্থান: তাহিরপুর উপজেলা ভূমি অফিস, সুনামগঞ্জ। ভূমি নামজারির (ই-নামজারি) নির্ধারিত সরকারি ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা। তবে, আবেদনটি প্রক্রিয়া করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ দাবি করেন। নামজারির কাজটি সম্পন্ন করতে এবং ইচ্ছাকৃত দাপ্তরিক হয়রানি বা দিনের পর দিন ঘোরানো থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে ১২,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। এই মোটা অঙ্কের ঘুষ না দিলে, কর্মকর্তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ফাইল আটকে রাখেন এবং জমির বৈধ রেকর্ড হালনাগাদ করতে সরাসরি অস্বীকার করেন।
খাজনা দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু কাগজ পত্র ঠিক নাই বলে এরপর ১০০০০ টাকা দিলে পরে করে দেয়। অথচ আমার সব কাগজ ঠিক ছিল। ঘুষ দেয়ার পর আর কোন কাগজ লাগে নাই।
দিয়ার সেটেলমেন্ট অপারেশন এ নিয়োজিত ব্যক্তিরা বিডিএস জরিপের মাঠ নকশা শেষ করে, কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও সৃষ্ট খতিয়ানের সত্যায়ন পর্যায়ে বা ২য় ধাপে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ঘুষ দাবি করতেছেন,,,
এক ভাই এর জমি আরেক ভাইয়ের নামে দলিল করা বাবদ ১৮ শতাংশ জমির মূল্য ২৮০০০০ টাকার জন্য ৩২০০০ টাকা নিয়েছে।
নামজারির ফাইল আটকে রেখে প্রথমবার শুনানিতে উপস্থিত হই নাই বলে বাতিল করে। দ্বিতীয় বার সফটওয়্যার সমস্যা বলে বাতিল করে।।তৃতীয়বারের আবেদন চলমান আছে। ইতোমধ্যে ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাবদ আমার ১০০০০টাকা শেষ।
আমার জানা মতে জমির নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে, আমি চুক্তির মাধ্যমে ৬০০০টাকা করেছি।
আমার একটা দোকান ছিল সকারী জায়গায় আমার দখলে এখন লিজ নিয়েছি সরকারি খরচ হলো ১৯৬০ টাকা তারা নিয়ে ১০০০০০ টাকা সবার থেকে নিচে টায় আমি ও দিতে হইছে আমার হিসেবে পাই ৫০ কোটি টাকা এবাবে নিয়েছে।
আমি আমার দোখানে একটা জমা খারিচ করতেই গেসিলাম ওনারা আমার থেকে ২০০০০ টাকা চেয়ে সিলো। কম হবে না কারণ এটা অনেক দামি জায়গা টায় দিতে হবে পরে আমি ২০০০০ টাকা দিয়ে করতেই হইছে আমার আর কিছু করার ছিল না।
বিকাশে টাকা দিছি । আম
নামজারীতে জমির পরিমাণ ভুল, যা সিটি কর্পোরেশনের নামে কিছু অংশ রের্কড হয়।
জমি ক্রয় বিক্রয় করার ক্ষেত্রে কর দিতে হয়। তাই কর দিতে গেলে ওয়েবসাইট এ পেমেন্ট অপশন আছে। কিন্তু এই অপশন বন্ধ করে রেখেছে সংশ্লিষ্ট যারা আছে। অন্য জেলায় জমি থাকায় সেই জমির করে দিতে গেলে পেমেন্ট অপশন আসে ।। কিন্তু ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলার কাউন্ডিয়া ইউনিয়নের জমির কর দেয়া যায়না । কারণ কাউন্দিয়া ব্রিজ কাজ চলমান থাকায় এখানকার জমির দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে এবং কেনা বেচা বেড়েছে। যেহেতু জমির মালিক জমি বিক্রি করবে সেহেতু কর দিতে হবে। এখন কর না দিতে পেরে আপনি ভূমি অফিসে গেলে টাকা ঘুষ দিলে আপনার জমির কর এর পেমেন্ট অপশন ওয়েবসাইটে চলে আসে। ফলে আপনি এবার ওয়েবসাইট থেকে কর পেমেন্ট করলে জমি বিক্রি করতে পারবেন। প্রতিদিন এর অনেক জমির ভূমি উন্নয়ন করের পেমেন্ট অপশন অন করে অনেক টাকা ঘুষ নিচ্ছে ।
আমার আব্বা আর আমার চাচা ১৯৮৮ সালে ৫ গন্ডা আলাদা আলাদা দলিলে ২.৫ গন্ডা করে ক্রয় করে। পরে আমার বাবা ২০২৩ সালে আমার আববা তার জায়গা ২.৫ গন্ডা নামজারি করে কিন্তুু আমার চাচা করে নি। তিনি পুনরায় তার ছেলের নামে ২০২৫ সালে রেজিষ্ট্রেশন করে নামজারি করে এবং আমার আব্বার নাম জারি করছে ঐ জায়গায় উপর মিস মামলা করে। আমার আব্বা আমার চাচার ছেলের দলিলে বাতিলের জন্য মামলা করে যা এখনো চলমান।কিন্তু AC office মিস মামলা রায় হিসাবে আমার আব্বা নামজারি বাতিল করে দে। যা তিনি করার আধিকারিক নয়। AC land ৫০০০০ টাকা বিনিময়ে আমার চাচার সাথে contact করেন। AC Officer একজন মেয়ে লোক। খুব তারাতাড়ি তিনি প্রমোশন হয়ে uno হয়ে চলে যাচ্ছেন। এই হলো ভূমি অফিস। টাকা যার মুলুক তার।😭
Amar baba amader 2 vai 1 bon, ebong, amar ma k kicu jomi heba kore dise, setar jonno, amar elakar ek jon ventor, 60,000 tk nise. Location: Cumilla, chauddogram, 4 no. Sreepur union, post office, podua, bosuahra gram.
দলিল রেকর্ড করতে গিয়েছিলাম। অফিসিয়াল ১১৫০ টাকা ফি ছিলো কাজ করার জন্য যার থেকে যেমন পারে নিতাছে। আমার কাছে ৬০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। এই দূর্নীতি ভেঙ্গে দেয়া হোক। পটুয়াখালী সদর
আমাদের একটা নামজারী আটকেদেয় অনলাইনে খুজেপাচ্ছে না। বাতিল করে দিছে।এসিল্যান্ড এর সাথে দেখা করলাম কথা বলেন সহকারী এর সাথে ভাই এটাকে অনলাইনে এন্টি করতে হবে। ডিমান্ড ২০হাজার পরে ১০হাজারে কাজটা করে তা ও ভুল এন্টি করে রাখছে।
আমরা ২৭ নং ওয়ার্ড এলাকাবাসী আমার মূল দলিলে জায়গা আছে শোয়া পাঁচ শতাংশ সেখান থেকে ওরা মেপে নিয়ে আমাদের দলিলে এসেছে ৪.৪০ শতাংশ এখন যখন আমি তাকে বললাম আমার জায়গা কম কেন আমার দলিল তো ঠিক আছে জায়গাও ঠিক আছে আমার বাপ দাদার ভিটা তাহলে এখানে কম কেন তখন ওরা বলে আপনাদের জায়গায় জায়গার মতোই আছে তোর কাছে ঠিক করার জন্য আমরা গেলে বলে আজকে জানাতে গেলে বলে কালকে আসেন বড় চান নাই হেনতেন নানান বাহানা করে পরে আরো অনেক এলাকাবাসীর কাছ থেকে জায়গায় ভাবে কম লিখে নিয়ে যাবেন তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে
আমি আমার জমির নামজারী আবেদন করার জন্য ভূমি অফিসে গেলে আমার কাছ হতে সরকার নির্ধারিত ফি 1170 টাকার অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দাবি করায় আমি সেটি দিতে বাধ্য হয়েছি।
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার ভূমি অফিসে একদিন আমরা নাম জারি করতে গিয়েছিলাম তারপর সেখানকার বড় অফিসার বলল আপনারা কাউকে টাকা দিয়েছেন আমরা বললাম না তারপরে তিনি সিকিউরিটি দিকে টাকা চাওয়ালেন এছাড়া বন্দর জরিপ করতে আসছে হরিপুর বঙ্গ শাসন এলাকায় মোটা অংকের টাকা দাবি করে এছাড়া জমির পরিমাণ কম লিখে নিয়েছি এবং ঠিক করার জন্য অনেক টাকা দাবি করছে আমাদের কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করেছে
মূল সেবা ফি -১১০০+ দেওয়া লাগছে - ১৬০০০