মামলার রিপোর্ট
আমি দিতে পারি নাই। আমি অবৈধ বেদখলের স্বীকার হয়েছি। মামলার বিবাদীরা সেখানে বিল্ডিং বেধে ফেলতেছে এদিকে রিপোর্ট দিচ্ছে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি দিতে পারি নাই। আমি অবৈধ বেদখলের স্বীকার হয়েছি। মামলার বিবাদীরা সেখানে বিল্ডিং বেধে ফেলতেছে এদিকে রিপোর্ট দিচ্ছে না।
বিডিএস মৌজা ম্যাপ সার্ভেয়ার টীম হেড আমার জমির পরিমান, ম্যাপ এ কারেকশন করতে ৫৬,০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে। অধিকাংশ জমির একই সমস্যা যা টাকা ছাড়া সমাধান হয়না।
আমি জানি জমি খারিজ করতে কোনো টাকা লাগে নাহ, কিন্ত তারা টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে নাহ। অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে অফিসার সবাই টাকা নেয়।
জমির খাজনা খারিজ করতে গেলে যার সরকারী খরচ ১০,০০০ টাকার কম সেই।কাজের জন্য স্থানীয় ত্হশীলদার ২০০০০০ টাকা দাবী করেন। আমি নিরুপায় হয়ে ফিরে আসি।
আমার দাদা আমার বাবার নামে দলিলের মধ্যমে সম্পদ দান করেন যা বহু বছর খারিজ করা হয়নাই। দাদা পরলোকগম করায় খারিজের ব্যপারটা সামনে আসলে ১২০০টাকার খারিজ ৭-৮মাস ঘুরার পর পরে বধ্য হয়ে ২০০০০টাকায় স্যাটেল করতে হয়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বড় স্যারের সাথে, তিনি বলেন আগেই যদি লেনদেন করতাম তাহলে এতো মাস ঘুরা লাগতোনা। উপরের টেবিলে নাকি টাকা ছাড়া কাজই হয়। এইখানে ওনার নাকি কোন দোষ নাই। বরং উনি আমাদের জন্য অনেক চেষ্টা করছেন।😶
বন্ধকী দলিল ও আমমোক্তার নামা দলিল সম্পয়াদন এর জন্য ভূমি অফিসে দলিল টেবিল খরচ বাবদ ৫০০০ টাকা ও সাবরেজিষ্টার দলিল প্রতি ২০০০ করে ৪০০০ টাকা দাবি করেন। পরে ৭০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
নামজারি করতে গিয়ে এই টাকা না দিলে নামজারি মঞ্জুর হয় না। টাকা না দিলে আবেদনে ভুল আছে, জোতে জমি নেই, কাগজ ঠিক নেই বলে আবেদন বাতিল করে দেয়।
আমার বাবা জমি খারিজ জন্য বহুদিন ধরে ঘুরতেছে একজন অফিসার জমে খারিজ কথা বলে ১৪ হাজার টাকা চেয়েছে আগে ৯০০০ টাকা বাবা পরিশোধ করেছে বাকি কাজের পরে বাকি টাকা গুলা দেবে কিন্তু তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তিনি কোথায় যেন গেছে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না কিন্তু বাবা আবার খারিজের জন্য বহুদিন ধরে ঘুরতেছে এই পেপার আনেন বলে ঘোড়াচ্ছে বলে বহুদিন ধরে ঘুরাচ্ছে কিন্তু গতকাল একজন ৫ হাজার টাকা চাইছে আবার সেটা দিয়েছে পরে টেবিলগুলো পার করে দিয়েছে এখন আবার বলেছে মূল যে অফিসার অফিসার সে ও ঘুসি খায় উনাকে এখন ওই টেবিল পার করতে আবার কত টাকা লাগবে সেটা আল্লাই ভালো জানে
০২-০৬-২০২৬ তারিখ আমার জমি খারিজের জন্য গোদনাইল চেয়ারম্যান ওফিসে স্থানীয় ভুমি ওফিসে যাই। আমার জমির পেপার সব কিছু ১০০% ঠিম আছে। বিনপি ক্ষমতায় আসার পরে গোদনাইল ভুমি ওফিসে নতুন নায়েব এসেছে। ওনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা, জমির খারিজের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য যাওয়ার পরে ওনি কোন মানুষের সাথে কথা বলেনা, ওনার ওফিস সহকারীর মাধ্যমে ৫০০০ টাকা দাবী করে, টাকা না নিলে কোন কাজ করবেনা বে জানায় দেয়। তারপরে ২০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে। বর্তমানে গোদনাইল ভুমি ওফিসে স্থানীয় যে ভুমি কর্মকর্তা আছে ওনি একটা দূর্নীতিবাজ।
আমি আমার জমি নামজারি করার জন্য জায় ভুমি অফিস এ। দেখি ওখানে লেখা যে নামজারি ফি ১১৭০ টাকা কিন্তু করতে গেলে উনি বলে এটার সাথে ৫০০০ টাকা খরচ আছে৷ সবাই করছে আমাকেও করতে বলে। উপরের অফিসারের কাছে গেলেও সেম টাকা দাবি করে কোন কুল কিনারা না পেয়ে আমি টাকা টা দিয়ে নামজারি টা করে নিয়।
আমার এক দাগে ৫০ কাঠা জমির খারিজ করার জন্য ভুমি অফিসে এক পরিচিত বড় ভাইয়ের কাছে গেলে আমার সকল কাগজ পত্র সঠিক থাকা সত্তেও ওনি কাজ টা করে দিয়ে ২০০০০/- টাকা দাবি করে।এটা নাকি ভুমি অফিসের সিন্ডিকেট কে বিভিন্ন স্তরে দেয়া লাগে।তারপর....
নামজারি অনলাইনে আবেদন করে ভূমি অফিসে যায়। সেখানে যাওয়ার পর আমাকে বলে টাকা না দিলে আবেদন বাতিলহব
ঢাকা আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে অধিগ্রহণের জন্য আমারকে ৪ দ্বারা নোটিশ প্রদান করে। তারা সরজমিনে যখন মেপে যায় জমির পরিমাণ থেকে অনেক কম মেপে নিয়ে যায়। তারা মেপে নিয়ে গেছিল ৩১/১৯ সরজমিনে আমার জায়গায় তার চেয়েও বেশি আছে। আমার এক সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি ২৭/১৬ জমির পরিমাণ তারা নোটিশে আমাকে প্রদান করবে। আমার পুরা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত দেখানোর জন্য তারা আমার কাছ থেকে ঘুষ চায়। দুই দিনের ভিতর দিতে হবে আমাকে আমি কি করতে পারি। পাশের জমি হিসেবে গরমিল করে আমার জমির মাপ ঢুকায় দিছে তাদের ৩৭/১৬ আছে। দেখানো হয়েছে তাদের ৪১/৩২ আমার জমির অংশ তাদের ভিতর জমির মাপের ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়েছে।
জমা খারিজ সরকারি ফি 1100 টাকা কিন্তু আমাদের কে হযরানি করে 15000/20000/50000 টাকা দাবি করে । আমরা নিরুপায় হয়ে দিতে হয়।
প্রথমে তোশিলদারকে তিন হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপর AC ল্যান্ড অফিসে এক পিওনের মাধ্যমে ৭০০০ টাকা দিতে হয়েছে। প্রত্যেকটা অ্যাপ্লিকেশনের উপরে ঘুষের টাকা লিখা ছিল। কোন অ্যাপ্লিকেশনে কত টাকা নিবে।
ভূমি অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।”
নামজরী প্রস্তাব দিতে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি
আমার জমি বেদখল হওয়ার কারণে মামলা করি। মামলার রিপোর্ট দিচ্ছে না।
একবার টাকা দিয়ে সমাধান দেয়নি। আবার চাচ্ছে।
অপেক্ষা করছি কি করা যায়