নামজারি
উত্তরাধিকার সূত্রে যৌথ মালিকানার জমি নামজারি করতে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উত্তরাধিকার সূত্রে যৌথ মালিকানার জমি নামজারি করতে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা।
DBC jorip kora holo kichu din agay . unara bollo amar 10 katha jomir modhay 3 katha onno nama a registration korchay akhon jodi amar name nitay chai 1 lac taka ditay hobay. ami taka prodan kori abong unara amar name a 10 katha jorip koray den. ai sompotti amar ma ar name . akon amader name transfer kortay abar 1 lac taka chai. amar ma maragachen 3 years agay. warish deat certifickate sob documents achay taka chara unara korben na.
সেবাটি অফিসে সম্পন্ন করে ঘূষ প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে দিতে হয়েছিল। এখন আরো অতিরিক্ত ঘূষ চাওয়া হয়েছে, না দেওয়ায় এখনো কাজটি সম্পন্ন হয়নি।
ভোলা সদর উপজেলা, ১নং রাজাপুর ইউনিয়ন, কন্দকপুর মৌজায় ভূমি জরিপ চলমান, সেখানে একর প্রতি ৫০০০০ টাকা ষুষ লেনদেন হচ্ছে, —, মোবাইল :—
আমার জমির মালিকানার জন্য আড়াইহাজার ভূমি অফিসে জমির মীসকেস দায়ের করি। এ্যাসিল্যান্ড সাহেব আমার পক্ষে রায় দেন। কিন্তু রায়ের কপির জন্য একজন কর্মচারী, ক্রেডিট কাম সায়রাত সহকারী আমার কাছে ২৫০০০ টাকা এবং অন্যান্য কিছু কাজের জন্য ২৫০০ টাকা দাবি করেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমাকে কয়েকদিন কাল ক্ষেপন করে আমার ফাইল এর কাজ শুরু হয়নি মর্মে জানান। যার ফলে আমার কাজটির সমাধান হয়নি।
আমাদের পারিবারিক কবরস্থানের ২ শতাংশ জমি নামজারি করার জন্য দলিল লিখক — কে দায়িত্ব দিলে তিনি ১০ হাজার টাকা চাইল, আমরা দিত দিলাম। কিন্তু ২ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো নামজারি করতে পারেনি। আমাদের জমিতে কোন সমস্যা নাই।
২০২২-২৩ এর দিকে আমরা আমাদের জমির নামজারি করাতে গেলে বলে এটা গিঞ্জি খতিয়ান হ্যান ত্যান এটা যদি আপনারা করেন ৮০ হাজার লাগবে পরে আমরা উপজেলায় গিয়ে আবেদন করে আসি এর পর কাগজ ওনাদের (গোলাকান্দাইল ভুমি অফিসের)কাছে গেলে বলে আমাদের লিখিত নেই হ্যান নেই ত্যান নেই।পরে বলে এটা আমরা পারমিশন দিতে পারবোনা আমরা অসহায় হয়ে তখন পরে টাকাটা পরিশোধ করতে হয়।
ফ্ল্যাট মিউটেশন করতে ১১৭০টাকা সরকারি অফিসে জমা দিতে হয়। আমার কাছে 45000 চাইছিল।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোরা, কলের বাজার রাস্তা ভুমি অধিগ্রহনের জন্য DC অফিসের ভূমি অধিগ্রহন শাখার কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশনের এর সার্বেয়ার স্থানীয় দালাল এর মাধ্যমে ১৫%-২৫% হারে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। দালাল ছাড়া কেউ ভূমি অধিগ্রহনের টাকা নিতে পারে না।
আমার নিজ জমি রেলওয়ে ভূমি গ্রহনের কারনে টাকা তোলার জন্য আমি প্রবাস থেকে আসি এবং আমার সব কাজ পত্র সঠিক থাকার কারনে ও তারা হয়রানি করে এই হয় নাই ওই হয় নাই পরে ঐখান কার পিওন সরাসরি বলে কিছু চা খাওায় টাকাদেন সব ঠিক হয়ে যাবে আর এ ও বলে এই টাকা জেলা প্রশাসন মহাদয় ও খায়। টাকা নেওয়ার ৩/৪ দিন পরে সব কাজ করে দেয়।
৯ শতক একটা জমি সরকারি হয়ে যাচ্ছিলো। সেইটা খাস হওয়া থেকে আটকাতে ৫০০০৳ চাইলো। গ্রামের মধ্যে একটা পঁচা ডোবা ছিলো। খুব দামাদামি করে ৪০০০৳ রাজি করানো হয়। কিন্তু জনাব আমার থেকে ৪৫০০৳ আদায় করেই নেয় শেষ পর্যন্ত।
ভূমি উন্নয়ন কর ছিল ১২ টাকা। কিন্তু তা আদায় করতে গেলে ১০০০ টাকা দাবি করে। অনেক তর্ক করার পর বিভিন্ন আইন দেখায় । বলে আপনার পুকুর আছে, পুকুরের খাজনা বেশি। অথচ সকার আইন করেছে বানিজ্যিক চাষের পুকুর ছাড়া অন্য পুকুরে কোন কর নাই। এত এত আইন দেখায়া ১০০০ টাকা দেয়ায় ১২ টাকার দাখিলা দিয়ে দিয়েছে। ভূমি অফিস গুলো অনলাইন হয়েছে। কিন্তু ভুমি অফিসে খতিয়ান আপলোড করে এপ্রোভের জন্য অফিসে না গেলে এপ্রোভ করে না। গেলে আবার ঘুষ চায়। এই আরকি
১ হাজার টাকা দিলে তিন দিনের ভিতরে নামজারি মঞ্জুর হয়ে যাবে। টাকা না দিলে কবে হবে এটা বলতে পারব না। এই টাকা দাবি করে কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকা এক ব্যক্তি। আমার মনে হয় কোন অফিসার ঘুষ খায় না। ঘুষ খায় দ্বিতীয়/তৃতীয়/চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা
জমি কেনার পরে কাগজপত্র ভূমি অফিস থেকে সঠিকভাবে তৈরি করে দেওয়া হয়নি। দলিলের হিসাব সবকিছু ঠিক আছে কিন্তু জমি খারিজ এর কাগজে জমির পরিমাণ ঠিক নেই। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় একাধিক দাগ নম্বর থেকে জমি দেওয়া হয়েছে ওই দাগ নম্বরে জমির পরিমাণ ঠিক নেই। এখন অন্য দাগ নম্বর থেকে জমি এখানে যোগ করতে হবে।
পূর্বে জমির খাজনা দেওয়ার কোন রেকর্ড নেই। ফলে অনেক টাকা খাজনা আসবে ঘুস দাবি করে। ১২০ টাকার ভাউচার দিয়ে ৪০০০ টাকা নিয়ে নেয়।
৮ টা দলিলের নামজারি করাতে হয়রানির শিকার হয়। অনেক দিন ঘোরার পরেও নামজারি করাতে ব্যর্থ হয়। পরে দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করে টাকা পরিষধ করি।
নায়েব+এসিল্যান্ড: টাকা দিন, কাজ ৫-৭ দিনের মধ্যে হয়ে যাবে, নাহলে ফাইল পরে পচতে থাকবে। বারবার অনলাইন আবেদন প্রত্যাক্ষান করে দেওয়ার পরে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছিলো। আর পাবনা জেলার, ভাংগুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের বর্তমান নায়েব একটা রক্তচোষা পিশাচ, ১০০ টাকার খাজনা(ট্যাক্স) এর জন্য গরীব কৃষকদের থেকে ৫০০-১৫০০ আদায় করে সম্মুখে।
আমার দখলকৃত ১২৯ শতাংশ ভিপি জমি খ তফসিলে রয়েছে, সঠিক কাগজ পত্র দিয়ে আবেদন করেছি, তশিলদার সাহেব বলেছে এ্যাসিল্যান্ড কে না জানিয়ে প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন না,পরে একদিন জানিয়েছে তার ১ লক্ষ এবং এ্যাসিল্যান্ডের ২ লক্ষ মোট ৩ লক্ষ টাকা লাগবে, আমি মোট ২ লক্ষ টাকা দিবো জানিয়েছি বিষয়টি প্রক্রিয়াদিন রয়েছে।
৩ শতক জমি নামজারি করার জন্য ১৬ হাজার টাকা দাবী করে তাহার পিয়ন/সহকারীর মাধ্যমে, অবশেষে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নেওয়া হয়। যার সরকারি মূল্য ১১৭০৳। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের ঘটনা।
জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করিচি, আমার কাচে ৭০০০ হাজার টাকা চাইচে নামজারির জন্য, তাই আমি নাম জারি করি নি।