নামজারি
নলছিটি ভূমি অফিসের তহশিলদার — নিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নলছিটি ভূমি অফিসের তহশিলদার — নিয়েছে
মিউটেশন করে দিবে। াসতে হবে না।
সেবাটি ছিলো ৪ শতাংশ জমির নামজারি সম্পন্ন করতে নাকি ১০ হাজার টাকা লাগবে। অথচ সরকারি ফি হচ্ছে ১১৭০ টাকা মাত্র।
প্রিন্ট করার জন্য চা খাওয়া টাকা নিয়েছে
গত ১৮ই আগস্ট ২৬ ইং তারিখে কুমিল্লা সদর থানাযর, উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিস দহসিলদার এর কাছে নাম জারি করতে গেলে দালালের মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। আরো বলে ঘুষ না দিলে নাম জারি বাতিল হবে।
গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখে কুমিল্লা সদর উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তহসিলদারের কাছে নামজারির করতে গেলে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। ঘুষ না দিলে নামজারি বাতিল হবে।
applied through online for mutation of my apartment thrice already. everytime land office rejected my application whereas other apartment owners of the said building mutated each with Taka 35000 as bribe.
ক তফসিল ভুক্ত জমি অবমুক্ত এর জন্য ডিসি অফিস থেকে এসি ল্যান্ড অফিসে তদন্তের রিপোর্ট চায়,সেখানে সার্ভেয়ার ৫০০০০ টাকা দাবি করেন।রাজৈর,মাদারিপুর।সম্মানিত উপজেলা নির্বাহি অফিসার এর জোড় প্রচেষ্টার ফলে তা গতকাল রিপোর্ট ডিশি অফিসে পাঠানো হয়।তিনি হস্তক্ষেপ না কিরলে আরও বেশি সময় নিত।আল্লাহ পাক ইউ এন ও ম্যাডামকে ভালো রাখুক।
জমির নামখারিজ করানোর জন্য উপরোক্ত টাকা চাচ্ছে।
ওয়ারিশ সবার মধ্যে কয়েকজন দলিল দিয়েছিলো , আইন অনুযায়ী ২০০৮ সালে দিতে পারতো। আর সে দলিল খারিজ এর জন্য বর্তমানে ১০০০০০ চাইছে
জমির অনলাইন করার জন্য গিয়েছিলাম। তখন তারা কি কি যে হিসাব করলো।করে জানালো ২০হাজার টাকার কত লাগবে। তখন তাদের বড় স্যার এর কাছে নিয়ে গেল অন্য একটি কক্ষে। তখন বললো কিছু কমায় দিবে অনেক সময় কথা বলার পর ৮হাজার এ ফাইনাল করলো। অনলাইন ফি পরিশোধ এর কাগজ দিল ২হাজার ৮০০টাকার। বাকি সব টাকা তারা নিজের কাছে রেখেছে পরে বুঝলাম।
আমাদের পারিবারিক একটি জমি বণ্টন করে খারিজ বা রেজিস্ট্রি এগুলা করার জন্য উপজেলা সাব রেজিট্রার অফিস থেকে একজন উক্ত টাকা দাবি করেছিলো পুরো প্রক্রিয়ার জন্য। আমাদের হাতে সময় কম ছিলো আর বিষয়গুলো যেহেতু তারা কোনো টাকা ছাড়া হাতই দেয় না তাই টাকা দিয়ে করিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত কাজটি হয়েছিলো কিন্তু টাকা দেয়া লেগেছিলো।
ঢাকা দক্ষিণ খান ভূমি অফিসে নামজারির জন্য ১২ হাজার টাকা চায় ঐখানের সহকারী। পর অনেক দরদাম করে ১০ হাজার টাকা দিছি। অথচ সরকারি খরচ মাত্র ১১৭০ টাকা। কিন্তু টাকা না দিলে নামজারি নেগেটিভ দেয়। অথচ সকল কাগজপত্র সঠিক। বাধ্য হয়েই দিতে হয়। এখনো নামজারি হাতে পাইনি।
আমার মায়ের নামে নিজস্ব একটা জমি আছে। জমির আমি নামজারি করেছি। যখন আমি খাজনা দিতে গিয়েছি দেখতে পাচ্ছি আমার যে খতিয়ান নাম্বার এসেছে ওই খতিয়ান নাম্বারে আর একজন খাজনা দিয়ে গেছে। অতঃপর আমাকে বলল আপনার যে খতিয়ান নম্বরটি পড়েছে তা ডুপ্লিকেট। এটাকে পরিবর্তন করতে হবে। যখনই পরিবর্তনের জন্য এপ্লাই করি। আমার কাজ হচ্ছিল না। গত দুই বছর যাবত আমি এপ্লাই করে রাখছি এখনো সমাধান পাইনি। অতঃপর নতুন এক ব্যক্তি এখানে দায়িত্বে এসেছে যিনি আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে। আমি রাজি হয়েছি তিন হাজার টাকা অগ্রিম দিয়েছি কাজ শেষ হলে আমি ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করব।
বসুন্ধরার ডি ব্লকের একটি ফ্ল্যাটের নাম জারি করার জন্য ক্যান্টনমেন্ট ভূমি অফিসে আবেদন করি। সেখানে আমার কাছে নামজারি করার জন্য প্রথমে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দাবি করেছিল। তারপরে আমি দিতে অস্বীকার করে অপারগতা প্রকাশ করায় কমিয়ে 1 লাখ 20 হাজার টাকা বলেছে। আমি সেটাও প্রত্যাখ্যান করেছি। আমি এখন পর্যন্ত নামদারি করতে পারিনি
জমির দলিল খুঁজে দিতে ৭০০ টাকা দাবি করে, নান্দাইল ভূমি অফিস। প্রচুর পরিমাণে দালাল দালাল ছাড়া একটি ইট ও কথা বলে না। দয়া করে মুক্তি দিন,
বিভাগ: চট্টগ্রাম, জেলা: চট্টগ্রাম, উপজেলা ভূমি অফিস: কর্ণফুলী, ইউনিয়ন ভূমি অফিস: শিকলবাহা ইউনিয়ন ভূমি অফিস। মৌজা: শিকলবাহা, নামজারি আবেদন নং: 11819210 নামজারি মামলা নং: ৫৯২ আবেদনকারির মোবাইল নং [redacted] উক্ত নামজারি টা করে দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মোসমী বড়ুয়া আমি আবেদনকারীর নিকট হইতে 12000 টাকা ঘুষ নেয়।
জমির খারিজ এর জন্য ভূমি অফিস এ গেলাম। যাওয়ার পর নায়েব বলতাছে আপনি জমিতে জামেলা আছে তাই আপনাকে খারিজ করার জন্য ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগবে। তারপর আমি বাহিরে কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে খারিজ এর জন্য আবেদন করলাম কিন্তু ভুমি অফিস থেকে খারিজ এর অনুমোদন দিচ্ছে না তখন বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ প্রধান করি।
আমাদের বসত ভিটার জায়গাটা গত কয়েক মাস আগে একটা জরিপের পর ৪৫ অযুতাংশ কমিয়ে খতিয়ান ইস্যু করে, বর্তমানে দিয়ারা জরিপ চলছে। সেখানে যাওয়ার পর তারা ডিসপিয়ুট রেজুলেশন ফাইল করতে বলে এবং ১৫০০ টাকা দিতে বলে, যা দিই। এর পর একটা তারিখ দেয়। এ দিন গেলে তারা আরও ২০০ টাকা নেই শুনানির জন্য। এর পর আরেকটা তারিখে আসতে ভলে কিন্তু ঐ দিন সেটেলমেন্ট অফিসার ছিলনা, এবং পরে ফোন করে আসতে বলে। এর পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৮-১০ বার ফোন করার পরও কোন তারিখ দেয়না যাওয়ার জন্য, শুধু বলে পরে ফোন করতে অথবা তারা ফোন করবে।
নওগাঁ সদর হাপানিয়া ভূমি অফিসের লোক ৮ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করছে বলেছে টাকা না দিলে কাজ করব না তারা অনেক ক্ষমতাধর কাজ না করে চলে আসতে হয়েছে আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি আল্লাহ বিচার করবে