নামজারি
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও বিগত ১ বছর ঘুরার পর নামজারি হয়নি বার বার ক্যাসিল হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে নামজারি করানো লেগেছে। যা আমরা নিরুপায়।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও বিগত ১ বছর ঘুরার পর নামজারি হয়নি বার বার ক্যাসিল হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে নামজারি করানো লেগেছে। যা আমরা নিরুপায়।
প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্র নিয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করেছে এবং কেস নিষ্পত্তি না করে ১৫০০০ টাকা চায়
চট্রগ্রামের রাউজান উপজেলায় পৌরসভা এলাকায় আমি বাড়ি করতে চায়, সেখানে বাড়ি করতে পৌরসভার অনুমোদন প্রয়োজন, তারা অনুমোদন দেয়ার জন্য ৫০০০০ টাকা ষুষ চাই
খতিয়ান সংশোধনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা ভূমি অফিসে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে না হলে ফাইল হারিয়ে যাবে অথবা মাসের পর মাস বছরের পর বছর সময় পরও কোন অগ্রগতি দেখা যাবে না শুধু তারিখের পর তারিখ আর কিছুই না কাজের বেলা টাকা টাকা টাকা ছাড়া কোন কাজ নাই নাম জারি করতে গেলেও প্রতি ফাইলে দুই হাজার টাকা খাজনা কাটতে গেলে টাকা না দিলে ৫০ বছরের খাজনা টাকা দিলে দুই চার বছরের খাজনা এই হল অবস্থা
আমাকে আমার নামজারি করা জমি নোটিস না করে নামজারি বাতিল করে দিয়েছিল পরে সহকারী কমিশনার ভূমি আমাকে আসস্থ করে যে তুমি সঠিক বিচার করবেন। তারপর আমি ডিসি অফিসে গিয়ে আবেদন করলে পুনঃরায় রায়টি শুনানির জন্য সহকারী ভূমির কাছে পাঠান। কিন্তু সে বাদী আর বিবাদী কে কখনো একসাথে বসিয়ে কাগজ না দেখে আমাকে ৬ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে আবার আমাকে না ডেকে বিবাদির পক্ষে রায় দেন। পরে যখন আমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কাছে যাই তখন আমাকে বলে তিনি নাকি কাগজ দেখে রায় দিয়েছেন। আমি হাসতে হাসতে চলে আশি। পরে আমি ডিসি অফিস থেকে আইনি নোটিশ পেরন করি।
খিলক্ষেত এসি ল্যান্ড অফিসে আমাদের উত্তরার ফ্ল্যাটের মিউটেশন ইস্যুতে এই টাকা চাওয়া হয় উত্তরাতে মৌজা ঝামেলার কথা বলে।
আমাদের জমির পরিমাণ ভূমি অফিস থেকে ভুল করে ডবল করে দিয়েছে এরপর ওটা দিয়ে খারিজ করেছে। আমরা ওইটা সংশোধনে গেলে আমাদেরকে অনেক পরিমাণ হয়রানি করা হয় বারবার এক একটা ডেট দেয় এবং আমাদের ডাকে প্রত্যেকবার কাগজ পাতি নিয়ে জমা দেওয়ার ক্যান্সেল করে দেয়। এমন করতে করতে প্রায় 5 থেকে 6 বার আমি কাগজ জমা দেই এবং ক্যানসেল করে দেয় ।অবশেষে বাধ্য হয়ে যখন বলি যে কত টাকা হলে কাজ করে দিবেন তখন তারা চার হাজার টাকা দাবি করে ভূমি অফিসের কর্তব্যরত নাজির। এরপর তাকে বিকাশের মাধ্যমে 4000 টাকা পাঠানো হয়। এরপরেও আমার জমি ঠিক করে দেয়া হয়নি পুরো খারিজ বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।
দলিল করার সময়, পর্চায় শুধু বাড়ী উল্লেখ থাকায়, তাও অনাবাসিক ছিলো, যে কারনে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন নাহলে দলিল করবেন না বলেছিলো, এবং সাথে নামের একটা অক্ষর ভুল থাকায় ১৫ হাজার নিয়েছিলেন যদিও একই ব্যাক্তির ওই নামের জন্য চেয়ারম্যান কতৃক প্রত্যয়ন পত্র ছিলো। রাজৈর উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার অফিস যেনো, অনিয়মের কারখানা, সাথে আছেন দলিল করার মহরিরা। সবাই এক সাথে ঘুস খায়, লেনদেন করে দেন মহুরি গুলো। একজনের সাথে তো এমন হয়েছিলো, তার ৫ লক্ষ টাকার দলিলে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ চাচ্ছিলো, আর এভাবে বলতেছিলো যে, " আরে মিয়ে সেদিন ৩ লক্ষ টাকার দলিলে ৩০ হাজার দিছে আর আপনি ৫ লক্ষ টাকার দলিলে দিবেন না!"। যেনো এটা অধিকারে পরিনত হয়েছে
জমির খারিজ করার জন্য, আমার কাছ থেকে নিয়েছে অনলাইনে সমস্যা দেখিয়ে?
বিএস পচায় আমার নামে না হয়ে আরেক জনের নামে হয়ে যায়, কিন্তু আমি কাগজ সম্পর্কে বুঝতে পারতাম না পরবর্তীতে ৪২ ক করি কিন্তু আমার নামে বন্টন নামা রেজিস্ট্রার দলিল, নামজারি খতিয়ান, হালসন পযন্ত দাখিলা রয়েছে, শুনানি কালে অন্য পক্ষকে সহকারি শুনানি অফিসার আমাদের বিএি দলিল দিতে বলেন অন্য পক্ষকে তারা বলে আমাদের বিএি নাই পরবর্তীতে আমাদের কে শুনানি কমকতা প্রস্তাব দেয় আমরা দেই নাই আর অন্য পক্ষ ১৮০০০০+ দিয়ে তাদের নামে বহাল রাখায়
২০ বছর যাবৎ খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে৷ অনলাইনে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে দেখা যায় একই খতিয়ান অন্যজনের নামে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে৷ নামজারী খতিয়ান সংশোধনের জন্য এ পর্যন্ত ২ বছর সময় ঘুরাঘুরি করেও কাজের সমাধান পেলাম না৷ এসি ল্যান্ড ২ জন পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, কিন্তু কাজ হয় না৷ ভুল অফিসের, এখন ভুগছি জনগন৷
রাজউক থেকে লীজ নেওয়া জমি যখন নিজের নামে নামজারী করতে যাই, তখোন এই ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় যে, এভাবে না করলে বছরের পর বছর ধুরলেও নামজারী পাবোনা।
মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছি,৫৭০ টাকা দিয়ে। জমা দেয়ার ১৫/১৬ দিন পর অবস্থান জানতে গেলাম।অনলাইনে সেই যে ৩৩.৩৩% দেখায়,আর বাড়ে না,তাই গেলাম। বল্লো টাকা ছাড়া ফাইল নড়বে না। বললাম এসিল্যান্ড এর সাথে কথা বলবো।সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত কিছু কমিয়ে দিতেই হলো।
আমি আমার সমস্ত লিগ্যাল কাগজপত্র জমা দেই এবং তারা দুইবার রিজেক্ট করে দেয় তৃতীয়বার ওই অফিসার একজন লোকের নাম বলে তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য, আমি তার সাথে যোগাযোগ করি এবং সে ১০০০০ টাকা চায়, তিনি বলে টাকা না দিলে কাজ হবে না, পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই, তারপর আমার কাজটা হয়।
তার দাবি ছিল তার স্যারকে টাকাটা দিতে হবে, সবাই দেয় আপনাকে দিতে হবে। না দিলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।আমার সাথে তো নাই আমি পরে নিয়ে আসব বলে চলে আসছি।
২০১৯ সালে আমি পটিয়া সদর ভূমি অফিসে একখানা মিস মামলা করি, মিস মামলার মূল বিষয়বস্তু হলো বিএস রেকরডিয়াম মালিক —,তিনি মারা যাওয়াই তারও আর এর সূত্রে ৫ কন্যা ৩ পুত্র মালিক হন,পরবর্তীতে তারা তিন পুত্র দুই কন্যা মিলে মিথ্যা ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দেখিয়ে সম্পূর্ণ অংশ বিক্রি করে দেন — গং এর কাছে পরবর্তীতে তা আমার বাবা এবং চাচারা মিলে সম্পূর্ণ অংশ খরিদ করেন এবং নাম জারি করেন,পরবর্তীতে জানতে পারলো আরো তিন কন্যা রয়ে গেছে তারা বাহিরে বিক্রি করতে ইচ্ছুক তাই উক্ত অংশ আমার বাবা খরিদ করেন এবং নামজারের সংশোধন করার জন্য মিস মামলা করি. ভূমি অফিসের বিচারক মহোদয় প্রত্যেকটা নতি যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তর হতে রিপোর্ট দিতে বলেন এমনকি পটিয়া পৌরসভা কর্তৃক নতুন ওয়ারিশান সার্টিফিকেট....
আমি আমার জমির খারিজ করতে গেছি অলরেডি আমি অনেক টাকা খরচ করেছি আনুমানিক ২০ হাজার এখন তারা দাবি করতেছে আরো ২৫ হাজার দিলে খারিজ করে দিবে আমার খারিজ ১/১ এর খারিজ আমি মিসকেস থেকে শুরু করে সব ই করেছি বাট তবুও দাবি করছে
মিউটেশন করতে ঘুষ না দিলে বিভিন্নভাবে ঝামেলা করে এবং হয়রানি করে। তাই সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিয়ে মিউটেশন বা নামজারি করতে হবো তা না হলে কাজ হবেনা।
আমাদের ভূমি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ করেছে, যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ টাকা। কিন্তু সেই টাকা উত্তোলনের জন্য একজন সার্ভেয়ার ৭ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি ওই টাকা দিতে না পারায় এখনো আমার ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলন করতে পারিনি।
ঘুষ না দেওয়ায় কোন কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে ১১৭০ টাকার কাজ ১৫০০০ টাকার বেশি দিয়ে করাতে হয়েছে। ঘুষ দেওয়ার অল্প দিনের মধ্যেই কাজ হয়ে গেছে। কিন্তু এভাবে ঘুষ কি চলতেই থাকবে? কেউ কি থামাবার নেই? ঘুষখোরদের জন্য অভিশাপ ও লানত।