জমি নামজারি বা খারিজ
৩ জনের নামে জমির নামজারি করতে হলে ৩৭ হাজার টাকা লাগবে! তাহলে ৩ দিলেই জমি নামজারি হয়ে যাবে। আর নিজে ১১৭০ টাকা ফিস দিয়ে আবেদন করলে,, সেগুলো ২-৩ মাস পরে কোন কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করে দেয়!
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
৩ জনের নামে জমির নামজারি করতে হলে ৩৭ হাজার টাকা লাগবে! তাহলে ৩ দিলেই জমি নামজারি হয়ে যাবে। আর নিজে ১১৭০ টাকা ফিস দিয়ে আবেদন করলে,, সেগুলো ২-৩ মাস পরে কোন কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করে দেয়!
Utoradhikar sure paoya Bari 4 vai bon ar name kajna o karij korte Jon poti 6000 tk dabi kore noile hobe na nirupay hoye tk diye Kaj ta korte hoyeche.ar parbe jomi niye amon ghush chaichilo ami na deoyay vumi office theke ghure aste hoyese pore 5000 tk diye korechi
নামজারি করার জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ১১৭০/-। সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্তৃক প্রতিবেদন পাঠাচ্ছিলো না। অথচ যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ২৩ দিন হয়ে গেলেও প্রতিবেদন পাঠাচ্ছিলো না! পরে বাধ্য হয়ে দাবিকৃত অর্থ দিয়েছি।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সিটি মিউটেশন এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজ নিয়ে খারিজ এর জন্য গেলে তহসিলদার এর দালাল এই টাকা দাবি করে। তহসিলদার ওই দালান এর সাথে কথা বলতে বলে। এই খারিজ ছাড়া জমির খাজনা দেওয়া যাচ্ছে না।
সব ঠিক ছিলো,,তারপর রেজিষ্ট্রার ঘুস দাবি করে,,ভুগান্তি না পড়তে হয় তাই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি...!
নামজারির আবেদনে দালাল ১৬৫০০/- টাকার বিনিময়ে শুক্রবারেই খতিয়ান রেডি করে দিছে।মানে টাকা দিলে ভূমিসেবা শুক্রবারেও মিলে।
আমি আমার মা" এর নামে রেজিস্ট্রার করা একটি জমির খতিয়ান করতে গিয়েছি। ইউনিয়ন ভূমি অফিস আমার কাছে সে কাজের জন্য ৮,০০০ টাকা চেয়েছে। যদিও সরকারি বিল মাত্র ১১৫০ টাকার মতো।তা আমি প্রত্যাখান করি। ঘটনাটি ২০২২ সালের। ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট এর গণঅভ্যুত্থান এর পরে আমি আবার সে জমি খতিয়ান করতে যাই।তখন আমাকে বলা হয় আমি নিজে করবো, নাকি তাদের হাতে করাবো।আমি নিজে করার সিদ্ধান্ত নেই।আমি সকল কাজ যথা সময়ে শেষ করার পর উপজেলা ভূমি অফিস শেষে আমার সাথে গড়িমসি করে তারা আমাকে সকাল থেকে বিকেল এক রুম থেকে অন্য রুমে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে দৌড়িয়েছে। বিকেল প্রায় ৩ টায় একজন আমাকে ডেকে সকল তথ্য শুনে বলেছে আপনার কাজ কয়েকদিন আগে শেষ হয়েছে।
AC land — and the others staff are coonnected with this birbery.
খতিয়ান ভূমি সেবা পোর্টালে এ্যাড করার জন্য আবেদন করলে আবেদন বারবার বাতিল করে দিচ্ছিলো। এদিকে জমি রেজিস্ট্রির জন্য অনলাইন ভূমি উন্নয়ন করের রশিদ লাগবে তাই দাবিকৃত অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছি। অথচ ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে সরকার নির্দেশনা দিয়েছে ৭২ ঘন্টার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করার জন্য। যেহেতু ৭২ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে কিন্তু প্রথমে দাবিকৃত অর্থ দিচ্ছিলাম না তাই বারবার বাতিল করে দিচ্ছিলো। দাবিকৃত অর্থ দেয়ার পর খতিয়ান অনলাইন করে দেয়।
ভূমি নামজারি এমন একটি হয়রানি এবং বাংলাদেশে সবথেকে বেশি ঘোষের কারকানা। আমাদের কিছু পিতৃক জমি আমার ভাই সহ আমাদের কাকাদের নিয়ে নামজারির আবেদন করলে উনারা লোক দেখিয়ে দেয় অই কম্পিউটারের দোখানে যান কিছু পেপারস লাগবে সেইগুলা উনারে বুজিয়ে দিবে। এভাবে সেভাবে ঘুড়িয়ে একবার আমাদের ১-২ ঘুড়িয়ে কম্পিউটারের দোখান্দারদের দিয়ে আমাদের ঘোষ চাওয়া হয় ৮০হাজার টাকা অনেক দরদাম করে ৫৮হাজার দিয়ে আমাদের কাজটি করানো হয়, এছাড়া আমাদের আর কোন ওয়েছিলনা। আর সরকারি সকল দপ্তরের দালাল ঘুলাই হল অফিসের আসে পাসের দোখান গুলা। আমার দেখা মতে দেশে ভূমিখাত হল ঘুষের সোনার ডিম পাড়া রাজ হাস। ওমান প্রবাসী।
আমার ব্যক্তিগত ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের পরে নাম জারি করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্ম কর্তা অলিখিত একটা কারণ দেখিয়ে টাকা ছাড়া নাম জারি হবে না বলে বাধ্য করা হয়েছে।
কিছুন দিন আগে আমাদের দের শতাংশ জমি দলিল করতে গেলে ৩৮৫০০ টাকা ডিমান্ড করে ভুমি অফিসের করকরতা এত টাকা কিসের লাগে প্রশন করতে বলে স্যারে অনুমোদন ছাড়া ত কিছু হবে তার জন্য লাগবে, পরে বলাম কেনো সরকার কি টাকা দেয় নাহ, অনেক কথা লাস্ট বলেন ৩ মাস পরে আসে কিছু কমে করতে পারবেন স্যার চলে গেলে
১০ টাকার খাজনা ১০০০০ দেখায় ছিল অনলাইনে পরে আমি কমবেশি করে টাকা দিছি?
নামজারি করতে গেলে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
সাবেক দাগে খারিজ খতিয়ান থাকা সত্তেও মালিকানা ও দখল সব ঠিক থাকা সত্তেও বিএস এ ভিপি খ তফসিলে আছে অজুহাতে নামজারি করে দিচ্ছে না। অথচ আইনগতভাবে করতে পারে। তহসিলদারের পক্ষে এক ভূমি অফিসের ডেইলি বেসিস স্টাফ এ টাকা চেয়েছে।
Online a apply korar por dui bar reject kore dise.pore 20 k diye khatian oeyesi
চলমান ঝিলংজা মৌজা কক্সবাজারে ভুমি জরিপ সত্যায়ন স্থরে রেভিনিও অফিসার ভুমি জরিপে কাগজে সমস্যা আছে বলে ৩০০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা দিলে জরিপ করিয়ে দিবে না দিলে করবে না। অন্যজনের নামে খতিয়ান করে দিবে।
I went for my land registration and they took bribery from me.
১২ ই আগস্ট ২০২৬, ডুমুরিয়া রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্টার ফাঁদে ফেলে এই টাকা হাতিয়ে নেন। তাকে সহযোগিতা করে আমার দলিল লেখক প্রশান্ত, তার সহযোগী সহযোগীরা।এছাড়া তারা আমার কাছ থেকে চাঁদা ও নয় দশ হাজার টাকা। বিস্তারিত আমি আরো সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে রাজি আছি
জয়পুরহাট ভূমি অফিসে জমির নামজারি করতে গিয়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ রয়েছে। শুনানির পর কিছু আবেদনকারীর কাছ থেকে পিয়নের মাধ্যমে ২,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে এবং যারা টাকা দেন না বা বিষয়টি জানেন না, তাদের নামজারি না করে দেওয়া হচ্ছে। আবার টাকা দিলে দ্রুত নামজারি করে দেওয়া হচ্ছে।