আদালত কতৃক রায়ের কপি তোলা
রায়ের ডকুমেন্ট তোলা। আদালতের পেস্কার( যে লেখা লেখি করে) সরাসরি টাকা দাবি করে।টাকা হইলে রায়ের কপি পাবেন না হইলে ৫ বছর পর। কোন উপায় না পেয়ে ৭০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রায়ের ডকুমেন্ট তোলা। আদালতের পেস্কার( যে লেখা লেখি করে) সরাসরি টাকা দাবি করে।টাকা হইলে রায়ের কপি পাবেন না হইলে ৫ বছর পর। কোন উপায় না পেয়ে ৭০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
নামজারি করতে দিয়েছি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়, কিন্তু তাদের সিস্টেমের 'লাইন'এ গেলে আর টাকা দিলেই কাজ হয়
Land Tax office online approval process is completely depend on local union land officer. Even you applied online He will be approve after money received from Broker.
আমার ৪ একর জমির ২ বছরের জন্য ডিসিআর নবায়ন করার জন্য যাই গত মাসে এসি ল্যান্ড অফিসে। সেখানে অফিসে কর্মরত কর্মচারী জানান মোট ২২০০০ টাকা খরচ হবে। অথচ সরকারী হিসাবে ৪ একর জমির ২ বছরের ফি আসে ১৬০০০ টাকা। বাকি টাকাটা তাদের নিজেদের পেকেটে যাবে। আমি সেটা গ্রহন করিনি।
আশুগঞ্জ থেকে আখাউড়া চেকপোস্ট পর্যন্ত চারলেন হাইওয়ে রাস্তায় মালিকানাধীন কৃষি জমি রাস্তার ম্যাপের মধ্যে পড়ায় সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা সেই জমির মোয়াবজা অথবা ভর্তুকি আদায় করতে গেলে জেলা ভূমি অফিসের কর্তব্যরত সরকারি চাকরিজীবীরা ঘোষ ছাড়া অর্থ ছাড়ের অনুমতি দেয় নি। পরে বাধ্য হয়ে তাঁদের চাওয়া পূর্ণ করতে হয়েছে এবং ২০০০০০ টাকা ক্যাশ ভূমি অফিসের খাওয়ার রুমে তাদের দিতে হয়েছে।
মানিকগঞ্জ সদরে বর্তমানে ডিজিটাল/GIS ভূমি জরিপ চলছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু জরিপ কর্মকর্তা সাধারণ জমির মালিকদের কাছে ১–৫ লাখ টাকা দাবি করছেন। টাকা না দিলে RS খতিয়ান থাকা সত্ত্বেও ২–৬ শতাংশ পর্যন্ত জমি কম দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন এর জন্যে সাব রেজিস্ট্রার টাকা নিয়েছে
আমি ভুমি খাজনা দিতে গিয়েছি ৪২ শতক যায়গা।কর্তৃপক্ষ বলেছে ২৬ হাজার আসে ৪০% ডিসকাউন্ট দিতে পারবে পড়ে রিকুয়েস্ট করে ৫০% ডিসকাউন্ট ১৩হাজার দিয়েছি আমাকে রিসিভ মানি দিয়েছে ৫২০০ টাকা। অল্প যায়গা রেষ্টারি ছিল তাই বন্দি ছিলাম
আপনার এটা হবে না সমস্যা আছে পরে টাকার বিনিময়ে দপারপা হয়ে।
Jomir kajna diteh gele onk barthi taka dabi kora hoya cilo , tarpor seta komateh parbe bole dabi kre ar bole komanor por barti 5000 taka dabi kre jiggesha krle bole aita naki office koroch ar Audit fakhi dite hole naki oi officer ka kisu dewa lage
নামজারি ঘুষ ছাড়া হয় না। খাজনাসহ সবকিছুতে ঘুষ নেয়।
মাগুরা জেলার অধিকাংশ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে নামজারি, খাজনা এবং অন্যান্য সেবামূলক কাজের জন্য সেবাগ্রহীতার নিকট অর্থ দাবি করে। অর্থ প্রদান না করলে সেবা প্রদান করে না বা অনেক হয়রানি করে।
জমির নকল তুলতে গেছিলাম, অনলাইন বা সব জায়গায় দেখলাম সর্বোচ্চ 1000/1500 /- লাগার কথা, কিন্তু ভূমি অফিসের মোহরী রা 4000/4500 tk পর্যন্ত চায়। অবশেষে 3800 টাকা দিয়ে ১ মাস wait করার পর নকল হতে পেলাম
প্রাথমিক অনুমোদন ১,০০০/- তারপর সার্ভেয়ার ও কানুনগো ৫০০/- + ৫০০/- ফাইনাল আরও ১,০০০/- সর্বনিম্ন ৩,০০০/-
যা হবার তাই হয়েছে, আজকে এই কাগজ লাগবে, কালকে ওই কাগজ লাগবে, পরের তারিখে বিবাদী লাগবে, আরেকটু দেখতে হবে বিষয়টা। তারপরে একজন বললো, কিয়ামত পর্যন্ত ঘুরলেও শেষ হবে না। ৫০ হাজার টাকা দিবেন। এক পয়সাও কম না। কাম চ্যালচ্যালায়া হবে। এবং তাই হইছে।
আমি একটি একটি জমিন কিনেছি। জমিটি পূর্বের মালিকের অনলাইন নামজারি ছিল। অনলাইন খাজনা দিসে। আমি রেজিষ্ট্রেশন এর দিনও অনলাইন খাজনা দেওয়ার পর জমি রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে কিন্তু আমার নামজারি করার সময় ১ লক্ষ টাকা চেয়েছে।
এরা সব সময় টাকা চায় কাজের বিনিময়ে
টাকা দেওয়ার পর হিবা দলিল হইছে।
পুরা টাকায় দিয়েছি।
টাকা প্রদান করেছিলাম ক্যাশে।