17,323 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Pabna sujanagar registere office a amader dolil shob thik chilo shudhu Amar choto vai er death certificate a S er jaygay M chilo overwriting etar jnno registere officer 20,000tk dabi korse bole je ei kagoj legal na pore 15 hazar taka dewa lagse gush dewar pore kivabe legal holo? Unara iccha kore khuje khuje emn kore unar main room a lok jon er theke khali tk nicche r kaz kore dicche
আমি নামজারির জন্য ভূমি অফিসে গেলে আমার আবেদিত খতিয়ানের অনলাইনে জমি কম এন্ট্রি আছে মর্মে আমাকে জানানো হয়। আমাকে বলা হয় ডিসি অফিসের রেকর্ডরুমে যোগাযোগ করার জন্য। আমি অফিস থেকে চলে আসার সময় একজন ব্যক্তি আমাকে বলে সে কাজটি করে দিতে পারবে এবং সে একজন সাংবাদিক হিসেবে আমাকে পরিচয় দেয়। সে বলে টাকা দিলে কোথাও যেতে হবে না, সে নিজেই কাজটি করে দিবে। সে আমাকে একটি আইডি কার্ড দেখায়।
দলিল করার জন্য অতিরিক্ত ঘুষ। সিঙ্গাইর রেজিস্ট্রি অফিস
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে সাব রেজিস্ট্রারকে ঘুষ দিতে হয়েছে।তাছাড়া তিনি কোন জমি রেজিষ্ট্রেশন ফাইলে সাইন করেন না।
সেবাটি ছিল জমির নামজারি। সেবাটি নেওয়ার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে গেলে ওনারা জানায় ১৫০০০ টাকা হলে কাজটা হয়ে যাবে। আমি একজন চাকুরিজীবী তাই ছুটি না থাকায় তাদের অবৈধ চাহিদা পূরণপূর্বক কাজটা করে নেই।
আমার দাদার নাম — ,, যখন আমি ও আমার বাবা জমি রেজিষ্ট্রি করতে যায় তখন আমাদেরকে দাবি করে, 1990 সালে আমাদের বাড়ি কিনা হয় এবং কর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় দাদার রবিন্দ্র তুলে ,, তখন বাসার কেউ বেশি একটা পড়াশোনা বুঝতো না , এই একটু ভুলের কারণে এত টাকা দিতে হয়ে ছে,, এই একটা ঘটনা না আমাদের নিজের জায়গা খাজনা দিতে গিয়েও অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগছে
সেটেলমেন্ট বা জরিপ অফিসে আমার জমির জরিপে নাম ওঠানোর জন্য যাই। আমার জমির সমস্ত কাগজ আপডেট থাকার পরেও আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় 6,00,000 টাকা না দিলে কাজ হবে না। টাকা দেই নাই তাই আমার ৩ কাঠা জমি আমাকে জরিপ দেয় নাই এখনো,
ভূমি অফিসে জমি খারিজ জনিত বিষয়ে আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে ভূমিক কর্মকর্তা।
আমাকে ঘোরানো হয়, কৌশলে টাকা চাওয়া হয়, নায়েব সাহেব তো নিয়েছেন, তার সাথে চৌগাছা ভূমি অফিসের নিচে বসা দুই কর্মচারিও, এনারা ইনিয়ে বিনিয়ে তাদের চা নাস্তা খরচ চায়
আমার বাবার কেনা এক জমি দাতার নাম থেকে আমার বাবার নামে খতিয়ান করিয়েছি, যেটা অনলাইনে এপ্লাই করলেই ১০৩০ টাকা খরচ পড়ে।তারা সেটা অনলাইনে আবেদন করলে অনুমোদন করেনা,অফিসে গিয়েই করতে হয়-এবং এর জন্য মান্দারি ভূমি অফিসে ১৪০০০ টাকা দাবি করা হয়, আমরা ১২০০০ টাকা পরিশোধ করি
নামজারি আবেদন করলেই তশিলদারকে রিপোর্টের জন্য ২০০০ টাকা দিতে হবে প্রতি আবেদনের জন্য দুই হাজার
নতুন জমির নামজারি করার পরে বালাম বইয়ের নাম তোলার জন্য গেলাম এবং পরে দাখিলা কাটার জন্য অনলাইন এর মাধ্যমে এপ্লাই করেও এপ্রোভ করতে,বালাম বা রেজিস্ট্রারে নাম তোলার জন্য দুই হাজার টাকার দাবি করছে। ৪শতক জমির ৫০টাকার দাখিলার জন্যে পরে বাধ্য হয়ে আরো ২০০০ টাকা দিয়ে দাখিলা আনতে বাধ্য হয়।জায়গাটা ছিল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার,টিসি হাটের ভূমি অফিস।
আমি অনলাইনে নামজারি আবেদন করি সেখানে আমার আবেদন খারিজ করে দেয়া হয় পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে নানান সমস্যা দেখায় , তারপর একটা পর্যায় টাকা বিনিময় করতে হয় ,এ ছাড়া কোনো সামান্য প্রয়োজন সেবা নিতে ৫০০ , ১০০০ টাকা দিতে হয়।
সদরে যতগুলা লোক নামজারি কাজ করে তারা সবাই তার হাতে নাকি দরা আগে ৫ হাজর এর মধ্যে হতো এখন ৮ ছাড়া হয় না । এই ৩ হাজার নাকি তার, বাকি 5000 টাকা মধ্য় ভাগ পায় ইউনিয়ন ভুমি অফিস , এসিলেন্ড অফিস এর কানুগো ,আর একজন আছে তার পোস্ট জাননি না , আর বাকি টাকা নেয়ে যে লোক আবেদন করে সেও দালাল জড়িত ।
খসরা খতিয়ান করে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হয়রানি
আমি নাম জারি জন্য অনলাইনে আবেদন করি তা বাতিল করে দেয় পরে আমি দালাল দিয়ে করি ৬০০০/- টাকা হয়ে যায়
জমি খারিজ করতে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না, কাগজ পত্র যতো ঠিক থাকুক, তারা প্রবলেম বের করবেই বা তা না হলে টালবাহানা করবে। ঘুষ থেকে মুক্তির উপায় নেই কি? বাংলায় কথা বলে ঘুষ খাওয়ার সুযোগ আছে কিন্তু ঘুষ খায় না এমন লোক পেলে সালাম দিতাম।
সেটেলমেন্ট বা জরিপ অফিসে আমার জমির জরিপে নাম ওঠানোর জন্য যাই। আমার জমির সমস্ত কাগজ আপডেট থাকার পরেও আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় ৫০,০০০ টাকা না দিলে কাজ হবে না। তাই আমি বাধ্য হয়ে ৫০,০০০ টাকা দিই।
অনলাইনে খাজনা দেওয়ার জন্যে নম্বর অন্যের দেওয়া ছিলো । এই নাম্বার পরিবর্তন ও খাজনা বাবদ ২০০০ টাকা নেয় । যার মধ্যে খাজনা এবং খরচ ছিলো মাত্র ৮০০ টাকা।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার একজন অফিস সহকারী আমার নামজরি বাবদ ৩০০০ টাকা দাবি করে অতিরিক্ত। না দিতে চাইলে ঘুরাতে থাকে এবং বলে যে বর্তমান এসি লেন টাকা ছাড়া কাজ করেন না। পরবর্তীতে তার দাবি করা তিন হাজার টাকা পরিশোধ করলে নামজারি করে দেওয়া হয়। ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।