করণীক ভুল সংশোধন
আমার জায়গার করণীক ভুল সংশোধন এ টাকা চাওয়া হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জায়গার করণীক ভুল সংশোধন এ টাকা চাওয়া হয়।
babar jomi namjari korte gesi, prothome onk help korse kivabe apply korte hobe shob dekhae dise, pore jedin applicitaion niye gesi oidin 12000 tk sara kaj hobena , ulta krishi jomi bannijik hisabe tax nisse, jor kore ko tofsil vukto kore tk nise.
We asked for a registry paper. With proper information and documents. But still they asked for money.
যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করি ২০ বছর সেই মামলা করেছে যে সে জমি বিক্রি করেনি, মামলা শুনানির কোনো তারিখে সে হাজির হয়নি(৫বার শুননির তারিখ হয়) পরে ঐ অফিসের নাজির বলে ৫০হাজার টাকা দেন মামলা নিষ্পত্তি করে দেই ।
খতিয়ান তুলতে গেলে ২০০ টাকার কমে তারা নেয় না মানবে তো এটা ২০০০ টাকা পর্যন্ত হয়
০.৩৬ পয়েন্ট জমির নাম জারি করতে ভূমি অফিসে সকল কাগজপএ ঠিকঠাক জমা দিলেও নাম জারি বাতিল করে দেয় পরে আমার থেকে ওরা টাকা দাবি করে পরে আমি ঐ টাকা পরিশোধ করলে আমার নাম জারি সফল হয়।
আমার বাবা মারা যায় ৩০শে এপ্রিল’২০১৫ সালে এবং মা মারা যায় ২৩শে ডিসেম্বর’২০২১ সালে । আমি অনলাইনে যখন আমার আইডিতে আমার বাবা ও মায়ের নাম নওগাঁ শহরে যে জমি আছে ।তার আমার আইডিতে অন্তরভূক্ত করার জন্য আবেদন করি ।তখন আবেদন বাতিল হয়। আমার ছোট ভাইকে নওগাঁ শহরের কালিতলা ভূমি অফিসে পাঠালে তার বলে আপনাদের জমি ১ নং বই অন্তভূক্ত। খাজনা দিতে পারবেন না। তখন আমার ছোট ভাই আর বন্ধু এর মাধ্যমে ৩৫,০০০/- টাকা কাজটি করে দেয়।
সেবাটি পেতে ইউনিয়ন ও উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হয়েছে
যেকোনো ডকুমেন্ট চাইলে টাকা দিতে হয়—৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।
ভুমি অফিস কর্মকতা আমার জায়গা নামজারি সংশোধন জন্য ২৫০০০ টাকা দাবি করে আমি পর্যাপ্ত পরিমাণে ডকুমেন্টস দেই। তার পর টাকা না দেওয়ায় ১ বছর তালবাহানা করে। পরে আমি নিরুপায় হয়ে ২৫০০০ টাকা দেই। ফলে ৭ দিনে এ সংশোধন রায় এর কপি দিয়ে দেয়।
আমার জমিতে কতটুকু অংশ বাকি আছে তা জানতে সুভাঢ্যা অফিস, দক্ষিন কেরানিগঞ্জ সার্কেলে গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্যে, খতিয়ান থেকে ১২ টা দাগ দেখতে ও মিসকেস নাম্বার লিখে দিতে প্রতি দাগের হিসাব ২০০ ধরে ২ জায়গায় ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে ৩ স্টাফ কে। আর এইটা ওখানকার সাভাবিক অবস্থা সবার সামনেই নিচ্ছে আর সবাই ও বাধ্য হয়ে দিচ্ছে না দিতে চাইলে কাজ করে না বলে পাতা খুজে পাই না ছিড়তে গেছে আর করে দিলেও সাথে সাথে টাকা চায়। টাকার পরিমান অনিদির্ষ্ট কিন্তু ২০০ এর কমে দিলে নেয় না।
আমি জমি নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে যাই দেবিদ্বার পদ্মকোট ভূমি অফিসে। সেখানে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, যেখানে শুধুমাত্র বারোশো টাকা গভমেন্ট জমি নাম জারি করা বাবদ সেখানে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে এবং বলে এক টাকা কম দিলেও করা হবে না। তখন আমি ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে রাজি হই তারপর আমার কাজটা সম্পন্ন করে দেয়া হয়।
জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা দীর্ঘ ৫০ (পঞ্চাশ) বছরেরও অধিক সময় ধরে উক্ত লিজকৃত বাড়ির জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি। দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা নিয়মিতভাবে সরকারি খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে আসছি এবং উক্ত জমির দখল ও ভোগ আমাদেরই রয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বিগত প্রায় ১৫–২০ বছরের খাজনা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করছেন না। গত ২–৩ বছর ধরে আমরা খাজনা পরিশোধের জন্য বারবার ভূমি অফিসে যোগাযোগ ও ঘোরাঘুরি করলেও কোনোভাবেই আমাদের কাছ থেকে খাজনার টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে না। ফলে আমরা বৈধভাবে খাজনা পরিশোধ করতে চাইলেও তা পরিশোধ করতে পারছি না। আমাদের আশঙ্কা, কতিপয় অসাধু ব্যক্তি অনৈতিক সুবিধা/ঘুষের বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে থাকা ও লিজকৃত জমিটি অন্যকে দিয়ে দিতে চায়।
নাম জারি আবেদন করলে সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে অডিট করতে আসেন সেই অডিটর কে কিছু দিতে হবে, না দিলে পাঁচ ছয় মাস দেরি করা হবে।
বিএস খতিয়ানে নাম ভুল উঠেছিল। এসি ল্যান্ডের কাছে গেলে জানালেন এটা এখানে হবেনা। নামের বিষয় আদালত থেকে সুরাহা করে আসতে হবে। উকিলের সাথে পরামর্শ করলে জানালো এটার রায় হতে ২ থেকে চার বছর সময় লাগবে। অথচ ১০/১৫ দিনের ভিতর কাজটা নাহলে আমার বিরাট সমস্যা হয়ে যায়। আবার এক দালালের মাধ্যমে এসিল্যান্ড অফিসে আসি। শেষে ২৫ হাজার টাকা দিলে এসিল্যান্ড কাজটি করে দেয়।
অনেকদিন জমির খাজনা দেওয়া যাচ্ছে না কারণ জমির রেকর্ড ফেল, অর্থাৎ পূর্বের মালিকের নামে জমি রেকর্ড হয়ে গেছে। এখন ধানমন্ডি ভূমি অফিস থেকে অফিসার বললেন এটা সম্ভব না, পরবর্তীতে তিনি বললেন কাটা লাইনে সম্ভব তবে অনেক যায়গায় টাকা দিয়ে ম্যানেজ করা যেতে পারে ৮০'০০০.০০ টাকা লাগবে, পরবর্তীতে তিনি ৭০'০০০.০০ টাকার বিনিময়ে নামজারি সংশোধন করে দেন এবং খাজনা দেওয়া সম্ভব হয়।
বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের ক্রয়করা ১১ শতক জমির নামজারী বছর দেড় এক সময় আটকিয়ে রাখা হয়। এসিল্যান্ড তহশীলদারের মাধ্যমে জনপ্রতি্ (আমরা ১৮জন) ৫০,০০০/- দাবি করেছিলো। আমার পরিচয় ( গোয়েন্দা কর্মকর্তা) পাওয়াতে আমাদের জনপ্রতি ২০,০০০/- কম নেয়। তহশিলদার ক্যাশ ৫,৪০,০০০/- গ্রহন করে। ৮২ জনের আর একটা জমি নামজারী করতে ৪১,০০,০০০/- আদায় করেছিল।
মূলত আমাদের বাড়ি ও তার আশে পাশের কিছুর জমির কাগজপত্র সমস্যা ছিল।সেগুলো সব ঠিক করে তারপর অনলাইন করে খাজনা দেয়ার পর আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পাঠানো সরকারি খাতায় নাম উঠানো নাকি নামজারি বলে হয়তো তা করার জন্য কিন্তু প্রত্যেকটার জন্য ১০০ করে টোটাল ৫০০ টাকা নিছে।আমি জানতাম না যে এগুলোর জন্য টাকা লাগে না।তাহলে তখন প্রতিবাদ করতাম।কিন্তু পরবর্তীতে যখন অন্য ইউনিয়নের আরেকটা ভূমি অফিসে গিয়ে একটা কাজ করাই।তার পর টাকা দেই তখন তিনি নেননি।বলেন এটার জন্য কোন টাকা লাগে না।তখন আমি বুঝতে পারি আগের লোক অথ্যৎ আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসের লোক ঘুষ নিয়ছে।
আমার সব কাগজ ঠিক থাকা সত্ত্বেও নয় ছয় বুঝিয়ে ঘুষ নিছে, তা মহিলা মানুষ,ঘুষ খোর দের চাকরি চ্যুত করা হোক
জমি খারিজ করার জন্য আমার সবকিছুই ঠিক আছে অনলাইন আবেদন করতে বলেছে অনলাইন আবেদনও করেছি কিন্তু উনি নানান রকম তালবাহানা করে বলে যে দলিল লেখক মাধ্যমে আসছে দলিল লেখক আমার কাছে আট হাজার টাকা দাবি করে