খতিয়ান করতে
একটি খতিয়ান করে দিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি খতিয়ান করে দিয়েছে।
জরুরী ভিত্তিতে একটি ১৫ শতাংশ জমির নামজারি করার প্রয়োজন হয়। এমতাবস্থায় ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ মোটা অংকের টাকা দাবি করে অন্যথায় নামজারি করার জন্য লম্বা সময় ধরিয়ে দেয়। জরুরী অবস্থার বিবেচনায় সর্বমোট ২৭,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
একটা জমির পুরনো নামজারী মামলার নথি দরকার ছিল। প্রথমে সব সরকারি নীতি মোতাবেক আগালে এক সপ্তাহেও পাওয়া যাচ্ছিলনা। পরে একজন পিয়ন জানায় সে কাজটা করে দিবে স্যারের জন্য চা পানি সহ দুই থেকে ২৫০০ টাকা খরচ দিতে হবে!
আমাদের একটি জমির ওপর মিস কেইস করা হলে আমরা আমাদের পক্ষে রায় পাই প্রায় ১৫ দিন আগে। সেই রায়ের কপিতে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর দরকার। তারজন্য আমাদের কাছে এখন এই টাকা চাচ্ছে সেখানকার সার্ভেয়ার।
আমি SA CS RS BS/CITY SURVEY উঠাতে যাই.. আমাকে প্রথমে বলে ৪৫০০ টাকা লাগবে.. কারণ একগুলো করাতে লোকদের টাকা দিতে হবে.. আমি তাকে দলিলের ফটোকপি দি.. এবং দলিলের সাথে খতিয়ানও দি.. কিন্ত সে বলে প্রেন্টগ্রাফ লাগবে.. এর জন্য ৫০৮০ টাকা দিবেন.. এটা ছাড়া খতিয়ান দেয়া যাবে নাহ... পরে বলি কাজ হওয়ার পর দি , বলে নাহ... এখন.. কোথায় যাব আমরা দালাল ছাড়া করাতে গেলাম.. দেখলাম ভিতরেরই তারা নিজেরাই দালাল
নামজারির জন্য টাকা লাগে ১১৫০ তারা চাচ্ছে ১৫০০০ টাকা আমি না বলে দিয়েছি
জমি আমার বাবার নামে ছিল।আমি নামজারি করতে গেলে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়।পরে টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।বিকাশে আমার প্রুফ আছে
যে কোনো মানুষ ভূমি অফিসে গেলে নায়েবের কাছে একটা সোজা দলিল নিয়ে গেলে নায়েব ৫০০০ টাকার নিচে কাজ হাতে নেয়না। এবং কি অত্র মাহমুদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলাঃ মেলান্দহ, জেলাঃ জামালপুর। এ অত্র ভূমি অফিসে ১০ থেকে ১৫জনের বেশি দালাল দাড়াইয়া থাকে তারা মানুষকে হয়রানির শিকার করে এবং ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে একটা খারিজের জন্য। সেই দালালের সাথে নায়েবের অনেক ঘনিষ্ট সম্পর্ক এসব কেন থাকবে। আর যে পিয়ন সেও ঘোষখোর সে হোল্ডিংয়ে জমি এন্ট্রি করতে জন প্রতি ১০০ টাকা করে নেয়। এবং দালালদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। দালালগণ (১) মাহমুদপুর কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা
আমার পিতার জমি তার নামে নামজারি করার জন্য গেলে তারা (ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা) সরকারি ফি থেকে অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য করে, টাকা না দিলে নামজারি হবে না। আর যদি অনলাইনে সরাসরি আবেদন করা হয় বিভিন্ন বাহানায় মাসের পর মাস ঘোরাতে থাকে সমস্ত ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরেও।
টাকা ছাড়া নামজারি করে দিবে না বাধ্য হয়ে 5000 টাকা দিয়েছি।
আমি অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার আবেদন করেছি! আবেদন সমন্বয় করতে আমার কাছে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে! আমি এটা প্রত্যাখ্যান করে আমি সমন্বয় না করে চলে আসছি! পরবর্তীতে দেখি আমি তাদের দাবি না মানায় অনলাইন আবেদন বাতিল করে দিয়েছে! ঠিকানা লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম!
I needed two BRS records from the Savar Settlement Office. A "Dalal" originally asked for 3,000 TK each, but after bargaining, I got both records for a total of 1,500 TK
আমার জমি খাজনা আসছে অনলাইনে ৬০০০, কিন্তু আগে আমি খাজনা দিসি তবে রশিদ হারিয়ে গেছে, তাদের বললাম রশিদ এর এন্টি খুজে দেখতে তারা বলে নাই, সময় লাগবে খুজতে সব তাখে না, তাই ৬০০০ দিতে হবে অনলাইনে, তারা বলে পিছনে সাইডে আসেন একজন বললেন কমিয়ে দিব ৪০০০ দিবেন, পরে আর কোনো রাস্তা না পেয়ে ৪০০০ দিলাম, পরে দেখি একটা অনলাইন খাজনা রশিদ দিল সেখানে জমা ১১০০ আমি অবাক হয়ে চলে আসছি, এর মানে তাদের কাছে আগের রশিদ ছিল ইচ্ছে করে খুজে দেয় নাই, এটা বুল্লা ভুমি অফিস, লাখাই, হবিগঞ্জ জেলা
Ghush khawar jnyo RS Khatian vukto Naamjaarikrito Bekti malikanadhin jomi k Shorkari Khash jomi dekhano hoy jar fole khajna dawa jacchilo na. Purbo borti CS, SA, o RS shob khaane bekti malikana thik chilo, ebong khajna porishodh er kagoj o chilo. Kintu amader voy dekhano hoy taka na dile RS khatian baatil kora hobe ebong jomi shontrashi ra vog korbe
জুলাই ২০২৬ মাসে জমি বিক্রি করার আগে অনলাইন খাজনা পরিশোধ করা যাচ্ছিল না। তার প্রেক্ষিতে দশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ৩৬ টাকা খাজনা পরিশোধ করা হয়। দুপ্তরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস, আড়াই হাজার, নারায়ণগঞ্জ।।
বাবা মারা যাওয়ায় পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে জমি নামজারি করতে যাই। কিন্তু ভূমি অফিস থেকে সঠিক তথ্য না দিয়ে হয়রানি করে। অনলাইন এ নামজারি করলেও, কোনও না কোনও অজুহাত এবং ভুল বলে নামজারি ঝুলিয়ে রাখে। পরে অফিস এর আসে পাশে কম্পিউটার দোকানে গিয়ে বললে তারা দাবিকৃত অর্থ দিয়ে ধ্রুত কাজ করিয়ে নিতে পারবো আশা দেয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত অর্থ দিয়েই কাজ সম্পন্ন করি।
সেটেলমেন্ট বা জরিপ অফিসে আমার জমির জরিপে নাম ওঠানোর জন্য যাই। আমার জমির সমস্ত কাগজ আপডেট থাকার পরেও আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় 6,00,000 টাকা না দিলে কাজ হবে না। টাকা দেই নাই তাই আমার ৩ কাঠা জমি আমাকে জরিপ দেয় নাই এখনো,
আমার দাদার নাম — ,, যখন আমি ও আমার বাবা জমি রেজিষ্ট্রি করতে যায় তখন আমাদেরকে দাবি করে, 1990 সালে আমাদের বাড়ি কিনা হয় এবং কর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় দাদার রবিন্দ্র তুলে ,, তখন বাসার কেউ বেশি একটা পড়াশোনা বুঝতো না , এই একটু ভুলের কারণে এত টাকা দিতে হয়ে ছে,, এই একটা ঘটনা না আমাদের নিজের জায়গা খাজনা দিতে গিয়েও অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগছে
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে সাব রেজিস্ট্রারকে ঘুষ দিতে হয়েছে।তাছাড়া তিনি কোন জমি রেজিষ্ট্রেশন ফাইলে সাইন করেন না।
দলিল করার জন্য অতিরিক্ত ঘুষ। সিঙ্গাইর রেজিস্ট্রি অফিস