সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৪,০০৯ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ভূমি অফিস

জরিপে নাম অন্তর্ভুক্তি

সেটেলমেন্ট বা জরিপ অফিসে আমার জমির জরিপে নাম ওঠানোর জন্য যাই। আমার জমির সমস্ত কাগজ আপডেট থাকার পরেও আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় 6,00,000 টাকা না দিলে কাজ হবে না। টাকা দেই নাই তাই আমার ৩ কাঠা জমি আমাকে জরিপ দেয় নাই এখনো,

শুধু দাবি করেছে
খোলামোড়া আটি মৌজা , ৳৬.০০ লাখ
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নাম সঠিক

আমার দাদার নাম — ,, যখন আমি ও আমার বাবা জমি রেজিষ্ট্রি করতে যায় তখন আমাদেরকে দাবি করে, 1990 সালে আমাদের বাড়ি কিনা হয় এবং কর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় দাদার রবিন্দ্র তুলে ,, তখন বাসার কেউ বেশি একটা পড়াশোনা বুঝতো না , এই একটু ভুলের কারণে এত টাকা দিতে হয়ে ছে,, এই একটা ঘটনা না আমাদের নিজের জায়গা খাজনা দিতে গিয়েও অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগছে

ঘুষ দিয়েছি
ব্রাহ্মণ্যবাড়িয়া ৳৩৪.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নাম জারি

সদরে যতগুলা লোক নামজারি কাজ করে তারা সবাই তার হাতে নাকি দরা আগে ৫ হাজর এর মধ্যে হতো এখন ৮ ছাড়া হয় না । এই ৩ হাজার নাকি তার, বাকি 5000 টাকা মধ্য় ভাগ পায় ইউনিয়ন ভুমি অফিস , এসিলেন্ড অফিস এর কানুগো ,আর একজন আছে তার পোস্ট জাননি না , আর বাকি টাকা নেয়ে যে লোক আবেদন করে সেও দালাল জড়িত ।

ঘুষ দিয়েছি
ব্রাহ্মণ পাড়া ৳৮.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারী

আমি অনলাইনে নামজারি আবেদন করি সেখানে আমার আবেদন খারিজ করে দেয়া হয় পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে নানান সমস্যা দেখায় , তারপর একটা পর্যায় টাকা বিনিময় করতে হয় ,এ ছাড়া কোনো সামান্য প্রয়োজন সেবা নিতে ৫০০ , ১০০০ টাকা দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳৬.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

শুল্কের দাখিলা কাটতে

নতুন জমির নামজারি করার পরে বালাম বইয়ের নাম তোলার জন্য গেলাম এবং পরে দাখিলা কাটার জন্য অনলাইন এর মাধ্যমে এপ্লাই করেও এপ্রোভ করতে,বালাম বা রেজিস্ট্রারে নাম তোলার জন্য দুই হাজার টাকার দাবি করছে। ৪শতক জমির ৫০টাকার দাখিলার জন্যে পরে বাধ্য হয়ে আরো ২০০০ টাকা দিয়ে দাখিলা আনতে বাধ্য হয়।জায়গাটা ছিল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার,টিসি হাটের ভূমি অফিস।

ঘুষ দিয়েছি
রাঙ্গুনিয়া,চট্টগ্রাম ৳২.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি

আমার বাবার কেনা এক জমি দাতার নাম থেকে আমার বাবার নামে খতিয়ান করিয়েছি, যেটা অনলাইনে এপ্লাই করলেই ১০৩০ টাকা খরচ পড়ে।তারা সেটা অনলাইনে আবেদন করলে অনুমোদন করেনা,অফিসে গিয়েই করতে হয়-এবং এর জন্য মান্দারি ভূমি অফিসে ১৪০০০ টাকা দাবি করা হয়, আমরা ১২০০০ টাকা পরিশোধ করি

ঘুষ দিয়েছি
লক্ষীপুর ৳১২.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমি নামজারি এবং মিসকেস

আমাকে ঘোরানো হয়, কৌশলে টাকা চাওয়া হয়, নায়েব সাহেব তো নিয়েছেন, তার সাথে চৌগাছা ভূমি অফিসের নিচে বসা দুই কর্মচারিও, এনারা ইনিয়ে বিনিয়ে তাদের চা নাস্তা খরচ চায়

ঘুষ দিয়েছি
চৌগাছা, যশোর ৳৬.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ভূমি সেবা

ভূমি অফিসে জমি খারিজ জনিত বিষয়ে আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে ভূমিক কর্মকর্তা।

ঘুষ দিয়েছি
জেলা: জামালপুর, থানা: সরিষাবাড়ি, পোগলদিঘা ইউনিয়ন ৳৩০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমি খারিজ

জমি খারিজ করতে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না, কাগজ পত্র যতো ঠিক থাকুক, তারা প্রবলেম বের করবেই বা তা না হলে টালবাহানা করবে। ঘুষ থেকে মুক্তির উপায় নেই কি? বাংলায় কথা বলে ঘুষ খাওয়ার সুযোগ আছে কিন্তু ঘুষ খায় না এমন লোক পেলে সালাম দিতাম।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳১০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জরিপে নাম অন্তর্ভুক্তি

সেটেলমেন্ট বা জরিপ অফিসে আমার জমির জরিপে নাম ওঠানোর জন্য যাই। আমার জমির সমস্ত কাগজ আপডেট থাকার পরেও আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় ৫০,০০০ টাকা না দিলে কাজ হবে না। তাই আমি বাধ্য হয়ে ৫০,০০০ টাকা দিই।

ঘুষ দিয়েছি
কেরানিগঞ্জ ৳৫০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি আবেদন

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার একজন অফিস সহকারী আমার নামজরি বাবদ ৩০০০ টাকা দাবি করে অতিরিক্ত। না দিতে চাইলে ঘুরাতে থাকে এবং বলে যে বর্তমান এসি লেন টাকা ছাড়া কাজ করেন না। পরবর্তীতে তার দাবি করা তিন হাজার টাকা পরিশোধ করলে নামজারি করে দেওয়া হয়। ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা ৳৩.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমি খারিজ

উক্ত ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অকাল্পনিক হারে ঘুষ বাণিজ্য চোলছে। আমার কাছে 3000 টাকা দাবি করা হয় পরে 2500 টাকা নিয়ে আমার কাজ টা কোরে দেই, এখানে ঘুষ ছারা কোন কাজ হয় না। আমার ইমারজেন্সির কারনে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়। এখানে গরিব মানুষদের শেষ কোরে দেওয়া হচ্ছে।

ঘুষ দিয়েছি
ইউনিয়ন: ডি.বি গ্রাম, থানা: চাটমোহর, জেলা: পাবনা, ৳২.৫ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

খাজনা

অনলাইনে খাজনা দেওয়ার জন্যে নম্বর অন্যের দেওয়া ছিলো । এই নাম্বার পরিবর্তন ও খাজনা বাবদ ২০০০ টাকা নেয় । যার মধ্যে খাজনা এবং খরচ ছিলো মাত্র ৮০০ টাকা।

ঘুষ দিয়েছি
নরসিংদী সদর ৳২.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ভূমি নামজারি,নাম খারিজ

প্রাগপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার নামজারি,নাম খারিজ করতে ঘুস চেয়েছে।কাজ না করে প্রতিনিয়ন মানুষকে হয়রানি করছে। টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না।সরকারের কাছে প্রতিকার চায়।এই ঘুসখোর তহশিলদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় এবং জনগনকে হয়রানি করে অর্জিত তার অঢেল সম্পদের হিসাব নেওয়ার জন্য সরকারের নিকট বিনীত প্রার্থনা করছি।

ঘুষ দিইনি
কুষ্টিয়া ৳৫.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারির করার জন্য

আমি একজন দুবাই প্রবাসী । বাংলাদেশের ভুমি অফিসগুলো দুর্নীতিতে ভরপুর । কয়টার কথা বলবো জানি না প্রায় প্রতিটা কাজের জন্য টাকা ছাড়া কোন রকম কাজ হয়না অথবা জমিরেজিষ্টিরি হয় না। আমি যেহেতু একজন প্রবাসী তাই সময় কম থাকে ।সেজন্য অহেতুক ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য টাকা দিতে হয়। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে গিয়ে ইচ্ছা ছিলো টাকা ছাড়া লাইসেন্স নিবো শুধু সরকারি ফি জমা দিবো কিন্তু প্রায় দুই বছর ঘুরেছি কিন্তু লাইসেন্স পাইনি । তারপর বাধ্য হয়েই ১২০০০ টাকা দিয়ে একদিনে লাইসেন্স পাই । বলে রাখি আমার কাছে দুবাইয়ের প্রায় ২০ বছর আগের লাইসেন্স আছে । তারপর ঐ সময় আমার কাছে international license ছিলো । আমি একজন দক্ষ ড্রাইভার । দুবাইতে ব‍্যবসা করি। বাংলাদেশে এমন কোন দপ্তর নাই যেখানে দুর্নীতি নাই ।আমি আমার দেশকে ভালোবাসি

ঘুষ দিয়েছি
মহেশপুর, ঝিনাইদহ ৳২০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য