নামজারি করার জন্য
নামজারি করার জন্য অতিরিক্ত টাকা চেয়েছিল আমার কাছে। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ার কারণে তারা আমাকে প্রায় এক বছর ঘুরাইয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করার জন্য অতিরিক্ত টাকা চেয়েছিল আমার কাছে। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ার কারণে তারা আমাকে প্রায় এক বছর ঘুরাইয়েছে।
There is a BDS survey running on Aminbazar. I have a land there. I had to file a case to get the name transfer process from the previous owner. To write the verdict, I had to pay 9000 to them. Paid To: — Designation: Clerk (not sure) Room No: 5 Land Settlement Office, Alamnagar, Hemayetpur
নামজারি করাতে গেলে নায়েব অফিস থেকে শুরু করে এসি ল্যান্ড অফিসে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে এ ভুল সে ভুল বলে কেস খারিজ করে দেয়।
জমি খারিজ এর জন্য ঘুষ চাইছিলো দালালে
৩য় ব্যক্তি দ্বারা নিয়েছে। আর নিজে সরাসরি করতে গেলে বলে অনেক ভুল আছে এটা করা যাবে না এখন। ওগুলো ঠিক করে আনেন, জিডি করেন। ভোটার সংশোধন করেন, নানান বাহানা।
আমাদের নাম একটি জমির সিএস, এসএ, আরএস, সিটি , নামজারী পর্চা ও আপডেট খাজনা এবং সরোজমিনে দখল থাকা স্বত্বেও দেখাচ্ছে সর্বশেষ জরিপের কাগজের দাগের সাথে ম্যাপের দাগের মিল নাই এমন পরিস্থিতিতে বিডিএস পর্চা নিতে হলে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে না হলে তারা পর্চা দিবেন।
এটি ২০২৩ সালের একটি ঘটনা আমি নতুন জমি কেনার পর নামজারি করতে গেলে আমার জমির কাগজ সবকিছু ঠিক থাকার পরও মুড়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি কর্মকর্তা আমার থেকে নামজারি বাবদ ৩০০০ টাকা দাবি করে আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে বলে নামজারী হবে না আমার, এটা তার রেট এটার কমে সে ফাইল রিলিজ করবেনা, পরবর্তীতে তাকে আমি টাকা পরিশোধ করি এবং সে আমার ফাইলটি ওকে করে দেয়।
পোস্ট বদরতলা, থানা আশাশুনি,জেলা সাতক্ষীরা...... বদরতলা ভুমি অফিসে আমাদের পরিবারের নামজারি করতে ২০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়,, আমি নিজের নামজারি নিজে করতে গেলে এসি ল্যান্ড অফিস থেকে ফেরত পাঠানো হয় বলা হয় ভুমি অফিসের মাদ্ধমে করাতে,, ভুমি অফিসে তাদের ২০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিলে আমার নামজারি সম্পন্ন হয়
জমি রেকর্ড এ খতিয়ান খোলার জন্য আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। না দেওয়ায় আমাকে খতিয়ান খুলে দিচ্ছিলো না। এরপর রিকোয়েস্ট করে ৭০৫০০ টাকা দেওয়ার পর ২২ টা খতিয়ান খুলে দিছে। এখনও বাকী গুলো দেয়না। এ টাকা সম্পূর্ণ অফিসার ঘুষ হিসেবে নিয়েছে!
গাজীপুর ২ নং ওয়ার্ডে বিডিএস জরিপ চলছে। এখানে জরিপের নামে ভুমি মালিকদের থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হচ্ছে। জরিপে ইচ্ছেকৃত ভুল করে টাকা দাবি করা হচ্ছে। প্রতিটি দলিলের বিপরীতে ১০ / ২০ থেকে শুরু করে জমির পরিমান অনুযায়ী ঘুষ দাবি করা হচ্ছে। না দিলে রেকোর্ডে ভুল তথ্য দিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার কারন জানতে চাইলে তারা বলেছে আমরা একা খাইনা। আমাদের উপরের স্যার। স্থানীয় সরকার দলিও লোক পুলিশ এবং সাংবাদিক সবাই মিলেই খাইস আমি নিজ চোখে বিজয় টিভির সাংবাদিক, দৈনিক সরজমিন পত্রিকার সাংবাদিকদের অস্থায়ী ক্যাম্পে আসা যাওয়া করতে দেখেছি।
২০ হাজার টাকা খাজনা চাওয়া হয়েছিল। না দেওয়ার কারণে আমার তিরিশ হাজার টাকা খাজনা বকেয়া ধরা হয়েছে
My wife and her family inherited the property and the sub-registered office demanded Tk. 200000 (twenty lacks) but eventually agreed to complete the registration in Tk. 300,000. I was there on 11 June when my wife made the payment in a nearby restaurant close to Sylhet sub register office. The office clerk purchased a file, put the all money there and left. He said, “people will not suspect anything if they see a file in his hand”.
ছিল, মৌখিক ভাবে, প্রদান করি।
পারিবারিক সম্পত্তি আমরা সবাই পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা বন্টক নামা দলিল করব। এখন ভেন্ডর আমার বন্ধু সেহেতু প্রত্যাশা ছিল সরকারী খরচ এবং ভেন্ডর খরচ আইন অনুযায়ী হবে। এখন দেখি অফিসারের ডিমান্ডের উপর নির্ভর করবে। এখানে অফিসার দেখছে কত টাকার সম্পদ হতে পারে সে অনুযায়ী তার একটা ডিমান্ড থাকে। এখন সেটা ১০-২০ গুন বেশি। এখন অপেক্ষা করছি ডিমান্ড যদি সাধ্যের মধ্যে হয়। বন্টক নামা দলিল করব।
৫.৫ শতাংশ জমি নামজারি করতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়ছে, তাদের কথা ছিলো জমিটা পাওয়ারমূলে বিক্রি হয়েছে আপনার কাছে। যার কারণে।
জমি বিষয়ক বিবিধ মামলা (মিস কেইস) এর নোটিশ জারি করার জন্য ২০০০ টাকা প্রদান না করার কারণে সেবাটি পাওয়া যায়নি।
রাউজান ভুমি অফিসে যেকোন সেবা নিতে গেলে ঘুষ ও ভোগান্তির স্বীকার হতে হয়।
নাম: —, গ্রাম: হরিশপুর, ইউনিয়ন: জোড়াদাহ, থানা: হরিণাকুন্ডু, ঝিনাইদহ। জোড়াদাহ ভুমি অফিস থেকে ঘুষ নিয়েই নাম পত্তন করান বর্তমানে সবাই। আমাদের ইউনিয়ন ভুমি অফিসে প্রচুর অর্থ লেনদেন হয় গোপনে।
আমি ক্রয়কৃত জমি খারিজ করার জন্য গেলে সর্বোচ্চ ৩০০০/- টাকা খরচের বিপরীতে দুটি আবেদন বাবদ ১৫০০০/- টাকা চাওয়া হয়। জমিটি পূর্বের মালিকের নামে খারিজকৃত। সিএস হতে চলতি সকল প্রকার আসল ডকুমেন্টস থাকার পরও দাবীকৃত টাকার বিপরীতে দরদাম করে ১২০০০/- টাকা প্রদান করি। এর জন্য কিছুই করতে হবেনা আমাকে। খারিজ অনুমোদন হলে ঐ ব্যক্তির ফোনে জানালে ঐ ব্যক্তির অফিসে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিকট থেকে মূল দলিল, খাজনা পরিশোধের রশিদ, ডিসিআর ফি জমার রশিদ এবং ক্ষতিয়ানের মূলকপি নিয়ে আসতে হবে। কি মজা, তাইনা। অথচ, জমির সকল কাগজপত্র ঠিক আছে।
নামজারি করার জন্য সব ডকুমেন্ট থাকার পরও বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে কাজ হবে না বলায় হ্যারেসমেন্ট থেকে এবং সময় বাঁচাতে ঘুষের টাকা পরিশোধ করি।