দলিল ভেরিফাই
দলিল ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম!!সময় দিল বিকেল ৪টায়,,সব লিখে দিলাম যেমন দলিল নম্বর,সাল,বিক্রেতা,ক্রেতা সব কিছু সব সকাল ১১টায়!বিকেলে গেলে বলল তা নাকি উনি হারিয়ে ফেলেছেন!যা হোক ৫.৫০ টায় ভেরিফাই করতে পারলাম!!!ঘুষ দিতে হল ১০০০টাকা!!
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম!!সময় দিল বিকেল ৪টায়,,সব লিখে দিলাম যেমন দলিল নম্বর,সাল,বিক্রেতা,ক্রেতা সব কিছু সব সকাল ১১টায়!বিকেলে গেলে বলল তা নাকি উনি হারিয়ে ফেলেছেন!যা হোক ৫.৫০ টায় ভেরিফাই করতে পারলাম!!!ঘুষ দিতে হল ১০০০টাকা!!
টাকা দেইনি বলে তারা উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিয়েছে
আমি ট্যাক্স দিতে গেলে তারা টেক্স অতিরিক্ত পরিমাণে বলে এবং আমি তাদেরকে সরকারি রেড বললেও তারা আমার কথা শুনে নেই এবং আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা বেশি দিতে বলেছে যার ফলে আমি আর কোন উপায় না পেয়ে আমাকে দুই হাজার টাকা বেশি দিতে হয়েছে।
গেলাম ভুমি অফিসে দাগ নাম্বার বের করতে তখন টাকা চাইলো ৩০০৳ লাগবে - দেখি অনেক লোখ এইভাবে প্রতিদিন পিওন যারা তাদের দৈনিক ইনকাম ১০০০০৳ উপরে।
বিএস খতিয়ানে নাম ভুল উঠেছিল। এসি ল্যান্ডের কাছে গেলে জানালেন এটা এখানে হবেনা। নামের বিষয় আদালত থেকে সুরাহা করে আসতে হবে। উকিলের সাথে পরামর্শ করলে জানালো এটার রায় হতে ২ থেকে চার বছর সময় লাগবে। অথচ ১০/১৫ দিনের ভিতর কাজটা নাহলে আমার বিরাট সমস্যা হয়ে যায়। আবার এক দালালের মাধ্যমে এসিল্যান্ড অফিসে আসি। শেষে ২৫ হাজার টাকা দিলে এসিল্যান্ড কাজটি করে দেয়।
জানুয়ারি ২০২৬ হইতে উল্লেখিত এলাকায় মাঠ জরিপ কাজ চলমান। জমির বর্তমানে কারা মালিক কি ভাবে মালিক দখলে কে আছে নিশ্চত হয়ে মাঠ পর্চা বিতরন করা কিন্তু তা না করে অহেতূক হয়রানি করতেছে। ১৫ থেকে ২০ হাজারের নিছে কাউকে মাঠ পর্চ বিতরণ করছেন না। টাকা দেওয়ার পরে ও বার বার বিতরনের তারিখ দিয়ে ঘুরাইতেছে।
নাম জারি আবেদন করলে সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে অডিট করতে আসেন সেই অডিটর কে কিছু দিতে হবে, না দিলে পাঁচ ছয় মাস দেরি করা হবে।
মূলত আমাদের বাড়ি ও তার আশে পাশের কিছুর জমির কাগজপত্র সমস্যা ছিল।সেগুলো সব ঠিক করে তারপর অনলাইন করে খাজনা দেয়ার পর আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পাঠানো সরকারি খাতায় নাম উঠানো নাকি নামজারি বলে হয়তো তা করার জন্য কিন্তু প্রত্যেকটার জন্য ১০০ করে টোটাল ৫০০ টাকা নিছে।আমি জানতাম না যে এগুলোর জন্য টাকা লাগে না।তাহলে তখন প্রতিবাদ করতাম।কিন্তু পরবর্তীতে যখন অন্য ইউনিয়নের আরেকটা ভূমি অফিসে গিয়ে একটা কাজ করাই।তার পর টাকা দেই তখন তিনি নেননি।বলেন এটার জন্য কোন টাকা লাগে না।তখন আমি বুঝতে পারি আগের লোক অথ্যৎ আমাদের ইউনিয়নের ভুমি অফিসের লোক ঘুষ নিয়ছে।
জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা দীর্ঘ ৫০ (পঞ্চাশ) বছরেরও অধিক সময় ধরে উক্ত লিজকৃত বাড়ির জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি। দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা নিয়মিতভাবে সরকারি খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে আসছি এবং উক্ত জমির দখল ও ভোগ আমাদেরই রয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বিগত প্রায় ১৫–২০ বছরের খাজনা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করছেন না। গত ২–৩ বছর ধরে আমরা খাজনা পরিশোধের জন্য বারবার ভূমি অফিসে যোগাযোগ ও ঘোরাঘুরি করলেও কোনোভাবেই আমাদের কাছ থেকে খাজনার টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে না। ফলে আমরা বৈধভাবে খাজনা পরিশোধ করতে চাইলেও তা পরিশোধ করতে পারছি না। আমাদের আশঙ্কা, কতিপয় অসাধু ব্যক্তি অনৈতিক সুবিধা/ঘুষের বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে থাকা ও লিজকৃত জমিটি অন্যকে দিয়ে দিতে চায়।
জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় ৮০ হাজার টাকা এবং জমিতে যাওয়ার রাস্তা রেজিস্ট্রেশনের সময় আরও ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, রেজিস্ট্রি অফিসার একই দিনে দুটি কাজ একসঙ্গে করেননি। আলাদাভাবে দুটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে, আর সেই কারণে দুইবার ঘুষ দিতে হয়েছে।
আগস্ট মাসের ৬ তারিখে আমি একটি নাম জারি আবেদন করেছি সেটা এখনো এক ধাপ ও আগায়নি ।তারা রিসিভ করেছে ওই পর্যন্তই আছে। পরে অনেকের কাছে জানতে পারলাম ঘুষের টাকা ছাড়া তারা কোন নামজারির ফাইল ছাড়ে না। মিনিমাম ২ হাজার টাকা দিলে এসিল্যান্ড অফিসে তারা ফাইল পাঠায় অন্যথায় ওই অফিসেই ফায়ার জমা থাকে। শরীয়তপুর উত্তরমাথা ভূমি অফিস।
জমির নাম জারি হয়েছে এখন খাজনা দেওয়ার জন্য এসিল্যান্ড অফিসে যোগাযোগ করা হলে ওনারা জানালো খাজনা আড়াই লাখ টাকার মত আসবে তবে এসিল্যান্ড অনলাইনে এপ্রুভ করার জন্য ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে। হায়রে বাংলাদেশ মশা মারতে কামান লাগানোর অবস্থা।
আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করে অফিসে যাই তারপরে এই টেবিলে নয় ওই টেবিলে এই টেবিলে নয় ওই টেবিলে এরাম করতে করতে আমাকে অনেক ঘোড়ায় তারপরে একজন এসে বলে স্যার বলেছেন ৭০০০ টাকা লাগবে আমি বললাম ১১৭০ টাকার জায়গায় 7000 কেন তারা আমাকে ধমক দিয়ে বললেন খারিজ করলে করেন না করলে অফিস থেকে বেরিয়ে যান তাদের এই দাপট দেখে আমি অসহায় হয়ে তাদের হাতে টাকা তুলে দিতে বাধ্য হই আজ পর্যন্ত তারা আমার মূল কপিটা দেয় নাই।
Holding number er Jonno 300 tk dewa lagse Na hole holding number tukbe na
ডি সি আর নিতে গিয়ে ২ বছর আগে আবেদন করেছিলাম এবং বলেছিল সময় লাগবে না টাকা টা ও দিয়ে যান আমি কেটে রেখে দিব। সেই টাকা দিয়ে আসলে পার হয়ে যায় ১.৫ বছর। এর মাঝে প্রায় ২৭-২৮ বার তাদের কাছে গিয়েছি। গেলে বলে কাল আস, আজ সার নেই,আজ কাজের চাপ। এই সেই। পরে সারভেয়ার পরিবর্তন হয়ে নতুন সারভেয়ার আসেন এবং সে নতুন করে আবার খেলা শুরু করে দিয়েছে। বলতেছে সব কিছুর নির্ধারিত ফি বেড়েছে। আপনার যে খরচ আসবে তা কমায় লিখে দেব আপনি আমাকে এই টাকা দিবেন এই সেই সাত সতেরো।
৮ হাজার টাকার নিচে নামজারি হবে না অনেক ঘোরাঘুরির পরে দুইটা নাম জারির জন্যে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে এটা হয়েছে ১৬ হাজার টাকা দিতে যাব
আমি ভূমি অফিসে অনলাইনে খাজনা আদায় করার সময়। আমার খাজনা দেওয়ার সফটওয়্যার লক থাকে। এই লক ছুটানোর জন্য ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার কাছে অনৈতিকভাবে কোন সরকারি ফিস ছাড়া জমিপ্রতি ৩০০+৩০০+২০০ টাকা আদায় করে।
নামজারি করাতে গিয়ে টাকা চেয়েছে৷ আমি বাধ্য হয়েছি
ইউনিয়ন ভুমিঅফিস আমার কাছে থেকে ৫০০০ হাজার টাকা নিছে।
জরুরি নামজারি করতে দিতে হয়েছে।