নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বন্দর এসি লেন্ড রুপালি খাজনা বাবদ। কম্পিউটার অপারেটিং ম্যান বয়স আনুমানিক ২৬ বা ২৭ গায়ের রং ফর্সা
বাড়ির টেক্স আর জমির খাজনা বাবদ মন গরা টাকা চায় আমি জিগ্গেস করলাম সরকারি ফ্রিস কতো সে মনগরা একটা বলে দেয় এতো টাকা লাগবে পরে জানতে পারলাম সরকার এর ফ্রিস আর ও অনেক কম তাই পরে জখন বললাম সরকার এর যত টাকা নির্ধারণ করছে এক টাকা বেশি দিবোনা সে ভয় বিতি দেখায় এই হয়ে জাবে সেই হয়ে জাবে কি আর করার গ্ৰামের মানুষ এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না ৫০০০টাকায় লফাদফা করা হয় যেখানে এর লাগতো ২০০০টাকার মতো
মোবাইল কোর্টের মামলার নথির নকলের জন্য তলব করিলে উক্ত নকলের নথি আটক রাখিয়া টাকা দাবী করে।টাকা না দেওয়ার কারনে নকল আটক রাখে পরবর্তিতে আমি ১৫০০ টাকা দিলে সে নকল না দিয়ে আটক রাখে।
আমি আমাদের জমি নামজারি করতে গেলে বলে সরকারি ভাবে করলে অনেক সময় লাগবে আবার নাও হতে পারে।অথচ সরকারি ফি মাত্র ১১৫০ টাকা।আর যদি কনটাকে করি তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।টাকা লাগবে ৬০,০০০।
নামজারি মিসকেইসের মালালা করে সকল দলিলাদিসহ প্রমান সরূপ প্রদান করার পরও নামজারি বাতিল করে দিচ্ছেন না। বিবাদির নিকট হতে ঘুস নিয়ে জমির ন্যায্য হিস্যা অনুযায়ী বাদিদের ফরায়েজ করে দিচ্ছেন না।
কাজটি সম্পন্ন করার জন্য 5000/- বেশি চেয়েছেন.
আমার বাবার নামে, নামকজারি করবো জায়গা, এতে করে ওসখালী ভূমি অফিস থেকে ১২০০০ টাকা চাওয়া হয়, বললাম কিসের টাকা এইটা, ওনারা বলে সরকারি ফিস, সাথে আমরা যে যাবো সেই খরচ
আমি প্রথমে ভূমি অফিসে গিয়েছি আমার পরিচিত লোকের সাথে খারিজ এর বিষয়ে আলোচনা করার জন্য, সে আমাকে খারিজ প্রক্রিয়া বলে দিলো এবং অফিসিয়াল প্রসেসে কাজ করলে অনেক দেরি হবে বলে তারা জানায়, কত দিন লাগবে তা সে বলতে পারবে না। যদি অতিরিক্ত কিছু টাকা প্রদান করা হয় তাহলে দ্রুত কাজ হয়ে যাবে এবং আমাকে বার বার অফিসে আসতে হবে না, তারাই আমাকে কাজ শেষ করে কল দিবে বলে জানায়। সরকারি ফি বাদ দিয়ে 8000 টাকা পরিশোধ করিলাম।
আমি একটা খারিজ করেছিলাম এক বছর আগে ভুলবশত আমার খাদরিজের হোল্ডিং খোলা হয় নাই তারপর আমি অফিসে যাই বললাম ফোল্ডিং খোলার জন্য তারপরে নায়েব বলে যে হোল্ডিং খুললে ২০ হাজার টাকা লাগবে।
আমার জমিনে মামলা চলছে এই জন্য দাখিলা কেটে জমিন ক্রয় করতে হবে তাড়াতাড়ি এইজন্যে বিশ হাজার টাকা নিয়েছে
খাজনা টাকা দেওয়া হয়েছে ৪০০০ খাজনা পরিশোধ করেছে মাত্র ৭০০ টাকা। বাকি টাকার কোন কাজ আর রশিদ নাই এবং টাকাও নাই।
নামজারি করতে ভূমি অফিস এর এক কর্মচারী ১৫০০০ টাকা দাবী করলে তাকে টাকা দিয়ে নামজারি করতে হয়
১০ শতাংশ কান্দা জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম নেত্রকোনা, মদন উপজেলায় কিন্তু টাকা ছাড়া খারিজ করতে পারিনি।
নামজারি করতে টাকা চেয়েছে
আমি নিবন্ধন করতে চাইছি, আইনজীবী বলেছেন এতে ১০,০০০ টাকা খরচ হবে এবং বিষয়টি কর্মকর্তাকে সামলাতে হবে। আমি অপেক্ষা করছি, এখন আমার কী করা উচিত?
আমি চার শতাংশ জমি৷ খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম। অফিস সহায়ক আমার কাছে ১৫০০০হাজার টাকা চেয়েছিল।
পিতার নিজ নামে সম্পত্তী আমার নামে খারিজ করার জন্য গেলে আমার ভাই-বোনের সাথে না করে ফারাজ করে আমার অংশ আমি নিজ নামে করছিলাম সেটাই আমার অপরাধ। তার কারণে আমার কাছে ১১০০০ টাকা নেও এবং চা খাওয়ার জন্য আবার ৫০০০ টাকার দাবী দিসে না দিলে আবেদন বাতিল করে দিবে
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার নুরপুর উধুইর অফিসের ১১৭০ টাকার খারিজ ১০,০০০ টাকা চাওয়া হয়। যাহা না দিলে খারিজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয়। জমি খারিজের আবশ্যকতা আছে বলে টাকাটা দিতে বাধ্য ছিলাম
আমার বাবা দের শতাংশ জমি কিনেছেন ১৯৮৮ সালে গাজীপুর, পূবাইল,নয়ানী পড়া এলাকায় ৪১নং ওয়ার্ডে । জমিটা আর সে খারিজ করে নি। ২০১৭/ ২০১৮ সালে জমি খারিজ করার সিদ্ধান্ত নেন। এলাকার এক জনের সাথে কথে বললে সে বলে আমার ভূমি অফিসে লোক আছে টাকা দিলে ১মাস এর মধ্যে সব কিছু করে দিবে।আমার বাবা অনেক সত তাই সে তাদের সাথে কথা বলে ভুমি অফিসে কর্ম করতা ৮০০০ টাকা এক সাথে দিয়ে দেয়। আর যে আমাদের এলাকার ছিল সে হঠাৎ একদিন এসে বলে কাজ হয়েগেছে একটা সাক্ষ্য বাকি আছে ১৫০০ টাকা লাগবে। কিন্তু এই টাকা সে নিজেই খেয়ে ফেলছে। ১মাস পার হয়েছে কিন্তু কাগজ আর দেয় না। ৩মাস হয়ে যায় যতো বার যাওয়া হয় তখনি বলে সার্ভার ডাউন। বিরক্ত হয়ে আর ভূমি অফিসে যায় না আমার বাবা।
সহকারী কমিশনার (পবা), রাজশাহীতে এ আমি গত ৪/৮/২০২৫ ইং তারিখে একটি অবৈধ জাল দলিলের মাধ্যমে সৃষ্ট নামজারি বাতিলের আবেদন করলে এসিল্যান্ড তাহার প্রকৃত তথ্য জানার জন্য রামচন্দ্রপুর ভূমি অফিস পবা, রাজশাহী বরাবর আদেশ জারি করলে তাহা তহশীল অফিসে আসে আমি যোগাযোগ করলে অফিসার আমাকে ২ দিন পর আসতে বলে পরবর্তীতে আমি গেলে প্রতিবেদন পাঠানের জন্য আমার নিকট ৫,০০,০০০ টাকা দাবি করে আমি তা প্রত্যাখ্যান করলে। আমার প্রতিপক্ষকে ফোন করে ডেকে ৭,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে তার পক্ষে প্রতিবেদন পেশ করে। আমি এই বিষয়ে এসি ল্যান্ডকে অবগত করলেও তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি বরং তহশীলদারকে এ সকল বিষয় জানিয়ে দিয়ে তাকে বাচানোর চেষ্টা করছে।