নামজিরি
আমি আমার ক্রয়কিত জমির নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবী করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার ক্রয়কিত জমির নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবী করে
Officeer sobaike dia file sarie ante hoy
Amar jomi registration korte giye to cahhe
আমি জমির নামজারি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে রিপোর্ট করানোর জন্য ভূমি অফিসে যাই তারা আমার আবেদন দেখে বলে অনেক লেখা একটু সময় লাগবে জিজ্ঞেস করলাম কত সময় লাগবে? বললো এক দেড় ঘন্টা। এরপর মাত্র ১০ মিনিটে আমার কাজ করে বলে ১৫০০ টাকা দেন। তখন আমি বললাম ১৫০০ টাকা দিতে হবে? বলে হ্যাঁ। কিছু করার ছিল না ১৫০০ টাকা দিয়ে দিলাম। অথচ সেখানে এক টাকাও সরকারি ফি নেই।
নামজারী আবেদন প্রস্তাব করার জন্য ইউনিয়ন তফসিল অফিসে গিয়েছিলাম। ওয়ারিশ দাদার নাম ২টি দুই রকম থাকায় প্রত্যয়ন পত্র ও এফিডেভিট অ্যাড করে দেওয়া হয়েছে। এখন প্রস্তাব করার জন্য এই টাকাটা দাবি করেছে।
খারিজ করতে যা প্রয়োজন তার ডাবল টাকা নিতাছে ভুলভাল বইলা মিথ্যা কথা বইলা
আমি নামজারির জন্য আবেদন করছি ওনি আমার থেকে ২০০ টাকা নিছে পরে শুনানির জন্য আরো ৫০০ এখন সব শেষে বলে আমাকে ৭৫০০ টাকা দিয়ে যান
নামজারি। বলেছে নামজারি করতে ৭০০০ টাকা লাগবে। পরে আমি ৭০০০ টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি।
১২০ শতক নামজারি করতে ১ লক্ষ ৮০ হাহাজার দেওয়া হইছে।
ঢাকার দোলাইপাড়ে অবস্থিত ডেমরা ভূমি অফিসে ভূমি ইউনিয়ন কর্মকর্তা অনলাইনে নামজারী আবেদন করার পর তা কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সময় নষ্ট করে, একাধিকবার যাওয়ার পরও কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করে সময় নিদিষ্ট সময় অতিবাহিত করে নামজারী আবেদন না-মঞ্জুর করার কথা বললে তখন অনুরোধ করলে ২০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে
জমির খারিজ করা করে ১১৯০ টাকা লাগলেও এরা অনেক বেশি নেয়
অনলাইনে কর (খাজনা) পরিষোধের জন্য অ্যাকাউন্ট করতে গেলে ১৫০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি ১০০ টাকা পরিষোধ করেছি।
আমার কাছে এসিলেনট অফিসের নাজির সাহেব সবার সামনে টাকা চেয়েছেন।কিছু করার নাই সবাই টাকা দিয়ায় কাজ করে।আমি আর কি করবো বলেন।
আমার বাবা জমি বিক্রি করবে বলে জমির খাজনা খারিজ করতে গেলে দলিলের বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে টাকা দাবি করেন
তহসিলদার, সার্ভেয়ার ও কানুনগো প্রতিবেদন যথাযথ জাস্ট অনুমোদন এর জন্য আগ্রাবাদ সার্কেলের নাজির এবং আরেকজন স্টাফ মিলে ১৫ হাজার টাকা নেন এবং সংশ্লিষ্ট এসি ল্যান্ড সাহেবের অনুমোদন এর ব্যবস্থা করেন। তাদের ভাষ্যমতে এই টাকাটা এসি ল্যান্ড সাহেব কে দিতে হয়েছে।
আমার বাবা আমাদের কিছু ক্রয়কৃত জমির জমাখারিজ করতে নিকটস্থ ভূমি অফিসে যান, প্রথমে উনাকে কাগজপত্র ঠিক নেই বলে বিভিন্ন কাগজপত্র টাকা দিয়ে তাদের থেকে সংগ্রহ করতে বলেন, তিনি ওই গুলো টাকা দিয়ে সংগ্রহ করেন। পরে একজন বলেন চাচা এখনে অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে, আপনি আমাকে দিয়ে দেন, কোথাও যাইতে হবে না, আমি সব ঠিক করে দিবো। টাকা দিবেন ১২০০০,
নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে বিভিন্ন ধরনের ভুল ধরে টাকা দাবি করে...কাজটা জরুরি হওয়ায় ঘুষটা পরিশোধ করতে হয়েছে
সেবার বাহিরের টাকা নিয়েছে।
সরকারি জমি দখল মুক্ত করার জন্য তাদের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এজন্য জমি পুনরায় পরিমাপের জন্য সার্ভেয়ার প্রেরন করা দরকার ছিল । আমি ঘুষ অপার করি নাই আমার কাছে ঘুষ চাওয়ার সাহস তারা করে নাই । তবে তারা কোন রকমে বাধ্য হয়ে আমাকে সার্ভিস দিয়েছে কিন্তু অনেক ঘুরাইছে । একটি আধা ঘন্টার চিঠি ইস্যু করতে আড়াই মাস ঘুরাইছে
নাম জারি করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই আমার কাগজপত্র সব ঠিক আছে কোন সমস্যা নেই। নাইবের সাথে কথা বলি উনি বলেন অফিস সহকারীর সাথে কথা বলতে অফিস সহকারী ৭০০০ টাকা দাবি করে । আমি বললাম যে কি বলেন ১১৭০ টাকা লাগার কথা সেই জায়গায় ৭০০০ টাকা কেন দাবি করছেন ? উনি বললেন বিভিন্ন টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয় নয়তো স্যাররা সাইন করে না ।। আমার নামজারি করা বিশেষ প্রয়োজন অনেক চেষ্টা করার পরেও ৭০০০ টাকার কমে নামজারি করাতে পারিনি।