খাজনা
অনেক বছর খাজনা দেইনা তাই। খাজনা বাবদ ১৫০০ আসছে কিন্তু চেয়েছে ৫০০০ বাধ্য হয়ে দিতে হইছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অনেক বছর খাজনা দেইনা তাই। খাজনা বাবদ ১৫০০ আসছে কিন্তু চেয়েছে ৫০০০ বাধ্য হয়ে দিতে হইছে
জমির নামজারি , রেকর্ড সংশোধন, খাজনা পরিশোধ ইত্যাদি কাজ এর জন্য মূল টাকার বাইরে বাড়তি আর 1 Lac টাকা দাবি করেছে
আমাদের জমিতে ৮৩ সালে কেনা ছিল। ৯২ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিষদ করা ছিল। ১৯৯৬ সালে বাবা মারা গিয়েছে। আমরা ভাইবোনেরা তখন ছোট ছিলাম। ২০১০ সালে যখন সিটির জরিপ হয় তখন, উপস্থিত না থাকার কারণে নামজারি করা সম্পন্ন হয়নি। তাই নাম জারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম বাড্ডা। প্রথমে তারা বলে যে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করতে হবে। এরপর শেষ আরএসএস এসে সব খতিয়ান যাচাই-বাছাই করে, বলে যে নামজারি করা সম্ভব, শতাংশ প্রতি তিন লাখ টাকা করে পড়বে।
আমি নামজারি করতে পরামর্শ করতে গেলে ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে বলে।
নামজারি করতে নেয় ১১৫০ টাকা সরকারি খরচ কিন্তু বাস্তব লাগে ৭ হাজার টাকা ২ টাকা খাজনা রশিদ নেয় ৫০০ টাকা বাউশলা ভূমি আফিস সরকারি কর্মচারী জড়িত এসিলাণড ও ভূমি নায়েব
আমি ৩৮ সেন্ট জমি খারিজের জন্য ভূমি অফিসে গেলে কাগজ পত্র যাচাই করে সঠিক আছে বলে জানান। তিনি খরচ পাতি হিসাবে ৭০০০ টাকা দাবি করেন। আমি বললাম সরকারি ফি ১১০০ লাগে।আপনি ৫০০ টাকা বকশিস নেন। তিনি বললেন কানুন গো এবং এসিল্যান্ড অফিসে টাকা না দিলে কাজ হয়না। তারপর ৬৫০০ টাকা নিলেন।
ভুমিসেবা আমি একটা নামজারি খতিয়ান ভাঙা তে যায় দায়িত্বরত অফিস আমাকে কাছে ১০০০০ টাকা চাই। যা সরকারি খরচ ১১০০ টাকা বেশি না।
নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের কুতুবপুর ভূমি অফিসের তহসিলদার টাকা ছাড়া এক পা নড়েন না। উনি বলে উনার অফিস খরচই আছে মাসে ৪ লাখ টাকা তাই উনাকে টাকা দিয়েই কাজ করানো লাগবে ।যদিও আমার বড় ভাই প্রশাসনে থাকাতে আমার কাছে ২য় বার টাকা চায়নি ।
একটা ক্রয় কৃত জমি পরবর্তীতে খতিয়ানে "ভেস্টেড প্রপার্টি" হিসেবে খতিয়ানের মন্তব্য কলামে লিপিবদ্ধ থাকায় নামজারি/জমাখারিজ করে খতিয়ান বা রেকর্ড সংশোধনের জন্য নিয়েছে।
আমি ২ টা খতিয়ান নামজারি জন্য আবেদন করি, প্রথম টি আমার বাবার নামে , সেটার জন্য ৭হাজার দাবি করলো, ২য় টা আমার নামে ,২য় টা অনলাইনে আবেদন করি কিন্ত আবেদন বাতিল করে দিলো বললো তহশীলদার সাথে দেখা করিনি কেন ,পরে আবার করি সেটাও এসি ল্যান্ডকে দিয়া বাতিল করতে চাইলো, আমি উপরস্থ কর্মকর্তাকে জানাইলে সেটা করে দে । আমাকে খতিয়ানের জন্য ৩মাস পর্যন্ত হয়রানি করলো । টাকা দেইনি কেন ?
জামালপুর সাব রেজিষ্টার অফিসে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে আমার থেকে ৪০০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। বলা হয় এই টাকা না দিলে দলিল আটকে রাখা হবে। এই প্রক্রিয়া চলে মহরীদের মাধ্যমে।
ঘুষ নিয়েছে ৬২০০০ টাকা, আপনার অ্যাপে ড্রপ সিস্টেমে কেন? যেন সরাসরি অংকে ও কথায় লেখা যায়, সেটা তৈরী করেন। জমির খারিজ সংক্রান্ত আমার বড় ভাইয়ের কাছে ৬২০০০, বাষট্টি হাজার টাকা নিয়েছেন। ভাইয়ার দাবি তার এক তাবলীগের সহকর্মীর সাথে অফিরে লোকের অনেক ভালো সম্পর্ক এর কারনে এত কম, না হলে তাদের ১০০০০০ এক লক্ষ টাকার কমে কাজ করে দিতেন না, সুতরাং আমাকেও ১/৩ অংশ টাকা বহন করতে হয়েছে। আমি বলেছি নির্ধারিত ফি এর বাইরে এক টাকাও দেবো না, সে বলেছে তাহলে খারিজ হবে না। আরও কি কি যেন অযুহাত দেখিয়ে বার বার শুধু টাকা নেয়, এর আগে একবার ২০০০০ বিশ হাজার টাকা নিয়েছে। আমি তো বাড়িতে থাকি না, তাই এসবের প্রতিবাদ করারও সুযোগ নেই্ । আমার বড় ভাই অনেক সত মানুষ তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই, এলাকার সবাই তাকে সেভাবেই জানে ও মানে...
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে ভূমি অফিসে নথি জমা দিয়ে আসার পর ৬ মাস পড়ে ছিল। উল্লেখ্য যে এর মধ্যে বহুবার উক্ত ভূমি অফিসে যোগাযোগ করি। কিন্তু ঘুষের টাকার জন্য নামজারি ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায়নি। পরে বিরক্ত হয়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা দিয়ে উক্ত নামজারি করাতে হয়। তার মধ্যে বিভিন্ন ধাপে ঘুষ নিয়েছিল অফিস সহকারী, তহশীলদার, কানুনগো, ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, শুনানীর সময় আবার অফিস সহকারীর মাধ্যমে এসিল্যান্ডের জন্য টাকা নেয়। সর্বমোট আমার ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
আমার এন আই ডি কার্ডের সাথে বাবার নামের কিছু পার্থক্য। যেমন ইউসুফ এ-র যায়গায় ইছুব। চেয়ারম্যান এর প্রত্যয়ন পত্র জমা দিতে হয়েছে। পরে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিয়েছে।
আমার জমি পরিমাণ ৪৬ শতাংশ।যা আমার সঠিক দলিল ও ফাইনালের আগের পর্চাতে, এবং দখলে বিদ্যমান। কোন ধরনের অন্যদের দাবি বা কোন সমস্যা নেই।ফাইনাল করার ১ মাস আগে ভুমি অফিসে ডাকা হয়।সেখানে নতুন নকশা দেখিয়ে বলা হয় আমার জমির পরিমাণ মাত্র ৩১ শতাংশ।যা অন্য মালিকের দলিল ও দখল জমি থেকে কেটে দিয়ে আমার নামে করে দিতে চায় । তখন আমি আমার দলিল ও পর্চা দেখাতে চাইলে সেগুলো দেখতে অসিকৃতি জানায় এবং অন্যজনের জমি আমার করতে ১০.০০০ টাকা ঘুষ চায়। ঐ টাকা না দিতে পারায় তারা ঐ সমস্যার সমাধান করে নাই।
রাজউক আওতাধীন গুলশান আ/এলাকার ফ্ল্যাট নামজারী। পূর্বেও নামজারী, রাজউকের নামজারী আছে। তবে সিটি দাগ খতিয়ান অনুযায়ী পুনরায় নামজারী করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১২০০০০ টাকা দাবী ছিল। এসি ল্যান্ড নতুন আসছে, এখন তার দাবী ৩লাখ, সর্বশেষ ২২০০০০ টাকা চাচ্ছে। যা এখনো দেয়া হয় নি। এখনো পেন্ডিং আছে।
আমি ময়মনসিংহ জেলার,ত্রিশাল উপজেলা, বালিপাড়া ইউনিয়ন এর,,, আমি আমার একটা জমির নাম জারি করার জন্য ২ বার আবেদন করার পরেও তারা মুঞ্জর করতেছিল না ৬ মাস ঘুরার পরে বাধ্য হয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে করা লাগছে,,,,,
নামজারি করার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করছে আমি ৮ হাজার দিয়োছি।টাকা না দিলে নামজারি হবে না কাগজ সমস্যা ইত্যাদি।
আমার বাবার ক্রয় কৃত জমিটি অন্য একজনের নামে রেকর্ড ভুক্ত থাকায় আমি ময়মনসিংহ জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করি। মামলায় বিবাদী পক্ষের কোন ধরনের আপত্তি না থাকায়, আমার পক্ষে মামলার রায় পাই। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্তৃক ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে সরজমিনে পরিদর্শন শেষে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার নিকট গেলে ওনার সহকারি যিনি রেকর্ড সংশোধনের দায়িত্বে আছেন তিনি ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন, পরবর্তীতে নগদ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি কাজটি করে দিতে রাজি হয়েছেন।
প্রথমে আমি গেলাম ভূমি অফিসে ওনারা বল্ল বহিরে দোকানে গিয়ে অনলাইনে কর পরশোধ করে নিয়ে আসেন।তার পর গেলাম পরিশোধ করে আনলাম বলে জমির দাগ নাম্বার টিক নায় আবার গেলাম দোকানে আবার চেক করলাম দেখি সব টিক আছে। পরে দোকান দার ওয়ালা বল্ল ঘুষ দিলে এখন সাতে টিক করে দিবে আপনি পিওন কে বলেন ওনি দর দাম টিক করে ওখানে। পরে ওনার কথা মতো আবার গেলাম বলে আমি স্যারের সাতে কথা বলে দেখি কি হয়। একটু পর বের হয়ে বলে কিছু কর দিতে হবে। আমি বল্লাম কতো ২০০০ টাকা। পরে আমি বল্লাম সরকার পাচ্চে ১৮৪ টাকা আর আপনারা ২০০০ টাকা সরকার কে তো আপনারা চলান মনে হয়।এটায় দেশের অবস্তা।