প্রতিনিধির মাধ্যমে খাজনা দেয়ার ক্ষেত্রে
গ্রাহক বিদেশে থাকায় তার খাজনা প্রতিনিধি এর মাধ্যমে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গ্রাহক বিদেশে থাকায় তার খাজনা প্রতিনিধি এর মাধ্যমে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছিল।
ভুমি কর দিতে গিয়ে ২০২৪ সালে বলা হয় ত্রিশ হাজার টাকা বকেয়া।বিশ হাজার দিলে হবে।পরে তিন হাজার টাকার অনলাইন রশিদ পাই।
আমার কাছে নামজারির জন্য সরকারি দারঝ কিত ১১৭০ টাকা পরিবতে ১০ হাজার টাকা দাবি আমার ভাগিনা নামজারি বাবত আগামী রবিবার ৬/৯/২৬ তাং বাকি টাকা দিয়ে নামজারি কাগজ আনতে হবে
ক্রয়সূত্রে নিজ নামে ৪৮ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি দলিল আছে। তাই জমিটা নিজ নামে খারিজ করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই। তখন ভূমি কর্মকর্তা ও স্টাফ বাহিরের অন্য একজনের সাথে কথা বলতে বলে। সেই লোকের কাছে গেলে সে ১২০০০ টাকা দাবি করে। কাজটি করা আমার জরুরি ছিল, তাই তাকে ১০০০০ টাকা দিয়ে কাজটি করাই।
আমি আমার জমির সকল কাগজপত্র নিয়ে ভূমি জরিপের অফিসার এর কাছে নতুন ভূমি জরিপের খতিয়ান আনতে যাই। তখন উনি বলে আমার বাড়ির এই সমস্যা ওই সমস্যা বলে আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে ।এরকম জালকুড়িতে সব মানুষের কাছ থেকে ১০০০০ থেকে শুরু করে লাখ লাখ টাকা দাবি করে আদায় করেছে। মূলত জালকুড়িতে নতুন জরিপের যতগুলো অফিসার আসছে সবাই এর সাথে জড়িত।
মদনপুর, সরাইল এলাকায় ভূমি রেকর্ড হচ্ছে প্রত্যাক জমির মালিক থেকে ১০০০০ টাকা করে চায় ওরা যে টাকা দিবে না তার পাইল আটকিয়ে রাখে
No way to get service without paying, bcz i applied and refused 5 times,
ই-নামজারি করার লক্ষ্যে আমার কাছে অভিযোগ চেয়েছিল, আমি আমার কাজটি করার জন্য দিতে বাধ্য হয়েছি।
নাম জারি করতে যেখানে ১২০০ বেশি লাগার কথা না। কিন্তু আমি ভুমি অফিস অনিয়ম দুর্নীতি ঘুষ কারণে আমার দিতে হচ্ছে ১২০০০ হাজার ।তা না হলে না কি আমাই খারিজ করতে পারবো না।বাধ্য হতে আমার ১২০০০ জাহাজ দিতে হইছে
চান্দিনায় সাবকাবলা ক্রয় করা জমির সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আমি নামজারি খতিয়ান করতে গেলে আমার কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা দাবি করে, প্রথমে আমি প্রত্যাখ্যান করে আমি নিজে সাবমিট করেছি, সাবমিট করে আমি দেশের বাইরে চলিয়া আসি কিন্তু কোন প্রতিকার হয়নি, পরবর্তীতে আমি প্রবাস থেকেই যোগাযোগ করছি, আমাকে আমাকে বলে ১৫ হাজার টাকা লাগবে পরে আমি নিরুপায় হইয়া ১৫০০০ টাকা পরিশোধ করি তারপরে ১৮ দিন পরে আমাকে তারা নামজারি খতিয়ানটি বুঝিয়ে দেয় 😢
আমি জমি খারিজ করতে ভূমি অফিসে যাই।তারপর কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে আমার কাছে ২০,০০০/- টাকা দাবি করে।আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার খারিজ আটকিয়ে রাখেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা।
No, Ghosh. The file remains on hold. After the bribe was paid, the registration was processed and completed within a single day.
আমার জমি,সেই জমির উপড় মামলা হয়, আর ঐ মামলায় উপজেলা ভুমি অফিসে পরির্দশনের জন্য নোটিষ আসে,সেটা আবার ইউনিয়ন ভুমি অফিসে নোটিশ আসে,সেই নোটিশে পর, ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা, জমি পরির্দশনে আসে,তারা বিস্তারিত দেখে তারা রির্পোট পাঠায়, উপজেলা ভুমি অফিসের অধিনে, গাইবান্ধা জর্জ কোর্টে রিপোর্ট দেয়,কিন্তু দেখা যায়, যে রিপোর্ট দেয়,সেই রিপোর্ট আমাদের বিরুদ্ধে লিখেছে,এটা তারা বিপক্ষ দল থেকে, টাকা খেয়ে এই রিপোর্ট দেয়
আমার হোমন্দি অনেক কষ্ট করে তিন কাটা জমি কিনেছে পিরোজপুর জেলার ভিতরে তো রেজিস্ট্রি করতে গেলে দলিল লেখক 60 হাজার টাকা নিয়েছেন যখন প্রশ্ন করি এত টাকা কেন তখন তিনি বলেন এর থেকে ১০ হাজার টাকা ম্যাজিস্ট্রেটকে দিতে হবে।
আমার একটা জমি খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আমার দলিলটা উনি দেখে আমাকে বিশ হাজার টাকা. দেওয়া জন্য বলছে তারপরেও খারিজ করে দিব বলছে আমাদের বাংলাদেশে ঘুষ ছাড়া কোন সরকারি কর্মচারী ৮০% কর্মচারী কাজ করে না ধন্যবাদ আপনাদেরকে এরকম একটা সাইট খোলার জন্য অন্তত আমরা বলতে পারি এখানে
জমির খাজনা আসছিল-৪০০ টাকা, কর্মকর্তা দাবি করেছে-১০০০ টাকা. স্লিপ ও কেটেছিল -৪০০ টাকা, বাকি ৬০০ টাকা ঐ কর্মকর্তার পকেটে গেছে।
নামজারি প্রক্রিয়া দিনের পর দিন পরে ছিল কেও ফাইল ধরেনাই ধল্লা,সিংগাইর মানিকগঞ্জ,
আমি সরাসরি ভূমি অফিসে গিয়ে খতিয়ানের নকল উত্তোলন করার জন্য আবেদন করি। যেই সেবাটি ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়া যায় সেই সেবা আমি ৭২ ঘণ্টা পরও পেলাম না। তারপর নাজিরের সহকারীর সাথে যোগাযোগ করলে ১০০০ টাকা দাবি করে। সহকারীকে ৫০০ টাকা দিলে আমাকে ১ ঘণ্টার মধ্যে খতিয়ানের নকল উত্তোলন করে দেয়।
আমি আমার জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি এবং সেটা অনুমোদন করানোর জন্য ভুমি অফিসে যাই তখন আমাক বলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে তখন খুব রাগান্বিত হয়ে যাই এবং আমি বলি আমার জমিতে কি সমস্যা আছে যে আপনাকে টাকা দিতে হবে। এর পর আরেক জনের মধ্যস্থতায় ৫০০ টাকা দেওয়ার পর আবেদন অনুমোদন দেয়।এর পর আমি আমার খাজনা অনলাইনে পেমেন্ট করি।
মিউটেশন করাইতে গিয়েছিলাম তো সেখানে আমার সবকিছুই ঠিক ছিল আমার সাথে পর্যায়ক্রমে 10 হাজার প্রথমে দিয়েছি তারপরও দিন দিন আমাকে ঘুরাচ্ছে দিতাছে না অনেক কিছু বুঝাইয়া অনেক কিছুদিন পার করাইছে তিন মাস পর আবার ১০ হাজার টাকা দিছি তারপর অনেক দিন ঘোরানোর পর এই ঘুরতে ঘুরতে আমার অ্যাক্সিডেন্ট হয় এক্সিডেন্টের কথা শুনে মিউটেশনের আবেদন মঞ্জুর করে এবং আমার জমি মিউটেশন হয়ে যায় যখন আমি এটা আনতে যাই তখন আবার ১০ হাজার টাকা চাই না দিলে দিতে চায়না পরে আবার ১০ হাজার টাকা দিয়েছি তারপর আমাকে দিয়েছে