নামজারি
নামজারি করতে গিয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমার ফাইল আটকে দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করতে গিয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমার ফাইল আটকে দেয়।
আমি আমার ক্রয়কিত জমির নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবী করে
Officeer sobaike dia file sarie ante hoy
Amar jomi registration korte giye to cahhe
আমি নামজারির জন্য আবেদন করছি ওনি আমার থেকে ২০০ টাকা নিছে পরে শুনানির জন্য আরো ৫০০ এখন সব শেষে বলে আমাকে ৭৫০০ টাকা দিয়ে যান
আমি জমির নামজারি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে রিপোর্ট করানোর জন্য ভূমি অফিসে যাই তারা আমার আবেদন দেখে বলে অনেক লেখা একটু সময় লাগবে জিজ্ঞেস করলাম কত সময় লাগবে? বললো এক দেড় ঘন্টা। এরপর মাত্র ১০ মিনিটে আমার কাজ করে বলে ১৫০০ টাকা দেন। তখন আমি বললাম ১৫০০ টাকা দিতে হবে? বলে হ্যাঁ। কিছু করার ছিল না ১৫০০ টাকা দিয়ে দিলাম। অথচ সেখানে এক টাকাও সরকারি ফি নেই।
খারিজ করতে যা প্রয়োজন তার ডাবল টাকা নিতাছে ভুলভাল বইলা মিথ্যা কথা বইলা
নামজারি। বলেছে নামজারি করতে ৭০০০ টাকা লাগবে। পরে আমি ৭০০০ টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি।
১২০ শতক নামজারি করতে ১ লক্ষ ৮০ হাহাজার দেওয়া হইছে।
জমির খারিজ করা করে ১১৯০ টাকা লাগলেও এরা অনেক বেশি নেয়
অনলাইনে কর (খাজনা) পরিষোধের জন্য অ্যাকাউন্ট করতে গেলে ১৫০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি ১০০ টাকা পরিষোধ করেছি।
আমার কাছে এসিলেনট অফিসের নাজির সাহেব সবার সামনে টাকা চেয়েছেন।কিছু করার নাই সবাই টাকা দিয়ায় কাজ করে।আমি আর কি করবো বলেন।
সেবার বাহিরের টাকা নিয়েছে।
নগদ টাকায় ক্রয়কৃত একটা জমি মিউটেশন করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে, উপজেলা ভুমি অফিসে দফায় দফায় ঘুষ দিতে হয়। আমার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ২,০০০ টাকা এবং উপজেলা ভূমি অফিসে ২,৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে শুধু একটা বাটন ক্লিক করে অ্যাপ্রুভ করে দিবে সেই জন্য।
ঢাকার দোলাইপাড়ে অবস্থিত ডেমরা ভূমি অফিসে ভূমি ইউনিয়ন কর্মকর্তা অনলাইনে নামজারী আবেদন করার পর তা কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সময় নষ্ট করে, একাধিকবার যাওয়ার পরও কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করে সময় নিদিষ্ট সময় অতিবাহিত করে নামজারী আবেদন না-মঞ্জুর করার কথা বললে তখন অনুরোধ করলে ২০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে
নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে বিভিন্ন ধরনের ভুল ধরে টাকা দাবি করে...কাজটা জরুরি হওয়ায় ঘুষটা পরিশোধ করতে হয়েছে
আমার বাবা পড়াশোনা না করা, একজন গ্রামের সহজ সরল মানুষ। জমির খারিজা করার জন্য কাগজ পত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেন, একদিন একটা কাগজের বিষয় নিয়ে কথা হয়। তখন বলে পর্চা কাগজ সম্ভবত হবে। এই কাগজ দাম কতো হবে, আমি বলি কত ২ তিন টাক হবে আর পিন করে দিলে নিবে ১০ টাকা বা ২০ টাকা; তখন আমার বাবা বলে আমার কাছ থেকে কম্পিউটারে বসে থাকে ঐ ছেলেটা ২০০ টাকা নিছে, আমি তখন বাবাকে বললাম এই হলো বাবা সরকারি চাকরি আর দেশের অবস্থা।
আমার জমির দলিলে নামজারি করতে অংশ ভুল করে কম হয়ে যায় তার জন্য ৩০০০ টাকা চাই
জমি খারিজের নাম দিয়ে দালাল রা আমার কাছ থেকে ২৪০০০ হাজার টাকা দাবি করে, পরে আমি ২০০০০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়, পর্যায়ক্রমে ১৭৫০০ টাকা দিয়েছি, তবুও জিজ্ঞেস করলে বলে এই কাগজ ঐ কাগজের সমস্যা, আবার নিয়া গিয়ে আবার আরেকটা সমস্যা দেখায়। দালাল ভূমি অফিস গুলোতে ভরে গেছে
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি