নামজারি
৩০০০০ টাকা ঘুস নেয় নামজারি করে দিবে বলে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৩০০০০ টাকা ঘুস নেয় নামজারি করে দিবে বলে
ভূমি অধিগ্রহণের টাকা ৮ ধারা নোটিশ দেওয়ার পর চেক সংগ্রহের জন্য গেলে তারা ৬% হারে ঘুষের টাকা দাবি করে ৬% হারে টাকা দিলে চেক পাওয়া যাবে বর্তমানে চেক বন্ধ অবস্থায় আছে সিরাজগঞ্জে ভূমি অফিস ডিসি অফিসে বাণিজ্য চলছে ঘুষের
১১৭০ টাকার নামজারি ৬০০০ টাকায় করাইতে হইছে। এই রকম দুইটা নামজারি করাইছি।
নামজারি করাতে গেলে টাকা দাবি করে টাকা না দিলে নামজারি হয়না বিধায় বাধ্য হয়ে টাকা দেয়া।
নোয়াপাড়া, ভুমি অফিসে কর্মরত কর্মচারী, আমার কাছে টাকা দাবি করেন, ১২ হাজার, টাকা দিতে অস্বীকার করলে সে বলে এই দাগে সমস্যা ওই দাগে সমস্যা, অথচ সব কিছু ঠিক ছিলো আমার কাগজে। এক কথায় ভুমি অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না!
একটি নামজারির ক্ষেত্রে ভূমি অফিসের নির্ধারিত সরকারি ফি বাইরে লেখা থাকে মাত্র ১,১০০ টাকা। কিন্তু বাস্তবে নামজারি সম্পন্ন করতে গেলে প্রায় ১২,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এই অতিরিক্ত টাকা ছাড়া সাধারণ মানুষের পক্ষে কোনোভাবেই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। উপজেলা ভূমি অফিসের আশেপাশে একটি সিন্ডিকেটের মতো ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি অফিসের দারোয়ান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিরাও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকে বলে মনে হয়। কেউ যদি নির্ধারিত অতিরিক্ত টাকা দিতে না চায়, তাহলে তার ফাইল দীর্ঘদিন পড়ে থাকে এবং কোনোভাবেই কাজ এগোয় না। এখানে যেন একটি অলিখিত ফিক্সড রেট নির্ধারণ করা আছে—প্রায় ১২,০০০ টাকার নিচে নামজারির কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন বা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কাজটি করে দেবে তাই টাকা নিছে কিন্তু করে দায় নায়
স্বাভাবিকভাবেই জীবিত থাকা অবস্থায় আমার দাদুর নামে যে রেকর্ড হওয়া সম্পত্তি ছিল তার কর প্রদান করতে গেলে, তারা বলে(বর্তমানে) মৃত ব্যক্তির নামে কর দেওয়া সম্ভব নয় অথচ আড়ালে তাদের অফিসেরই কর্মকর্তা আরেকজন ব্যক্তি বলে স্যারকে দুই হাজার টাকা দেন কর প্রদান করে দিচ্ছি।
কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার অষ্টগ্রাম ভূমি অফিসে নাম জারি করানো বাবদ অর্থ চাওয়া হয়
৬০ বছর + মুরুব্বি বসে ছিল। আমাকে বলল ২০০ টাকা দিতে হবে। আমি একপ্রকার বাধ্য হয়ে দিয়ে দিলাম।
জমি খারিজ. সরাসরি চাওয়া হয়েছে
Jomi namjari bisoye na caitei 1000 dear por aro 1000 ceyesilo kintu diasi 500
জমি খারিজের জন্য গিয়েছিলাম তন্তর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে। সেখানে জমি খারিজের জন্য ভূমি কর্মকর্তা ১৩০০০০ টাকা দাবি করে।
খতিয়ানের কপি তুলতে গিয়ে ঘুষের স্বীকার
Ami namjari adedon korly 2 bar batil kore day, pore 1000 tk Dewar pore anumodon kore dey
বগুরা ঢাকা রেল যোগাযোগ এর জন্য সরকার ভূমি অধিগ্রহন করে । এর জন্য সরকার যাদের জমি নিছে তাদের টাকা দিচ্ছে । এই টাকা নিতে গেলে ৫% করে ঘুষ দেয়া লাগতেসে । আমি নিজে এর ভুক্তভোগী । টাকা ছাড়া কোন কাজ করে দিচ্ছে না বগুড়া ভূমি অফিস ।
দৌলতখান ভূমি অফিসে সরকারি ভূমি-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের সময় আমার কাছ থেকে ৩,০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সরকারি ফি/খরচের বাইরে এই টাকা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে কাজটি সম্পন্ন করা বা সেবা পেতে হয়রানির আশঙ্কা ছিল। ৩,০০০ টাকা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভূমি-সংক্রান্ত কাজ/সেবা সম্পন্ন করা হয়েছে।
নামজারি করতে গেলে টাকা ছাড়া নামজারি করে দিতে রাজিনা
ভূমি অফিসে সবাই ঘুষ দিয়ে কাজ করায়, এই কাজ যাদের ছাড়া করা সম্ভব হয় না, এ কারণে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে, কাগজের কর্তৃক রেকর্ড সংশোধন করার জন্য কথা বলে থাকে, বিভিন্ন লোকের কাছে বিভিন্ন রকম বাহানা বানিয়ে ঘুষ নিয়ে থাকে, এমন ভাবে কাজ করে প্রমাণ করা সম্ভব হয় না, ভূমির কাগজ পেতে বছরের পর বছর লেগে যাওয়ার ভয়ে মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করার লাগে
ভূমি উন্নয়ন কর পরিষদের জন্য অনলাইনে প্রোফাইল তৈরি করে সাবমিট করার পরে ফরিদগঞ্জ কড়ইতলী ভূমি অফিসে গিয়ে বলেছি অনলাইন রিকুয়েস্টটা এপ্রুভাল করে দেওয়ার জন্য এই অ্যাপল করে দেওয়ার জন্যই ভূমি অফিসের কর্মচারী ৪০০ টাকা দাবি করে অ্যাপ্রুবল হওয়াটা জরুরী যে কারণে বাধ্য হয়ে ৪০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে যে অ্যাপ্রুবাল টা বিনা করেছে করে দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু উনারা ৪০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে আমার কাছ থেকে