ভূমি উন্নয়ন কর সরকার পায় ৩১০
ভূমি উন্নয়ন কর সরকার ৩১০ টাকা পাবে কিন্তু ঘুষ দিতে হয় ২০০০ টাকা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভূমি উন্নয়ন কর সরকার ৩১০ টাকা পাবে কিন্তু ঘুষ দিতে হয় ২০০০ টাকা
নিজের নামে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে কর্মকর্তারা সাহায্য না করে দালাল ধরার পরামর্শ দেন। বিক্রেতাকে সব টাকা দেওয়ায় বাধ্য হয়ে দালাল সিন্ডিকেটের কাছে যাই। তারা সরকারি ফির চেয়ে চার গুণ বেশি টাকা দাবি করে, যার কোনো রসিদ দেয় না। বাধ্য হয়ে সেই টাকা দিয়েই জমি রেজিস্ট্রি করি। পরে জানতে পারি, এই টাকার ভাগ সাব-রেজিস্ট্রারসহ অফিসের সবাই পান।
বিগত ০৮.০৬.২০২৬ খ্রি. তারিখে আমি নামজারির আবেদন করি। বিধি অনুযায়ী ২৮ কর্মদিবসের মধ্যে আবেদনটি নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও ০১.০৯.২০২৬ খ্রি. পর্যন্ত তা নিষ্পত্তি হয়নি। ১৯.০৭.২০২৬ খ্রি. তারিখে ইউয়িন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব)-এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অনলাইনে প্রতিবেদন দিয়ে নথিটি সহকারী কমিশনার-ভূমি মহোদয়ের নিকট প্রেরণ করেন। একই দিনে সহকারী কমিশনার-ভূমি মহোদয় পুনঃতদন্তের জন্য নথিটি পুনরায় তাঁর নিকট পাঠান। কিন্তু অদ্যাবধি তিনি পুনঃতদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেননি। উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা ছাড়া কাজ না করার অভিযোগ রয়েছে। নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন করার আশায় আমিও তাঁকে ২,০০০/- টাকা প্রদান করি; কিন্তু এরপরও তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কার্যক্রম সম্পন্ন না করে আবেদনটি ঝুলিয়ে রেখেছেন।
একটি বি আর এস খতিয়ানে জমী ৩০ একর ২৪ শতাংশ ভূমির মধ্যে ৯২ শতাংশ বাড়ি,এর মধ্যে চেকে লেখা ৯২০ টাকা, কিন্তু নেওয়া হইছে ১২০০০০, এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা।
নামজারি করতে নাকি অনেক ঝামেলা, সময় বেশি লাগে।এসিল্যান্ড সই করতে চায় না।টাকা না দিলে কাজ হবে না।
আমার কাছ থেকে জমির খারিজ করার জন্য ১০০০০ টাকা নিয়েছে।
জমি খারিজ এর জন্য টাকা লাগে ১২০০/- কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে ২৫০০০/-
আমি নামজারি করতে ভূমি অফিসের বিভিন্ন টেবিলে এই টাকা দিয়েছি, অনলাইনে আবেদন করেছিলাম আগে, সেখানে ভুল দেখিয়ে সেটা বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছিল, পরে টাকা দিয়ে সেগুলো পূণরায় আবার করিয়েছি,
সমস্ত টেবিল ঘুরে যখন এ্যাসিল্যান্ড এর টেবিলে যাবে এই কেস মঞ্জুর করার জন্য অফিস সহকারী ৫০০০ টাকা নিলো।
দলিল আনতে গিয়েছিলাম ২০০ টাকা ছাড়া দিবেনা। পরে ২০০ টাকা দিয়ে দলিল আনছি
আমি সেখানে আমার বাড়ির দলিল নিয়ে যাই বলি যে আমি জায়গাটি নতুন ক্রয় করেছি এটিকে নামজারি করতে হবে তুমি আমাকে বলল যে ১৫ হাজার টাকা খরচ হবে পরবর্তীতে আমি তাকে বলি যে কিছু কম রাখা যায় না তিনি আমাকে বলল লাস্ট ১৪ হাজার টাকা
আমার পৈতৃক সম্পত্তির আমার নামে নামজারি করলে উনারা ১৫০০০ টাকা দাবি করেন অথচ অনলাইনে নাম জারি খরচ দেখাচ্ছে মাত্র ১১৭০৳ টাকা।
Land mituation korar jonno ghush dita hoyasa.bola na hola kaj hoba na.
১১০০/- টাকার নামজারী ৭৫০০/- টাকা ছাড়া করা সম্ভব না। দাবীকৃত টাকা না দিলে নামজারী করে না। হাজার হাজার মানুষ বাধ্য হয়েই দাবীকৃত টাকা দিয়ে নামজারী করছে।
মিসকেস মামলায় বাদী পক্ষে র নিকট থেকে টাকা খেয়ে,এসিল্যান্ড বিবাদীর কাগজপত্র না দেখেই, জমাখারিজ ভেঙে ফেলেছে। বিবাদীর সাবকাওলা দলিল,দখল,খাজনা র রশিদ, ৩০ বছরের থাকা সত্ত্বেও।
জমি খারিজ করতে গিয়ে টাকা দাবি
সাধারণত খারিজ অনুমোদন করতে চাইলে যার কাছে যে রেট ২০০০ ৩০০০ ৫০০০ টাকা আদায় করে থাকে কানুনগো, তারা এই টাকা না পেলে খারিজ অনুমোদন করে না, ফাইল পরে থাকে টেবিলের কোনায়।
আমি জমি দখল এবং অবৈধভাবে বেচে দেওয়ার জন্য একটি আবেদন পত্র জমা দিতে চাই পাকশী ভূ-সম্পত্তি রেলওয়ে অফিসের অফিস সহায়ক শুধু একটি আবেদন পত্র জমা নিতেই ২০০০ টাকা দাবি করেন আমার কাছে ভিডিও রয়েছে
মা তার মেয়েকে দান পত্র দলীল দিয়ে ছিলো, ১৯৮৪ সনে, কিন্তু বর্তমান রেকর্ড তার মায়ের নামে হয়েছে, মেয়ের নামে নামজারী করতে যাওয়ার পরে তসিলদার প্রশ্ন করলো তখন রেকর্ড আপমার নামে নিলেন না কেনো, এখন ১৫০০০/- পনের হাজার লাগবে। মেয়ের উত্তর ছিলো আমার বয়স তখন ১০ বছর ছিলো।
আমি একটি জমির খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম আমার কাগজ পাতি সব ঠিক আছে তারপরও ওনারা কমিটি খারিজ করার জন্য আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছে তাছাড়া কাজ করবে না তাই আমি এটি প্রত্যাখ্যান করে চলে এসেছি