নামজারি
১১৭৫ টাকার নামজারী খতিয়ানের জন্য ১১০০০০/টাকা দিতে হয়েছে।অফিস সরাসরিই না বলে দিয়ে দালাল দেখিয়ে দিয়েছে।কেনা দলিল,বায়া দলিল,একইদাগের করা আগের নামজারী সব দেওয়ার পরও অফিস কাজ করে নি।পিওন থেকে এসি ল্যান্ড সবার আলাদা দালাল আছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১১৭৫ টাকার নামজারী খতিয়ানের জন্য ১১০০০০/টাকা দিতে হয়েছে।অফিস সরাসরিই না বলে দিয়ে দালাল দেখিয়ে দিয়েছে।কেনা দলিল,বায়া দলিল,একইদাগের করা আগের নামজারী সব দেওয়ার পরও অফিস কাজ করে নি।পিওন থেকে এসি ল্যান্ড সবার আলাদা দালাল আছে।
আমি একটি ১৫ শতক জমির নামজারী করতে গিয়েছিলাম তখন ধাপে ধাপে আমার কাছে থেকে ১৮০০০ টাকা নেওয়া হয়,,
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম,টাকা ছাড়া ফাইল পার করবে না,টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে বলেছিলেন।
ইউনিয়নের মধ্যে জমির খারিজ করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে ৬ শতক জমির জন্য তারা ৬ হাজার টাকা দাবি করে।প্রকৃত সরকারি ফি ১১০০ টাকা। অনেক কথা কাটাকাটির পরে তারা ৫ হাজার টাকার করে দিয়েছে।
জমি রেজিস্ট্রেশন এর জন্য শুনানীর দিন নির্ধারিত ছিল । সহকারী কমিশনার ভূমি এর শুনানী করেন। শুনানীর আগে সরকারী ফী সাথে অতিরিক্ত ৩০০০/- টাকা দাবি করা হয়। এগুলো কিসের ফী জিগ্যেস করলে বলা হয় এগুলো নাকি তাদের অফিস খরচ।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা মৌজার ভূমি জরিপ চলছে। এখানে একটা মৌজার কয়েকটা সিট ভাগ করে দিয়ে ৮/৯ জন সার্ভেয়ার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ভূমি জরিপ করার জন্য । তারা শুরুতে যার যার চিহ্নিত এলাকায় গেছেন সেখানে রাস্তা, জায়গায় সব মাপামাপি করার পর সকল জমির মালিকদের বলছেন আমরা (নির্দেশ একটা জায়গা উল্লেখ করে) ওখানে আমাদের ক্যাম্প স্থাপন করেছি আপনারা যার যার মালিকানার কাগজ নেয়ে আসেন আপনাদের নামে নতুন রেকর্ড নিয়ে যান। এরপর শুরু হলো তাদের ঘুস কারবার কেমন, কেউ তার কাগজ নিয়ে গেলে বলতেছে আপনার জায়গা কম আছে, আপনার জায়গা খাস এর ভিতরে ঢুকছে, আপনার জায়গার কাগজ মিল নাই, নাম অসুদ্ধ , রাস্তা ছাড়ছেন সেখানে বেশি জায়গা ঢুকছে, বাড়ির সামনে রাস্তা আছে ১২ ফুট কর্মকর্তা রাস্তা নকশায় আকছে ১৬ ফুট মানে বাড়ির জায়গা কমায় দিছে ।
গ্রামের জমির খাজনা বাবদ ঘুষ হিসেবে অতিরিক্ত ১০০০০/- টাকা চেয়েছিল আমি ৯০০০ /- টাকা দিয়ে ফয়সালা করি
আমি আমার জমির কাগজ বুঝতে গেছি সে বুঝায় দিয়ে নাস্তা খাওয়ার টাকা দেন৷ আমি ১০০ টাকা দিলাম কিন্তু সে ১০০ টাকা হাতে নিয়ে বলতে লাগলো এটা দিয়ে হবে না আরো লাগবে। নয়তো জমির কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেননা। ঐ সময় অনেক লোক ঢুকছে তাই আর কথা বাড়াতে চায় নাই তিনি। আমি কিছু ক্ষণ দেখলাম সবাইরে একে অবস্থা সবাই যার যার মতো করে ঘুষ নিতেছে। কৃষক যে দিগে যায় সে দিগেই লসে পড়ে যায়। না আছে শস্যর দাম না সার এর দাম তো আগুন ভূমি অফিস টাকা ছাড়া কথাই বলে না
১:-জমি নামজারি জন্য ৫ বার আবেদন করেও নামঞ্জুর হয়। গেলে বলেন ULAO নামঞ্জুর করেছে, ULAO কাছে গেলে বলে বলে তার এসিস্ট্যান্ট এর সাথে দেখা করেন। সেখানে তার সাথে দেখা করায় সে ৪৫০০০ টাকা চায় & ৩০০০০ হাজারে কণ্টাক কয়। কিন্তু সে করে দেয় না। টাকা চেয়ে নামজারি করবো না এই ব্যাপারে চাপ দিলে বলে সময় চায়। সময় দিয়েও কাজ হয়নি। কাগজ পত্রে কোন ঝামেলা নাই। তবে শুনেছি এই জমির দাগের কিছু একটা অংশ *খাস* আছে। কিন্তু জমিতে গিয়ে দেখা যায় যে জমি টুকু খাস তা একপাশে মার্ক করে সরকারি সাইনবোর্ড লাগানো আছে ভুমি অফিস কর্তৃক। ২:-আমার বাড়িতে একটা জমির খতিয়ান তুলতে গিয়ে একটা জেলায় যে সকল যায়গায় ভুমির খতিয়ান পেপার থাকার কথা সে সব যায়গা থেকে খতিয়ানের পাতা ছেড়া নোটিস দিয়েছে। বিসয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি।
আমাদের ইউনিয়নের ভূমি অফিসের পাশের দোকানদার দিয়ে ঘুষ বানিজ্য করা হয়। আমার বাবা কে মিউটেশন করার জন্য পাঠানো হয় ভুমি অফিসে সে দোকান থেকে আবেদন করার পরে বলে যে এটি সম্পূর্ন করার জন্য 5000 টাকা লাগবে তখন আব্বা জিজ্ঞাসা করল কেন 5000 টাকা দিতে হবে সে বলে আপনার আবেদন তারা দেখবে না যদি আপনি তাদের টাকা না দেন। আর এটাই হয় স্বাধারনত যদি টাকা দেয় তাহলে তারা কাজ করে আর না হলে পেন্ডিং রাখে। তবে তারা সরাসরি ঘুষ নেয় না থার্ট পাটি লোকের মাধ্যমে নেয়।
আমি একজন সংবাদকর্মী, আমার এলাকার এক ছোট ভাই তিনি সরকারী চাকরী করেন। হোসেনপুর উপজেলা জিনারী ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা তার কাছে জমির খারিজ করাতে যান তার তাছে ৭৪ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ভোক্তভোগী বিষয়টি আমার কাছে শেয়ার করেন। পরে ভূমি অফিসে ঐ কর্মকর্তা সাথে আমি ভূমি অফিসে গিয়ে কথা হলে আমার কাছেও ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে আমি চলে আসি
জমি খারিজ বা( নাম জারী)করার জন্যে বাড়তি ৮৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে, অন্যথায় কাজ করা যাবে না,
পৃথক খতিয়ান প্রস্তুতির আবেদন। ৩ বৎসর (২০২৩-২০২৬)কোনো কারণ না দর্শিয়ে আটক রেখেছে। সহকারী কমিশনার ভূমি অফিস। সকল ডকুমেন্টস জমা দেওয়া হয়েছে।
নামজারি দলিল যাচাই করে খসড়া খতিয়ান প্রস্তুত। আমার সব কাগজ ওকে থাকার পরও নায়েব সাব আমাকে বাহিরে চিপায় নিয়ে কিছু দিতে বলে। আমি বিব্রত হই। এরপর ৫০০ টাকা দিলে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে আরো ৫০০ টাকা সহ মোট ১০০০ টাকা দেই। এরপর কাজ করে দেয়।
ভূমি অফিস থেকে আমাকে অফার করেছে ১৮০০ টাকা দিবেন তাহলে আপনার কাজটা আগে করে দিব।
১/ একটা নকল উঠাতে সরকারি ফি ৬০ টাকা আর সে জায়গায় নেই পনেরশো টাকা. ২/আর আমি যদি আমার বাবার সম্পত্তি আমার অংশটুকু বিক্রি করতে চাই .দলিল করতে দলিলের খরচ ছাড়া আরো আট হাজার টাকা বেশি দিতে হয়. ৩/দাদার সম্পত্তির আমার অংশের টুকু বিক্রি করতে গেলে দলিল খরচ ছাড়া আরো দশ হাজার টাকা বেশি দিতে হয় না হলে তারা দলিল করে না. ৪/নামজারি করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা আর তারা নেই আট হাজার টাকা.
নামজারি আবেদন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আবেদনের হার্ডকপি জমা দিতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ৮০০০ টাকার নিচে কাজ করবে না বলে দেয়। এবং নানা ভুল খোজার চেষ্টা করে। যেমন দলিলে নামের আগে / পরে কোন পদবি বা বংশ উল্লেখ আছে কিনা। বায়া দলিলের মালিকের রেকর্ডীয় খতিয়ানে / দলিলে কোন পদবি বা বংশ বা গোত্র উল্লেখ আছে কিনা। নানাভাবে বিভ্রান্ত করে।
মিউটেশন করে দিবে। আপনাকে কিছু করতে হবে না শুধু দলিল খতিয়ান আইডি কার্ড দিবেন বাকি সব কাজ আমাদের ৭/৯ দিন পর মিউটেশন পেয়ে যাবেন সত্যি বলতে পেয়েও গেছি।
আমি একটা জমি নামজারী করব ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে তারা ৮০ হাজার টাকা দাবি করে
আমি আমার জমি খারিজ করার জন্য ভূমি আফিস গেলে, তারা আমার সব কাগজ দেখে বলে আপনার দাদার নামের আকার ভুল আছে, এটি হবে না, এটা ঠিক করে নিয়ে আসেন, আমি বললাম, এটা কথায় টিক করে পাওয়া যাই, তখন সেই লোকই আমাকে বলে এটা পৃথিবীর কোথায় ঠিক করে পাবেন না, এগুলো আমরা বাসায় টিক করি, সময় লাগে তার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে, তার পর অনেক ঘুরাঘুরি করে কোন উপায় না পেয়ে তার বাসায় গিয়ে ১৫ হাজার টাকায় খারিজ করে নিয়ে আসি।