নামজারি
নামজরির জন্য গাজীপুর সদরের মির্জাপুর ভূমি অফিসের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা ৫১ শতাংশ জমির নাম জারির জন্য ৫০০০০০ টাকা দাবি করেন,অবশেষে বিপদে পড়ে ৩০০০০০ টাকা দিয়ে মিমাংসা করা হয় এবং টাকা পরিশোধ করতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজরির জন্য গাজীপুর সদরের মির্জাপুর ভূমি অফিসের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা ৫১ শতাংশ জমির নাম জারির জন্য ৫০০০০০ টাকা দাবি করেন,অবশেষে বিপদে পড়ে ৩০০০০০ টাকা দিয়ে মিমাংসা করা হয় এবং টাকা পরিশোধ করতে হয়।
আমি আমার সমস্ত জমি জমার ট্যাক্স ক্জমা করার জন্য হোল্ডিং খুলতে গিয়েছিলাম, হয়রানি ও অবজ্ঞা, শেষমেশ আমাকে বাধ্য করে ১০০০ টাকা রশিদ ছাড়া, ও একাউন্ট খুলতে ৫০০ নিয়েছে,
আপনি যদি এই টাকা টা দেন তাহলে কাজ টা চালু হবে ভূমি অফিসের এসিল্যান্ড টাকা ছাড়া কিছু কাজ করে না এবং সকল কর্মকর্তা টাকা চাই
My Father died and I wanted to transfer in my name. After paying All fees they said Namjari of this Mouja has been stopped by higher authority. We cannot give report. If higher authority agrees then we can do. And Authority fee is 2 Lacs. Another table need 20000 and mine is 7000. If you can manage this it will only possible otherwise Namjari is stopped due to unknown reason no one knows.
পোনে একশত জায়গা মিউটেশন করার জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে তহসিলদার সাহেব টাকা দাবি করে তখন আমি প্রত্যাখ্যান করি
মিস কেস নথি ভোলায় ফরওয়ার্ডিং এর জন্য টাকা নেওয়া হয়।যদিও সেটা সম্পূর্ণ সরকারি খরচে যাওয়ার কথা।
খাস এর নাম করে ১.০০.০০০/=টাকার উপরে দাবি করে।দেই নি বলে খাজনা, নেয় না। এস এ দাগ নাকি খাস অথচ আমাদের সকল দলিল,আর,এস কাগজ আছে।
খাজনা আসছে ২ হাজার, দাবি করছে ৩৫ হাজার, তারপর ১০হাজারের মধ্যে নেগোসিয়েশন হয়
আমি নামজারি আবেদন করি কিন্তু ১ মাস পার হলেও নামজারি হয় না পরে যোগাযোগ করলে দেখা যায় তারা টাকার জন্য কাজ টা আটকে ধরে আছে পরে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে।
জমি খারিজ করার জন্য আবেদন করি। আজ হচ্ছে না কাল আসেন, এভাবে করে ৭ দিনের মতো ঘুরানোর পরে টাকা চায়। ৮০০০ টাকায় কাজটি করে দেয়।
জমি মিউটেশন করারা জন্য উপজেলা ভুমি অফিসে যাই। সেখানে সরাসরি কাজ করতে চাইলে অনেক দপ্তরে যেতে হবে। তারচেয় সহজ একজন মহুরির সহায়তা নিলে ভালো হবে। সেই মোতাবেক মহুরির কাছে যোগাযোগ করি। মহুরি সরকারি ফী সহ মোট ১০,০০০/- টাকা দাবি করে। এক টাকা ও কম হবে না সাফ জানায়। অন্যথায় অন্য ব্যবস্থা করেন। দূরত্ব বিবেচনা করে ০০.৪৫ জমি মিউটেশন করতে চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করি। অবশেষে সংশোধিত মিউটেশন রেকর্ড পাই।
আমার আমার নামের জমি আমার বড় ভাইকে দানপত্র দলিল করেছিলাম, প্রিয়ন দিতে হয়েছে ২০০ টাকা, সাব রেজিস্টার স্যারকে 10000 টাকা চেয়েছিল, আমরা অনেক জড়াজড়ি করে ৬০০০ টাকা দিয়েছি। উনি পিয়ন এর মাধ্যমে ঘোস লেনদেন করেন
ঠাকুরগাঁও ডিসি অফিসের ২৫ শতাংশ জমির খারিজ বাতিলের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫০০,০০০ টাকা চাওয়া হয়। না দিলে খারিজ বাতিল করে দেয়।
আমি একজন প্রবাসী , আমার জমির খাজনা ও দলিল অন্য জনের করে নিয়েছে, এখন আমার নামে সব করে দিবে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়েছি, এখনও আমার কাজ হয় নাই ,
নামজারী করতে ১০০০০ টাকা দিতে হবে, না দিলে ফাইল রিজেক্ট হবে।
খতিয়ানে নাম ভুল হয় এনআইডির সাথে মিল নাই এইটা ঠিক করার জন্য ৭০০০ টাকা দিয়ে ঠিক করে নিয়ে আসছি।
মোহরা /অথবা দালল টাইপের লোক মোহনপুর ভুমি অফিসে দুই শতক জমি দান রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য টাকা নেয়।
খতিয়ানের সাটিফিকেট কপি ১টি তুলা ৬০০ করে টাকা চাইছিল,আমি বললাম সরকারি ফি ১৬০ টাকা ডাকমাশুল সহ। তিনি বললেন এভাবে ১ মাসে ও পাবেন না, তাই বাধ্য হয়ে মুহুরীর মাধ্যমে ১২০০ টাকা দিয়ে ২ টি খতিয়ানের সাটিফিকেট কপি তুলেছি ১ সপ্তাহের মধ্যে।
অনলাইলে আবেদন করলাম। পেইন্ডিং। আবেদন এপ্রুভ হয় না। পরে অফিসে ২৩৮ টাকার খাজনা ৪ হাজার টাকা দাবি করল। না দিলে খাজনা রশিদ দিবে না; মানে পরিশোধিত হবে না। খাজনা পরিশোধ না হলে জমির দলিল হয় না। বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
নামজারী করতে তহসীলদার একজন একজন স্টাফের সাথে গোপনে কথা বলতে পাঠিয়ে দেয়। সে ৮০০ টাকা দাবি করে। পরে ৭৫০০ টাকায় রফা হয়। এটা ছিল আমার উপর জুলুম।