নামজারি
১১৫০ টাকার জায়গায় সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করা লাগে কলারোয়া উপজেলার এসিল্যান্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ভূমি অফিসে, দালাল ছাড়া তো সম্ভাব ই না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১১৫০ টাকার জায়গায় সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করা লাগে কলারোয়া উপজেলার এসিল্যান্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ভূমি অফিসে, দালাল ছাড়া তো সম্ভাব ই না।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা জ্বালানি তেলের পাইপলাইন স্থাপনের জন্য আমাদের জমি সরকার অধিগ্রহণ করে। সরকারি হিসাবে ৭,৩৭,০০০ টাকা নির্ধারণ হলেও বিভিন্ন কর্তনের পর বরাদ্দ হয় ৭,১৬,৭৩৪ টাকা। এই টাকা পেতে প্রায় আড়াই বছর বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুষও দিতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত চেক আসার পরও পাস করাতে ৪৬,০০০ টাকা দাবি করা হয়; বহু অনুরোধের পর ১৫,০০০ টাকা দিয়ে চেকটি পাস করাতে হয়েছে। সাধারণ মানুষের ন্যায্য পাওনা পেতে এমন হয়রানি ও ঘুষের শিকার হওয়া সত্যিই দুঃখজনক।
অনলাইলে আবেদন করলাম। পেইন্ডিং। আবেদন এপ্রুভ হয় না। পরে অফিসে ২৩৮ টাকার খাজনা ৪ হাজার টাকা দাবি করল। না দিলে খাজনা রশিদ দিবে না; মানে পরিশোধিত হবে না। খাজনা পরিশোধ না হলে জমির দলিল হয় না। বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
অতিরিক্ত আদায়,,, সরকারি ফি ছিল ৪০০০ হাজার আর আমার কাছ থেকে নিছে ১০০০০ হাজার
টাঙ্গাইল জেলার বাসার ভূমি অফিসে, জমির শ্রেণি পরিবর্তন করতে গেলে এসিল্যান্ড এবং সার্ভেয়ার এবং ফুলকি ইউনিয়নের ভূমি অফিসের কর্মকর্তা সবাই মিলে টাকা দাবি করে বিশ হাজার। টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় দুই বছরেও কাজ সম্পন্ন করে দেয়নি তারা।
জমি নামজারীর ক্ষেত্রে অফিসের কর্মীরা ঘুষ চাই
জমি নামজারি করার জন্য ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়
মানুষকে জিম্মি করে হয়রানি করে টাকা না দিলে কোন কাজ করে না 👍 বেলাবো, ভূমি অফিস বেলাবো -নরসিংদী। সরকারি ফ্রি থেকে ২০ হাজার ত্রিশ হাজার টাকা বেশি দাবি করে 👍দিতে না চাইলে তার কাজ বুলিয়ে রাখে করে না
আমি উর্ধত্মন কর্তৃপক্ষকে অর্থাৎ এসিল্যান্ড স্যার অবগত করি । এর পরে ও প্রতিবেদন দিতে অনেক দেরী করে এবং আমার কোন ডকুমেন্ট স না দেখেই আমার বিরুদ্ধ প্রতিবেদন দাখিল করেন।ফলে সেটি আর মামলা বা শুনানি হবে না বড়বাবু বলল। আমি অনেক রিকোয়েস্ট করে ফাইল টি চাইলাম দিলেন না উনি। এরপর এসিল্যান্ড স্যার কে বললে ফাইল টি দেখে আমার ডকুমেন্ট দেখে মামলা ফাইল করতে বললেন। এর পর একটি তারিখ হল শুনানির আমার ডকুমেন্ট এর প্রক্ষিতে আমার প্রতিপক্ষ কোন জবাব দিতে না পারায় সময় চেয়ে নেন। এ,পর এই স্যার বদলী হন। পরের তারিখ এ নতুন এসিল্যান্ড এর শোনানীতে উপস্থিত হই প্রতিপক্ষ অনুপস্থিত এসিল্যান্ড স্যার তহসিলদার এর প্রতিবেদন এর উপর নির্ভর করে মিস কেইস আবেদন না মঞ্জুর করেন। তহসিলদার এর নামে অভিযোগ দাখিল করেও কোন প্রতিকার প
আমার আব্বার জায়গা আমার আব্বার নামের পরিবর্তে আমার চাচার নাম চলে আসে, পরবর্তী তে আমার চাচার উত্তরাধিকারগণ দলিল করে জমি দেন এবং জমি রেজিস্ট্রি করার পর ভূমি অফিস থেকে জমি খারিজ করার সময় আমার খুব ক্লোজ বন্ধুর আপন বড় ভাই সিস্টেমে ঘুষ নেন এসিল্যান্ডের কথা বলে৷ এবং যে ঘুষ নিয়ে দেয়, তাকে রিকুয়েষ্ট করে আমাকে না জানানোর জন্য৷ বর্তমানে এই লোকটি আবার কমলগঞ্জ ভূমি অফিসে কর্মরত আছে৷ আমি এই ঘুষের বিষয়টা যে দিয়েছিলো তার কাছ থেকে ১ মাস আগে সম্পূর্ণ কাহিনী শুনি এবং অনেক খারাপ লেগেছিলো।
আমাকে জমির নকলের কপি বের করে দেওয়ার জন্য প্রতি দলিল বাবদ ২৫০০ টাকা করে নিছে, যা সরকারি মূল্য কয়েক গুন কম।
আমাদের খতিয়ান অন্য ব্যক্তির নামে করিয়ে দিয়েছে
Mutation Khatian. After purchasing land every body need to apply for mutation khatian or kharij khatian. When we applied for this, they wanted BDT 5000, finally the deal was with BDT 4500. I gave him 2500 in advance. But later he was killing time with lame excuse. That's why I contacted with senior management and finally I got return the excess amount with Mutation Khatian.
জমি বিক্রি করবো।তাই খারিজ করার জন্য দরকার ছিল।সরকারি রেট ১১৭০ টাকা।কিন্তু ১৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করেছিল।
It is usual that they take 2,000 taka to open the holding number after Mutation.
আমার জমির সব কাগজ পত্র ঠিক ছিল।আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নামজারি করার জন্য গিয়েছিলাম । তখন যিনি তশীলদার ছিলেন যে বলে এইটার জন্য খরচ লাগবে বললে আমি বলি সে সরকারি খরচ ১১০০ টাকা সামথিং যা আমি দিবো কিন্তু সে তখন বলে যে আপনাদের জনি নামজারী হবে না। আরো কাগজ লাগবে কিন্তু কি কাগজ লাগবে তা বলে নাই। পরে অন্য একজন এর মাধ্যমে তার কাছে আবার যাই তখন অফিসার কে ৭০০০ টাকা দেয়া লাগছে। কিন্তু অতিরিক্ত কোন কাগজ লাগে নাই। আগে যা ছিলো তাই দিছিলাম। কিন্তু সে টাকা দেই নাই তাই করে দেয় নাই।
জমি খারিজ, ২০২১ সাল ৮,০০০ টাকা দিয়েছি।
আমি একটা নতুন জমিয়ে রাখি কিন্তু জমিটা নাম জারি করার জন্য সরকারি ভূমি অফিসে আবেদন করা হয় কিন্তু সেটা থেকে আমাকে বারবার আবেদন হবে না নাম ধরে হবে না বলে জানিয়ে দেয় কিন্তু অবশেষে জানতে পারলাম সেখানে সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী ১৬০০ সাম্থিং টাকায় নাম জানি হয় কিন্তু উনি এই জমির জন্য আমার কাছে ৫ শতাংশ হাজার টাকা করে ঘুরছে একপর্যায়ে আমি তাকে ৪৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়
নামজারি করাতে গেলে জমির শ্রেনী মাটিয়াল এবং ধানীর জন্য অতিরিক্ত ৩০০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছে।
জমির খাজনা দিতে চাচ্ছি। উনি আমাকে জানিয়েছে উনার সারভারে সমস্যা। এটআ হবে না। পরে এলাকার পরিচিত একজন একটু নেতা টাইপ। উনাকে নিয়ে গেলাম উনি গিয়ে বল্ল খাজনা দিব জমির বল্ল হবে। টাকা লাগবে কিছু বেশি। ৫ মিনিটের ভিতরে কায হয়ে গেল। কিন্তু আমি যখন বললাম সারভারে সমস্যা বাহিরের দোকান থেকে করে নেন কত রাস্তা দেখায়ল। এখন ৫০০ টাকা বেশি নিয়ে কায করে দিল?