জমির নামজারি বা খারিজ
নামজারি করাতে গেলে জমির শ্রেনী মাটিয়াল এবং ধানীর জন্য অতিরিক্ত ৩০০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করাতে গেলে জমির শ্রেনী মাটিয়াল এবং ধানীর জন্য অতিরিক্ত ৩০০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছে।
আমি একটা নতুন জমিয়ে রাখি কিন্তু জমিটা নাম জারি করার জন্য সরকারি ভূমি অফিসে আবেদন করা হয় কিন্তু সেটা থেকে আমাকে বারবার আবেদন হবে না নাম ধরে হবে না বলে জানিয়ে দেয় কিন্তু অবশেষে জানতে পারলাম সেখানে সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী ১৬০০ সাম্থিং টাকায় নাম জানি হয় কিন্তু উনি এই জমির জন্য আমার কাছে ৫ শতাংশ হাজার টাকা করে ঘুরছে একপর্যায়ে আমি তাকে ৪৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়
জমির খাজনা দিতে চাচ্ছি। উনি আমাকে জানিয়েছে উনার সারভারে সমস্যা। এটআ হবে না। পরে এলাকার পরিচিত একজন একটু নেতা টাইপ। উনাকে নিয়ে গেলাম উনি গিয়ে বল্ল খাজনা দিব জমির বল্ল হবে। টাকা লাগবে কিছু বেশি। ৫ মিনিটের ভিতরে কায হয়ে গেল। কিন্তু আমি যখন বললাম সারভারে সমস্যা বাহিরের দোকান থেকে করে নেন কত রাস্তা দেখায়ল। এখন ৫০০ টাকা বেশি নিয়ে কায করে দিল?
ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস তহশিলদার ও তার সহকারী নামজারির খসড়া খতিয়ান প্রস্তাব এর জন্য 2500 টাকা দাবী করে। আমি 2000 টাকা দিছি কিন্ত তারা খতিয়ান প্রস্তাব না করে প্রতিবেদন দেয়া, ফলে আমার নামজারি টা বাতিল হয়ে যায়।
গ্রহিতার আইডি কার্ডে মায়ের নাম রোকিয়া খানম, দাতার আইডিকার্ডের নাম রোকিয়া বেগম।
Family property mutation procedure e 1.00lac+ niyeche aro dabi kore delay kortece.
আমাকে বলা হয়েছিল খাজনা ১২০০০ টাকা দিতে হবে আমি দিয়েছি আমাকে রশিদ দিয়েছে ৮৬০ টাকা তখন প্রতিবাদ করলে বলে কিছু করার নেই তখন আমি অনেক সময় তর্ক বিতর্ক করে ওদের সাথে পারছিনা খাজনা ১২০০০ টাকা দিতে আমি বাধ্য হই কারণ আমি ওই জায়গাটা রেজিস্টারি করব তাই
খারিজের আবেদন বার বার বাতিল করা হয়েছে কোন কারন ছাড়াই
ধর্মপাশা উপজেলার টেন্ডারে একটি জলমহালের রিপোর্ট দেয়ার জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি তিন লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করা হয়। এটা গত ফেব্রুয়ারির ঘটনা।
রংপুরের শালবন পৌর ভূমি অফিস রংপুর সদর উপজেলা ও মহানগর ... টাকা ছাড়া তারা কোনোভাবেই, মিউটেশন খতিয়ান আবেদন DCR নতুন জমা নেনে না। অফিসে এ গেলেই চুক্তি করে এতো টাকা লাগবে। তাও ৩ মাস পরে কাজ করে দিসে। বিশেষ করে মুরুব্বি দেড় ঘুরে, ইয়ং হইলেও টাকা আবদার করে, টাকা ছাড়া কোন কাজ এ হবে না।
আমি আদালতের রায় ডিগ্রি মূলে নিজ নামে খতিয়ান করার জন্য ভূমি অফিস যাই।ভূমি অফিস থেকে আমাকে মিস কেস করতে বলে।মিস কেস করার পর একেক বার একেক দরনের কথা বলে আমাকে ঘুরাইতে থাকে দীর্ঘ চার বছর এবং আমাকে দিয়ে তিন বার মিস কেস করায় এবং নানান অজুহাতে ৫০০-১,০০০ টাকা করে চার বছরে প্রায় ১৭০০০টাকা নেয়। কিন্তু দিন শেষে আমার কোন কাজ হয় নাই। পরে অফিসের একজন বলে ভাই এভাবে আসবেন যাবেন টাকা দিবেন কোন কাজ হবে না আপনি উনার সাথে কন্টাক করেন কাজ হয়ে যাবে। পরে ঐ অফিসারের সাথে কথা বলে কন্টাক করি ৪০,০০০ টাকা তার পর মাত্র ৭ দিনে আমার কাজ হয়ে যায়। যদি শুরুতে আমি কন্টাক করে কাজটা করতাম সময় বাছতো হয়তো এতগুলো টাকাও লাগতো না। এখন নিজে নিজে অঙ্গীকার করছি বৈধ ভাবে আর কোন কাজ করাবো না।কারন এই দেশে বৈধ কাজ করাতে গেলে জুতার তলা ক্ষয়
মিউটেশন করতে গেছিলাম, জমির হাল দাগ সব ঠিক ই আছে। তারপর ও দাবি করেছে। পরে টাকা দেয়ার পর মিউটেশন এপ্রুভ করেছে।
১২ শতাংশ জমির নামজারি করার জন্য গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তারা বলেছে আপনি আপনার থেকে আবেদন করুন এরপর আমরা পর্যালোচনা করব। আমি চিন্তা করলাম এর আগে আমি আবেদন করে আবেদনে ভুল হয়েছে তাই তাদের সাথে আলোচনা করলাম বিস্তারিত পরে আমার বক্তব্য শুনে বলল আমরা যদি আবেদন থেকে শুরু করে সবকিছু করি তাহলে টাকা লাগবে ২০০০০ এর কম হলে হবে না। পরে আমি অফার করলাম ১০০০০৳ রাজি হয়নি পরে না করে চলে এসেছি। এ দেশে ঘুষ দিলে সবকিছুই সম্ভব।
ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হলে অনলাইন করতে হয় খতিয়ান ।এই কাজের জন্য আপনি খুশি হয়ে যদি নাস্তা বাবদ কিছু দেন সেটা ভিন্ন ।কিন্তু কাজ করার পরে আমার পকেটে প্রায় 5000 টাকা ছিল তা দেখে 1500 টাকা ছাড়া নিবে না ।
চাঁদপুর থানা দিন কচুয়া থানা ১১৫ নম্বর মৌজা এবং 16 নম্বর মৌজা নাম খারিজ করার জন্য এবং রেজিস্ট করার জন্য এই টাকা পরিশোধ করেছি
দামিহা ভূমি অফিস, তাড়াইল উপজেলায় একটা খারিজের নাম জারির জন্য আবেদন করলে তারা আমাদের বিভিন্ন তালবাহানা করে ঘুরাতে থাকে। প্রায় অনেক দিন যাওয়ার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিসার আমাদের কাছে ১০০০০/- টাকা দাবি করে। আমরা বললাম ঠিক আছে ভিজিটি করতে আসেন টাকা দিয়ে দিব। ভিজিট করতে আসলে ১০০০০/- টাকা দিলে উনি বলে আমার সাথে যে আসছে উনাকেউ ১০০০/- টাকা দেন কি করবো উনাকেউ দিলাম। মোট ১১০০০/- টাকা দিলাম। তার পর ৮ মাসে আমাদের খারিজ আসলো।
দলিলে জায়গার পরিমান ভুল ছিল ঠিক করার জন্য আবেদন করা হয়। এরপর ভূমি অফিসে গেলে সব কাগজ-পত্রের কথা বললে তা দেওয়া হয় এবং এক পিওন খরচ বাবদ ১০০০ টাকা দিতে বলে। সবাই যেহেতু ১০০০/২০০০ দেয় এইরকম কাজের জন্য, আর না দিলে যদি কাজ ঠিকভাবে না হয়, তাই দিয়ে দিলাম। বাংলাদেশের সব ভূমি অফিসেই কম বেশি এরকম টাকা নেয়। তারা কাজের বাহানায় অতিরিক্ত টাকা নেয়াটা একটা একরকম জায়েজ মনে করে।
ধরুন একটা জমির মালিক বাবা মারা যাওয়ার পরে জমি টি মিউটেশন করে আমাদের ভাই-বোনদের নামে আনার জন্য তশিলদার এসিল্যানড অফিস তারা ঘুষ ছাড়া মিউটেশন করে না আর যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তাহলে হয়রানির পর হয়রানি করতেই থাকে তাদের কাছে হাজিরার নামে দিনের পর দিন দিন ধার্য করে ।
ডিসিআর জায়গা সার্বে করবো এর জন্য দিতে হবে
আমার এলাকায় কোর্টস অব ওয়ার্ডস আছে বলে তহসিলদার মিউটেশন বা নামজারি করে দিবেনা বলেন। কিন্তু সেম খতিয়ান থেকে অন্য একজন ঘুষ দিয়ে নামজারি করে নেয়। সেটা এসিল্যান্ড অফিসকে জানানোর পরেও প্রতিকার মেলেনি কোনো। তাদের দাবি এই খতিয়ান থেকে নামজারি হবেনা। আগের কর্মকর্তা ঘুষ খেয়ে করতে পারে। এমন ভাষ্য ছিল তাদের।