নামজারি
বেতকা ইউনিয়নের ভূমি অফিসে চলছে ঘুষের রমরমা ব্যবসা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বেতকা ইউনিয়নের ভূমি অফিসে চলছে ঘুষের রমরমা ব্যবসা
শুরু করিতেছি মহান রাব্বুল আলামিনের নামে ঘটনাটি ছিল নাজিরপুর পিরোজপুরের জমি সংক্রান্ত বিষয় আমাদের নিজেদের জায়গা অন্য একজনে রেকর্ড করিয়ে নিয়ে যায় পরবর্তীকালে আমাদের নামে ওই জায়গাটা রেকর্ড করে আনতে আমাদের ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ভূমি অফিসার কে পরবর্তীকালে আমাদের উকিল মারা যাওয়া আমাদের প্রতিবেশীরা আবার তাদের নামে ওই জায়গাটা রেকর্ড করে নিয়ে যায় আমাদের প্রতিবেশীরা অনেক প্রভাবশালী থাকা সত্ত্বে আমরা ওই জায়গাটা আর আমাদের নামে আনতে পারছি না এখন প্রচুর পরিমাণে ঘুষ দিতে হচ্ছে আমাদের এই হচ্ছে এই দেশের অবস্থা কি বলবো আমার বলার ভাষা খুজে পাচ্ছি না ধন্যবাদ ghush.site ke যে আমার মনের কথা খুলে বলতে পারলাম |
আমি নিজের আবেদন নিজেই করেছিলাম। পরে অফিসে কাগজ জমা দিতে গেলে তারা বলে বড় স্যার ব্যস্ত আছে অনেক সময় লাগবে। আপনি ফাইল রেখে যান কোন একদিন হয়ে যাবে। পরবর্তীতে সাড়া দিয়ে বললো এক হাজার টাকা দেন পাঁচ মিনিটের ভিতরে সিগনেচার করে দিচ্ছি পরে আমি টাকাটা পরিশোধ করলাম এবং সত্যি ৫ মিনিটের ভিতরে সিগনেচার করে দিল। এই ফাইলটি পরবর্তীতে নড়াইল কাচারিতে তিন মাস ধরে পড়ে আছে টাকা না দেওয়ার জন্য।
আমার জমির রেজিস্ট্রার দলিল থাকার পরেও আমার নামজারি আমার অজ্ঞাতে পুর্বের মালিকের (যার কাছে থেকে কিনেছি) সন্তানের নামে নামজারি করে। নামজারি বাতিল করে আমার নামে রেজিস্ট্রি দলিল থাকা সাপেক্ষে নামজারির আবেদন করলে এসিল্যান্ড অফিস ১০০০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে।
আমি আমার জমির খাজনা দিতে যাই। জমিটা তিন জনের নামে। ভুমি অফিসে খাজনা দিতে গিয়ে জানতে পারি পূর্বের খাজনার কাগজ লাগবে। তখন আমি অনলাইনে খাজনা দেওয়ার জন্য ভুমি সেবাতে আইডি খুলি। কিন্তু নায়েব এপ্রুভ না করে তালবাহানা শুরু করে। ১৫ দিন ঘুরে টাকা দিয়ে তারপর অনলাইন এপ্রুভ করে খাজনা পরিশোধ করি।
আমি সরাসরি ভুমি অফিসে গেলে তারা কোন কথা বলেনা ওমুকের কাছে যান তমুকের কাছে যান বলে মুল কথা সরাসরি কোন কাজ হবেনা দালাল দরে করতে হবে লাস্ট আমি সঠিকভাবে করতে ব্যাথ হয়ে দালাল দিয়ে ৭০০০ টাকা পরিশোধ করে জমি খারিজ করতে হয়েছে
৫ মাস ধরে ঘুরাচ্ছে। একটা নোটিস করতে ২ মাস সময় নেয়। পরে নিরুপায় হয়ে ২০০০০/- টাকা দিয়ে মিস কসে করছি।
Amr baba property heba korte giyacilo,150000 tk cayece ,haluaghat sorkari vumi office
মিস্কেসে এর জন্য টাকা লাগবে
ভূমি অফিসে নায়েব এই টাকা চাইছে। কিন্তু জমি আমরা ৪০ বছর দখলে।
চাঁদপুরে হানারচর ভুমি অফিসে যিনি প্রধান কর্মকর্তা একজন মহিলা, তার সহকারি বালাম খাতা দেখেন মোটা করে মহিলা অনারা টাকা ছাড়া কোনো কাজই করে না, টাকা ছাড়া অনেক ঘুরায়,আজ না কাল, রবি বারে আসেন, শনি বারে আসেন এভাবে ঘুরায় যতক্ষন না টাকার কথা বলছে এভাবে অড়া ঘুরায় দাখিলা, বা খারিজ এর ক্ষেত্রে অনেক টাকা নেয় দাখিলা ২ হাজার, জমি খারিজ ৯ হাজার নেয়।
নিজের নামে দলিল নামজারি করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মচারির কাছে গিয়ে সহয়তা চাইলে তিনি বলেন হবে তার জন্য এ করতে হবে ও করতে হবে দলীল প্রতি ৫ হাজার আবার অনেক দিনের পুরাতন কাগজ তুলা লাগবে আবেদন খরচ আছে ইত্যাদি বুঝিয়ে টাকা দাবি করে ২৫০০০ টাকা
খারিজের আবেদন করতে গেলে আবেদন খরচসহ ৮ হাজার টাকা দাবি করে। না দিলে ভূমির খারিজ দেয় না। ঘোরাঘুরি করে।
আমরা সমিতির মাধ্যমে জমি ক্রয় করি আমাদের শেয়ার বেশি হওয়ায় অফিস খরচ চা নাস্তা বাবদ 10000 চেয়েছিল।
নামজারি করতে আমরা জানি ১১৭০ টাকা লাগে কিন্তু সেখানে কি হয় না নানান কাগজের সমস্যা এটা সেটা বইলা তারা সবকিছু ঠিক কইরা দিবে এগুলা বলে ৮000 টাকা নেয়? বাংলাদেশের প্রত্যেকটা খাতই ঘুষের প্রস্তাব বেশি থাকে ভূমি অফিস সরকারি সবখাতে পাসপোর্ট অফিস
জমি খারিজ করতে গিয়ে শুনানির দিন টাকা লেগেছিলো নয়তো তা বাতিল করে দিতো।
আমি নতুন ১ টুকরো জমি ক্রয় করি। নামজারি করতে চাই।ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ ৃ।ইউনিয়ন ভূমি অফিসার বলে ৮০০০ টাকা লাগবে আপনার কাজ করে দিবো।আমি তার আবেদনে সারা দেই নি।
সরকারি ফিসের বাহিরে ১২০০০ টাকা নিয়েছে। সরকারি ফিস ১১৫০ টাকা
আমার জমির হোল্ডিং খোলার প্রয়োজন ছিল ভূমি অফিসে যাওয়ার পর তারা বলেছিল এসি ল্যান্ড এর কাছে যেতে এবং এতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে কিন্তু আমার হোল্ডিং নাম্বারটি অতি শীঘ্রই প্রয়োজন ছিল তখন তারা ব্যবস্থা করে দিতে চাইল এবং যে পিওন আছে সে এর বিনিময়ে কিছু অর্থ দাবি করেছিল না দিয়ে কোন উপায় ছিল না কারণ কাজটি করা আমার দরকার ছিল. আরো অনেকবার ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম কোনো বারোই সরকার নির্ধারিত ফি দিয়ে কাজ করতে পারিনি বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে
জমি খারিজ করতে দেওয়ার পর একটা ভুল ধরে যে ৯ শতাংশ জমিতে দখলের কলামে একজনের নাম লেখা আছে (বাড়ি)। ৫২ বছর আগের রেকর্ড। কিন্তু সে জমির মালিক না এবং এখন দখলেও নাই। তাই নামজারি করতে দিবে না। কিন্তু ৩০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর আর কোন আপত্তি না করে কাজ করে দিয়েছে।