নামজারি
নামজারি করতে আমরা জানি ১১৭০ টাকা লাগে কিন্তু সেখানে কি হয় না নানান কাগজের সমস্যা এটা সেটা বইলা তারা সবকিছু ঠিক কইরা দিবে এগুলা বলে ৮000 টাকা নেয়? বাংলাদেশের প্রত্যেকটা খাতই ঘুষের প্রস্তাব বেশি থাকে ভূমি অফিস সরকারি সবখাতে পাসপোর্ট অফিস
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করতে আমরা জানি ১১৭০ টাকা লাগে কিন্তু সেখানে কি হয় না নানান কাগজের সমস্যা এটা সেটা বইলা তারা সবকিছু ঠিক কইরা দিবে এগুলা বলে ৮000 টাকা নেয়? বাংলাদেশের প্রত্যেকটা খাতই ঘুষের প্রস্তাব বেশি থাকে ভূমি অফিস সরকারি সবখাতে পাসপোর্ট অফিস
আমি নতুন ১ টুকরো জমি ক্রয় করি। নামজারি করতে চাই।ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ ৃ।ইউনিয়ন ভূমি অফিসার বলে ৮০০০ টাকা লাগবে আপনার কাজ করে দিবো।আমি তার আবেদনে সারা দেই নি।
আমি জমির খারিজ করতে এ গিয়েছিলাম তারা আমার কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা চেয়েছে।আমার সব ঠিকঠাক ছিল
জমি খারিজ করতে দেওয়ার পর একটা ভুল ধরে যে ৯ শতাংশ জমিতে দখলের কলামে একজনের নাম লেখা আছে (বাড়ি)। ৫২ বছর আগের রেকর্ড। কিন্তু সে জমির মালিক না এবং এখন দখলেও নাই। তাই নামজারি করতে দিবে না। কিন্তু ৩০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর আর কোন আপত্তি না করে কাজ করে দিয়েছে।
আমি একটা জমি ক্রয় করেছি। নামজারী করতে শিবচর থানাধীন, উমেদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস গিয়েছিল। যেখানে নামজারী করতে ১১০০/- টাকা। খরচ হয় সে খানে আমার থেকে ৩০,০০০/- টাকা দাবি করছে। এই টাকা না দিলে সে নামজারী করে দিবে না।কিন্তু আমি প্রত্যাখান করেছি।আজ প্রর্যন্ত নামজারী করতে পারি নি।
দলিলের ভুল ধরে নামজারি হবে না জানিয়ে দেয়, পরে ফোন দিয়ে ৫০,০০০/- টাকা হলে কাজ করে দিবে জানায়।
খাজনা রশিদ সহ যাবতীয় কাগজ থাকা সত্ত্বেও চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকার দাবী ভূমি প্রধান সহকারীর
বণ্টনামা দলিল আছে, পারিবারিক জমি খারিজ করার জন্য দেওয়া হয়েছে, তাতে ২৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়েছে,সরকারি খরচের বাহিরে ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে।
নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। সেনাবাহিনী সদস্য বলে সরাসরি কোন টাকা চায় না। কিন্তু ডকুমেন্ট দলিলাদি সবকিছু ঠিক থাকার পরেও আবেদন খারিজ করা হয়। খারিজের কারণ জানতে গেলে একেক সময় একেক কারণ দেখিয়ে দেওয়া হয়। কোন পরামর্শ চাইলে অসহযোগিতা এবং দুর্ব্যবহার করা হয়।
রেলওয়ে যাওয়া জমির টাকা উত্তোলনের জন্য সর্বমোট ১২% চেয়েছিল
আমি নতুন একটি পাঁচ শতক জমি ক্রয় করি। যার খাজনা খারিজ করার জন্য ধামুরহাট ভূমি অফিসে যাই। সেখানকার দায়িত্ব রত নাজির আমাকে বলে জমি খারিজ করতে ৯ হাজার টাকা খরচ হবে। এসিল্যান্ড স্যার সই করার জন্য ২০০০ টাকা নিবে তারপরে অফিসাররা নিবে সব মিলিয়ে মোট অফিস খরচ ৯ হাজার টাকা দাবি করে। এর কমে হবে না। আমি বাধ্য হয়ে রাজি হই এবং ৯০০০ টাকা প্রদান করি তারপর আমার খারিস সম্পূর্ণ করে দেয়।
আমি ১৯৭৭ সালের একটি দলিলেরসার্টিফাই কফির জন্য আবেদন করেছিলাম আমার নিকট থেকে ২৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে অনেক বেশি। সরকারি পি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা হইতে পারে। কিন্তু আমার থেকে নেওয়া হয়েছে ২০০৭০০ টাকা।
আমার একটি খতিয়ানের আমার পিতার অংশ আমার চাচার নামে চলে যায়।পরে ac land শরীয়তপুর সদর এ আবেদন করলে।তহসিলদার ধাপে ধাপে আমার কে থেকে 9500টাকা নেয়।টাকা না দিলে কাজ করে না।পরে ac land অফিস এর বিভিন্ন কর্মকতা আরো 8000 টাকা নেয়।পরে DCR কাটতে ২০০০ টাকা নেয়।এখনো DCR দেয় নাই ১০০০টাকাতে অতিরিক্ত নিয়ে ও দেয় না।আরো বেশি দিতে বলে। আমি ডিসিআর আনতে পারি নাই
নামজারি করতে গেলে বলে এই দাগে সমস্যা আছে তাই ১ লাখ টাকা লাগবে। কী সমস্যা তা বলে না। আগের মালিক কীভাবে নামজারি করেছিল জানতে চাইলে বলে সেও টাকা দিয়ে নামজারি করেছিল। এইভাবেই নাকি চলতে থাকবে আজীবন। আমার যেহেতু নামজারি করা জরুরী ছিল তাই ফেলে না রেখে তাদের দাবি মেনে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
আমার জমি নামজারী জন্য এবং জয় কালী মন্দিরের অফিসে অনেক টাকা লেনদেন হয় প্রধান অফিসার অনেক টাকার মালিক একটা পিয়ন কোটি টাকার মালিক আমার টা প্রকাশ করে আমি ভুক্তভোগী কারণ এখানে অফিসার অনেক ঘুষ খড়
মুন্সীগঞ্জে এর টংগীবাড়ী থানাধীন হাসাইল বাজার ভূমি অফিস এর অফিসার আমার কাছে খাজনা দেওয়ার জন্য ১০০০০ হাজার টাকা দাবী করে (আমাদের ৫ভাই্য়ের সম্পতির খাজনা) পরে আমি ১০০০০ টাকা দিয়ে খাজনা অনলাইন করে নিই।
নামজারি সংক্রান্ত ১০হাজার এবং ভূমি উন্নয়ন কর অতিরিক্ত চাওয়া হয়। ও খতিয়ান উত্তোলন সংক্রান্ত চর আলগী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ৩০০ /৫০০ শ টাকা করে চাওয়া হয় কি ইউনিয়ন ও চর কলাকোপা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চরম ভোগান্তি ও নামজারীতে ১৫/২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। ঠিকমতো অফিসে আসে না এবং পাবলিক সার্ভিস দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উৎশৃংখল আচরণ করা অফিসের পিয়ন এবং কর্মকর্তারা।
নামজারি/খারিজ প্রথম ইউনিয়ন ভূমি অফিস নায়েব 4000 পারে উপজেলা ভূমি অফিসে 60000 টাকা নিয়ে তাদের টাকা দিতে হয় কম্পিউটার অপারেটর মধ্যে উপজেলা দারোয়ান এর মাধ্যমে দিতে হয়
এসিল্যান্ড অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ১ লাখ টাকা চাইছে
১১৭০ টাকার আবেদন ৪/৫ হাজার টাকা লাগে যা না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে সেই কাজ নাকোচ করে দেয়।