নাই
এসিল্যান্ড অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ১ লাখ টাকা চাইছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এসিল্যান্ড অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ১ লাখ টাকা চাইছে
বিষয়: অতিরিক্ত অর্থ দাবি, হুমকি প্রদান এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে অভিযোগ। আমার দাদার সম্পত্তি পরবর্তীতে আমার বাবা, চাচা ও অন্যান্য ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগ-বণ্টন করা হয়। ভাগ-বণ্টনের মাধ্যমে আমার বাবা যে জমি পান, সেই জমি নামজারি করার জন্য আমরা ভূমি অফিসে যাই। নামজারির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা আমাদের কাছে সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা দাবি করেন এবং জানান যে, এর চেয়ে কম টাকায় নামজারি করা সম্ভব নয়। অথচ নামজারির জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা বলে আমরা জানতে পারি। বিষয়টি নিয়ে আমি তার সঙ্গে কথা বললে একপর্যায়ে তর্কের সৃষ্টি হয়। তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন যে, আমার জমিগুলোকে খাস জমি হিসেবে দেখিয়ে দখল করে নেবেন এবং আরও বিভিন
চট্টগ্রাম শহরে আমার একটি বাড়ি আছে। আমি সবসময় সঠিকভাবে খাজনা পরিশোধ করতেছি। ২০১৯ সালের আমি নাম জারি খাজনা অনলাইন করি।২০২৫ সালের যখন আমি খাজনা দিতে যাই তখন দেখতে পাই অনলাইনে আমার নামজারি নম্বর দেখাইতেছে না। ভূমি অফিসে জিজ্ঞাসা করার পরে তারা বলেছে ডিলিট হয়ে গেছে। নতুন করে করতে হবে। নতুন করে করতে আমাকে এক বছরের বেশি সময় লেগে গিয়েছে এখনো কাজটি হয়নি। সাগরিকা ভূমি অফিস ও একে খান ভূমি অফিস আমাকে ঘুরতে ঘুরতে পায়ের জুতা হয়ে গেছে। এক লক্ষ টাকার বেশি আমি ঘুষ দিয়েছি তারপরে দিও কাজটি হয়নি ।এখন আমি কি করবো আপনারা একটু জানান। আমি দুদক ও ভূমি মন্ত্রলা ইমেইল করেছি কোন উত্তর পাইনি।
টাকা নিয়ে নামজারি করে দিচ্ছে না।আট মাস
জমি খারিজ ঘুষ ছাড়া কখনো হয়না, এই ইউপি নায়েব অফিস থেকে
আমি খারিজ করতে গেলাম পড়ে ওরা ভূমি অফিস থাকা লম্বা দাঁড়িওয়ালা সাধু আমারে কয় 7000 টাকা লাগবো। আমি বলছি ফি তো 1170 টাকা। পড়ে আমি নিজেই আবেদন করি। তারা ভুল তথ্য দিয়া আবেদন টা বাতিল করে দেয়। পড়ে সে চায় 8000 টাকা। কি আর করার টাকা দিছি আর এক সপ্তাহে কাজ হয়ে যায়। এই নিয়ে আমার ওদের সাথে অনেক কথা কথা কাটাকাটি ও আমাকে হুমকি ও দেওয়া হয় এবং আমার বাড়িতেও তারা লোক পাঠিয়ে হয়রানি করে আসে। এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা।
আমি জমি ক্রয় করেছি, নামজারিও করছি কিন্তু নতুন রেকড আসছে ওরা বলতেছে ওদের টাকা না দিলে আগে যাদের জমি ছিলো তাদের নামেই রেকড হয়ে যাবে। আমাদের এলাকার সবায় তাদেরকে টাকা দিতেছে তাদের ক্রয় করা জমির জন্য
নামজারির কাজ শুরু করার জন্য টাকা দিতে হবে।
নামজারি। আমি বাস্তবে দেখতে পেলাম আমি ছাড়া সবার কাছ থেকে সে টাকা চেয়ে নিচ্ছে।তা না হলে দেয় না। সে বলে টাকা দিলে কাজ হবে।তার কিছু দালাল আছে তারা ও সেই কাজে জড়িত।তারপর গেলাম নাজিরেরে কাছে সে কাজ করার পর বলে কিছু দেন।তাকে ও টাকা দিতে হল।তাকে দিলাম ২০০টাকা
জমি নামজারীর করার জন্য ১০ হাজার টাকা চাই
তুমি দলিল মূলে সবকিছুই আছে কিন্তু ঘুষ দিতে হবে ১৫ হাজার তাহলে আমারই খারিজ হবে
আমি ওয়ারিশ সম্পত্তি নিজ নামে খারিজ করতে ভুমি অফিসে গেলে সেখানে নানা অজুহাত আর নানা ভুল বের করে ।পরে দশ হাজার টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হয়।
আমার জমি অন্য ব্যাক্তির নামে নামজারি হওয়ায়, নামজারি বাতিল আবেদন করি। আমার আবেদন দেড় বছর জুলে ছিল। পরে আমার কাছে ১০০০০ টাকা দিতে পারব কিনা জিজ্ঞেস করে। আমার কাছ থেকে আগে ২৫০০ টাকা নিয়েছে। ১০০০০ টাকা আমি আর দেই নাই।
আমার ভূমি অফিসে খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম তাড়া ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করছে
আমি জমির খতিয়ান করতে দিয়েছিলাম।সরকারি খরচ ১১৭০/-টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১২০০০/- টাকা তারপরও ভুল।আবার আমাকেই সংশোধন করতে হবে টাকা দিয়ে।
জমির নকল দলিল তোলা ও নামজারী করতে খরচ হয় ১১৭০+১৬০০=৩৭৭০ টাকা,কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে ৬৩০০ টাকা।
নামজারি করতে গেলে বলে এই দাগে সমস্যা আছে তাই ১ লাখ টাকা লাগবে। কী সমস্যা তা বলে না। আগের মালিক কীভাবে নামজারি করেছিল জানতে চাইলে বলে সেও টাকা দিয়ে নামজারি করেছিল। এইভাবেই নাকি চলতে থাকবে আজীবন। আমার যেহেতু নামজারি করা জরুরী ছিল তাই ফেলে না রেখে তাদের দাবি মেনে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
২ বছর আগে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় আমাদের জমি কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি প্রথমে জিজ্ঞেস করেন অন্য কোনো দিন অন্য কোথাও জমির পূর্বের মালিক জমি বিক্রি করবেন কী-না।জমির মালিক বিক্রি করবেন বলায় ঐ কর্মকর্তা বলেন তাহলে ঐদিন একইসাথে দুটি দলিল করাতে।অন্যথায় ঐদিন করাতে হলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে।জমির মালিক আমাদের সাথে কথা না বলে টাকা দিয়ে দেয়।
১৯ শতাংশ ভিটা রকম জায়গায় খাজনা দিতে গিয়ে ২৫০০০/- দাবি করে।পরে ৬০০০/- টাকায় রফা হয় কিন্তু আমাকে রশিদ দেয় ৬৭০/-টাকার।
আমি একটি নামজারী খতিয়ান করতে অনলাইন আবেদনের পর তহসিলদার রিপোর্ট এর জন্য যাই। তহসিলদার আমার দলিলে ভুল আছে বলিয়া ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়।