খাস জমি লীজ
10 শতাংশ অকৃষি খাস জমি লীজ এর জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করে৷ টাকা দিলেই বেবস্তা হয়ে যাবে অফিস এর একজন বলছে। এসিল্যান্ড না থাকায় আর যাচাই করা যায় নি বিষয় টি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
10 শতাংশ অকৃষি খাস জমি লীজ এর জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করে৷ টাকা দিলেই বেবস্তা হয়ে যাবে অফিস এর একজন বলছে। এসিল্যান্ড না থাকায় আর যাচাই করা যায় নি বিষয় টি।
নামজারি। আমি বাস্তবে দেখতে পেলাম আমি ছাড়া সবার কাছ থেকে সে টাকা চেয়ে নিচ্ছে।তা না হলে দেয় না। সে বলে টাকা দিলে কাজ হবে।তার কিছু দালাল আছে তারা ও সেই কাজে জড়িত।তারপর গেলাম নাজিরেরে কাছে সে কাজ করার পর বলে কিছু দেন।তাকে ও টাকা দিতে হল।তাকে দিলাম ২০০টাকা
জমি নামজারীর করার জন্য ১০ হাজার টাকা চাই
আমি খারিজ করতে গেলাম পড়ে ওরা ভূমি অফিস থাকা লম্বা দাঁড়িওয়ালা সাধু আমারে কয় 7000 টাকা লাগবো। আমি বলছি ফি তো 1170 টাকা। পড়ে আমি নিজেই আবেদন করি। তারা ভুল তথ্য দিয়া আবেদন টা বাতিল করে দেয়। পড়ে সে চায় 8000 টাকা। কি আর করার টাকা দিছি আর এক সপ্তাহে কাজ হয়ে যায়। এই নিয়ে আমার ওদের সাথে অনেক কথা কথা কাটাকাটি ও আমাকে হুমকি ও দেওয়া হয় এবং আমার বাড়িতেও তারা লোক পাঠিয়ে হয়রানি করে আসে। এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা।
তুমি দলিল মূলে সবকিছুই আছে কিন্তু ঘুষ দিতে হবে ১৫ হাজার তাহলে আমারই খারিজ হবে
আমি জমি ক্রয় করেছি, নামজারিও করছি কিন্তু নতুন রেকড আসছে ওরা বলতেছে ওদের টাকা না দিলে আগে যাদের জমি ছিলো তাদের নামেই রেকড হয়ে যাবে। আমাদের এলাকার সবায় তাদেরকে টাকা দিতেছে তাদের ক্রয় করা জমির জন্য
আমি ওয়ারিশ সম্পত্তি নিজ নামে খারিজ করতে ভুমি অফিসে গেলে সেখানে নানা অজুহাত আর নানা ভুল বের করে ।পরে দশ হাজার টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হয়।
এসিল্যান্ড অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ১ লাখ টাকা চাইছে
আমার ভূমি অফিসে খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম তাড়া ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করছে
আমার একটি খতিয়ানের আমার পিতার অংশ আমার চাচার নামে চলে যায়।পরে ac land শরীয়তপুর সদর এ আবেদন করলে।তহসিলদার ধাপে ধাপে আমার কে থেকে 9500টাকা নেয়।টাকা না দিলে কাজ করে না।পরে ac land অফিস এর বিভিন্ন কর্মকতা আরো 8000 টাকা নেয়।পরে DCR কাটতে ২০০০ টাকা নেয়।এখনো DCR দেয় নাই ১০০০টাকাতে অতিরিক্ত নিয়ে ও দেয় না।আরো বেশি দিতে বলে। আমি ডিসিআর আনতে পারি নাই
আমি জমির খতিয়ান করতে দিয়েছিলাম।সরকারি খরচ ১১৭০/-টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১২০০০/- টাকা তারপরও ভুল।আবার আমাকেই সংশোধন করতে হবে টাকা দিয়ে।
আমার জমি নামজারী জন্য এবং জয় কালী মন্দিরের অফিসে অনেক টাকা লেনদেন হয় প্রধান অফিসার অনেক টাকার মালিক একটা পিয়ন কোটি টাকার মালিক আমার টা প্রকাশ করে আমি ভুক্তভোগী কারণ এখানে অফিসার অনেক ঘুষ খড়
নামজারি করতে গেলে বলে এই দাগে সমস্যা আছে তাই ১ লাখ টাকা লাগবে। কী সমস্যা তা বলে না। আগের মালিক কীভাবে নামজারি করেছিল জানতে চাইলে বলে সেও টাকা দিয়ে নামজারি করেছিল। এইভাবেই নাকি চলতে থাকবে আজীবন। আমার যেহেতু নামজারি করা জরুরী ছিল তাই ফেলে না রেখে তাদের দাবি মেনে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
জমির নামজারি করার জন্য নায়েব সরাসরি তার অফিসে ডেকে ৪৭৫ শতাংশ জমির জন্য ৭ লক্ষ টাকা দাবি করেন। তাং দিতে অস্বীকার করায় নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেন।
জমির নকল দলিল তোলা ও নামজারী করতে খরচ হয় ১১৭০+১৬০০=৩৭৭০ টাকা,কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছে ৬৩০০ টাকা।
২ বছর আগে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় আমাদের জমি কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি প্রথমে জিজ্ঞেস করেন অন্য কোনো দিন অন্য কোথাও জমির পূর্বের মালিক জমি বিক্রি করবেন কী-না।জমির মালিক বিক্রি করবেন বলায় ঐ কর্মকর্তা বলেন তাহলে ঐদিন একইসাথে দুটি দলিল করাতে।অন্যথায় ঐদিন করাতে হলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে।জমির মালিক আমাদের সাথে কথা না বলে টাকা দিয়ে দেয়।
১৯ শতাংশ ভিটা রকম জায়গায় খাজনা দিতে গিয়ে ২৫০০০/- দাবি করে।পরে ৬০০০/- টাকায় রফা হয় কিন্তু আমাকে রশিদ দেয় ৬৭০/-টাকার।
ভূমি দস্যুরা দলিল সৃজন করে জমি খারিজ করে, তাদের সেই দলিল এর বিরুদ্ধে মামলা ও চলমান তবুও জোর দখল এর চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রকমত মালিক এর মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশরা ও খারিজ করতে গেলে এ দাবি করে।যেহেতু মাঝে কিছু ভূমি দস্যু আছে, সে সুযোগে।
সাব রেজিস্টার যা বলে তাই করতে হয়। কারন অতিরিক্ত টাকার একটা বড় অংশ ভূমি রেজিস্ট্রার অফিসে দিতে হয়।
জমি খারিজ ঘুষ ছাড়া কখনো হয়না, এই ইউপি নায়েব অফিস থেকে