খাজনা
১৯ শতাংশ ভিটা রকম জায়গায় খাজনা দিতে গিয়ে ২৫০০০/- দাবি করে।পরে ৬০০০/- টাকায় রফা হয় কিন্তু আমাকে রশিদ দেয় ৬৭০/-টাকার।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১৯ শতাংশ ভিটা রকম জায়গায় খাজনা দিতে গিয়ে ২৫০০০/- দাবি করে।পরে ৬০০০/- টাকায় রফা হয় কিন্তু আমাকে রশিদ দেয় ৬৭০/-টাকার।
২ বছর আগে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় আমাদের জমি কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি প্রথমে জিজ্ঞেস করেন অন্য কোনো দিন অন্য কোথাও জমির পূর্বের মালিক জমি বিক্রি করবেন কী-না।জমির মালিক বিক্রি করবেন বলায় ঐ কর্মকর্তা বলেন তাহলে ঐদিন একইসাথে দুটি দলিল করাতে।অন্যথায় ঐদিন করাতে হলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে।জমির মালিক আমাদের সাথে কথা না বলে টাকা দিয়ে দেয়।
জমি খারিজ করে না দশ হাজার টাকা না দিলে। সকল কাজ প্রত্র ৫ বছর মামলা করে সফল হয়ে সব কিছু ঠিক করার পরও নিয়মে খারিজ করতে পারি না ঘুস না দিলে হয় না। ঘুস দেওয়া সাথে সাথে ৭ দিনে কাজ হয়ে গেছে
খুলশি লেকভ্যলি আবাসিক এলাকার ১১ শতাংশ একটি জমির অংশীদার ১৮ জনের নামে ১৮টি নামজারি খতিয়ান তৈরির জন্য চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ভূমি অফিসের (উপজেলা/থানা: কাট্টলি) তৎকালীন (ডিসেম্বর ২০২৩) ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে মোট ৫০০০০০.০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তৎকালীন উপজেলা ভূমি অফিসের এসি ল্যান্ড এবং কানুনগোর সংশ্লিষ্টতাও ছিল বলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন। আবেদনের তারিখ: ১১/১২/২০২৩ ২০২২ এ জমি কেনা হলেও বিভিন্ন অজুহাতে অংশীদারগণ নামজারির আবেদন করতে চাইলে নামজারি আবেদন খারিজ করার ভয় দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে জমির ১৮ জন মালিককে বাধ্য করে।
ভূমি দস্যুরা দলিল সৃজন করে জমি খারিজ করে, তাদের সেই দলিল এর বিরুদ্ধে মামলা ও চলমান তবুও জোর দখল এর চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রকমত মালিক এর মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশরা ও খারিজ করতে গেলে এ দাবি করে।যেহেতু মাঝে কিছু ভূমি দস্যু আছে, সে সুযোগে।
আমার একটি খতিয়ানের আমার পিতার অংশ আমার চাচার নামে চলে যায়।পরে ac land শরীয়তপুর সদর এ আবেদন করলে।তহসিলদার ধাপে ধাপে আমার কে থেকে 9500টাকা নেয়।টাকা না দিলে কাজ করে না।পরে ac land অফিস এর বিভিন্ন কর্মকতা আরো 8000 টাকা নেয়।পরে DCR কাটতে ২০০০ টাকা নেয়।এখনো DCR দেয় নাই ১০০০টাকাতে অতিরিক্ত নিয়ে ও দেয় না।আরো বেশি দিতে বলে। আমি ডিসিআর আনতে পারি নাই
আমার জমি নামজারী জন্য এবং জয় কালী মন্দিরের অফিসে অনেক টাকা লেনদেন হয় প্রধান অফিসার অনেক টাকার মালিক একটা পিয়ন কোটি টাকার মালিক আমার টা প্রকাশ করে আমি ভুক্তভোগী কারণ এখানে অফিসার অনেক ঘুষ খড়
নামজারীর করার জন্য ১০ হাজার টাকা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া মৌজার দিযারা রেকর্ড এর জন্য অথিক পরিমাণ ঘুষ নিয়েছেন এবং তাছাড়া রেকর্ড করে দিচ্ছে না জমির কাগজপত্রে কোনো প্রকারের সমস্যা নেই। মাত্র 8 শতাংশ জমির জন্য তিন দফায় ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
এসিল্যান্ড অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ১ লাখ টাকা চাইছে
আমার জমি অন্য ব্যাক্তির নামে নামজারি হওয়ায়, নামজারি বাতিল আবেদন করি। আমার আবেদন দেড় বছর জুলে ছিল। পরে আমার কাছে ১০০০০ টাকা দিতে পারব কিনা জিজ্ঞেস করে। আমার কাছ থেকে আগে ২৫০০ টাকা নিয়েছে। ১০০০০ টাকা আমি আর দেই নাই।
টাকা নিয়ে নামজারি করে দিচ্ছে না।আট মাস
সরকারি ফি ১১০০। ঘুষ না দিলে নানা অজুহাতে আবেদন বাতিল। ঘুস দিলে সমস্যা নেই।
আমি নামজারি করতে গেলে ওনারা অপারগত প্রকাশ করে, পরে বাহিরে কম্পিউটার এর দোকানের মাধ্যমে ওনারা কথা বলে ১৫০০০ টাকার মধ্যে আমার নামজারি খারিজ করে দেয়,,
বাড়ি মিটার খাজনা দিতে গেলে এক লক্ষ টাকা খাজনা চায়। পরে বলে আপনি ৮০ হাজার টাকা দিবেন আমরা রশিদে কত টাকা তুলে তুলি। আপনার খাজনা পরিশোধ হলে হলো।
আমার দলিলে জমির পরিমাণ আছে ১.৭৫ একর কিন্তু ভূমি সার্ভেয়ার আমাকে পর্চা দিচ্ছে ১.৬৫ ,বাকি জমির পরিমাণ ঠিক করে চাইলে ২৯ ধারা করতে বলে ,আমি ২৯ ধারা করার পরে সার্ভেয়ার আমাকে বলে জমির পরিমাণ ঠিক আছে ম্যাপ ঠিক করতে হবে , ম্যাপে কম আছে , ম্যাপ পূণরায় করতে হবে এ বাবদ অনেক খরচ আছে,এই খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করি।
আমার দুইটি দলিল ছিল ক্রয় কৃত জায়গার দুইটা দলিল একসাথে মিউটেশন করিয়ে দিবে এজন্য আমাকে বারো হাজার টাকা দিতে বলে আমি দশ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়ে আসছি।
আমি জমি খারিজের জন্য আবেদন করি প্রথমে আমি ফাইল নিয়ে যাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তার কিছু দিন পর ফাইল চলে আসে উপজেলা( আড়াইহাজার উপজেলা) ভূমি অফিসে শুনানির জন্য তখন এখানকার এক কর্মচারী বলতেছে কি দিয়ে করাব টাকা দিয়ে নাকি এমনিতেই। এমনিতেই বলার পর এটার মধ্যে ভুল আছে আর নানান কিছু কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোন ভুলই ছিলনা। তখন আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার সাথে সাথেই আমার কাজ হয়ে গেছে।
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম খারিজের জন্য 5000 টাকা চেয়েছে
ফাইল আটকে অর্থ দাবি। অন্যথায় নামজারি ফাইল বাতিল হবে