নামজারি
নামজারি ফি ১১৭৫ টাকা কিন্তু কেউ এ-ই টাকা দিয়ে নাম জারি করেছে আমি শুনিনি।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি ফি ১১৭৫ টাকা কিন্তু কেউ এ-ই টাকা দিয়ে নাম জারি করেছে আমি শুনিনি।
আমি এই কথা বলব আমরা সোনার খনিতে বাস করি না চোর আর ঘুষ খনিতে বাস করি
গাজীপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে পাওয়ার অব এটর্নি দলিল সম্পাদন গেলে সাবরেজিস্টার টিআইএন এর জমা স্লিপ দেখাতে বলে। আমি টিআইএন এর জমাস্লিপের ফটোকপি দেখালে তা অনলাইনে যাচাই না করেই ৫০০০/- টাকা দাবী করে। আমি এ টাকা না দিলে কাজ হবে না বলার পর চলে আসার সময় আমার এক শুভাকাঙ্ক্ষীর পরামর্শে পরবর্তী হয়রানী হতে রেহাই পেতে টাকা দিয়ে কাজটি সম্পাদন করি, যা আমি এখনো মেনে নিতে পারছি না। উল্লেখ্য, ব্যক্তি জীবনে আমি ঘুস লেনদেনের চরম বিরোধী হওয়া সত্তেও বাধ্য হয়েই ঘুস দিয়ে কাজটি করেছি।
আমাদের বাড়ির জমিতে রেকর্ড নিয়ে সমস্যা ছিল, পরে আমরা আদালতে মামলা করি মামলা ৬ বছর চলার পরে রায় পাই এবং ডিগ্রি জারি হয়। পরবর্তীতে আমার বাবা মিউটেশন করতে ভূমি অফিসে যায়। এরপরে আমার বাবাকে বিভিন্ন উপায় টাকা খরচের কথা বলে এবং হবে না ও কাগজ ভুল আছে এমন কথা বলে। এভাবে বেশ কিছু দিন অফিসে ঘুরার পরে ভূমি অফিসে আউটসোর্সিং এর একজন লোক বলে ২৫০০০ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে বাবা বাদ্য হয়ে ২৫০০০ টাকা দেয়। পরে মিউটেশন করার জন্য অগ্রগতি শুরু করে।
কাউনিয়া ভূমি অফিসের আওতায় আমাদের জমিটা ভুলক্রমে খাস হয়ে গেছিল এই সংক্রান্ত একটি বিষয় তা বাতিল করার জন্য আমরা উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে তারা আমাদেরকে হয়রানি করা শুরু করে একপর্যায়ে চল্লিশ হাজার টাকা দাবি করে এখনো কোন মধ্যস্থতা না হয় সেটা এখনও সরকারি ফাইলে ঝুলে আছে
আমার জমির রেজিস্ট্রিকৃত দলিলটি উত্তোলন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট সেকশন থেকে দলিলটি হস্তান্তরপূর্বক বলেন যে অফিস খরচ দেন। আমি বললাম কত? প্রতি উত্তরে বলা হলো কেউ 500 দেয় কেউ ১০০০ দেয় আপনার যেটা ভালো মনে হয় দেন। আমি ১০০ টাকা অফার করলে তিনি বলেন এটা কি দিলেন? আমি বললাম চা খাওয়ার জন্য। তিনি বললেন হবে না। পরে ২০০ টাকা দিয়ে পার পেয়েছি।
নামজারি করার জন্য গেলে, ঘুষ না দিলে এই ভূল সেই ভূল বলে ফাইল আটকে রাখে, পরবর্তীতে বাধ্য টাকা দিতে হয়েছে।
ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইন করার জন্য। ১ মিনিটের কাজ ছিলো। ধানমন্ডি ভূমি অফিস। কাটাবন।
নামজরী করতে হলে টাকা দিতে হবে। নইলে তুচ্ছ ঘটনায় তা বাতিল হবে। যেমন আমার এক কাঠা জায়গায় ৪ টি রুম আছে, সেখানে হয়ত এক ফিট জায়গা বেশি ব্যবহার হচ্ছে। এই অতিরিক্ত এক ফিট জায়গার দোহাই দিয়ে নাম জারি বাতিল হবে।
স্যার মূলত সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত বাইরের লোক কিছু বাইরের লোক দিয়ে অফিসাররা কাজ করে এবং তাদের কাছ থেকে কমিশন বাণিজ্য করে 50 টাকার একটা পার্সনেতে 300 টাকা লাগে একটা ম্যাপ 500 টাকার ম্যাপ নিতে 2000 টাকা লাগে যার কারণে আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি তাহলে তারা আমার কাছে কোন কাগজ দেয়নি আমি নেইওনি তাদের ব্যবহার খুবই খারাপ এবং দালালে ভর্তি করা প্রচুর দালাল আছে ওখানে এবং বাইরের ছেলে পেলে দিয়ে কাজ করায় তাদের কাজ হচ্ছে বাইরে থেকে কাস্টমার ডিল করে এনে অফিসারদের কাছে দেওয়া
তার অফিস সহায়কের মাধ্যমে
নামজারির সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকা স্বতেও ৮০০০ টাকা দাবি করে, না দিলে কাজ হবেনা বলে।
তিন টা দলিলের বিপরীতে আট হাজার করে (8000×3)=24000/, দিয়েছি। না দিলে করতো না।আমি সহ আমরা যে অসহায়।
ট্রেন লাইনে আমার মাত্র এক দশমিক ৯৪ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়। মোট আমাদের ১০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়, আমি সহ আমার ছোট ভাই, মোট ৮ হাজার টাকা দেই চেক বাবদ দেই ২০০০ টাকা। আমাদের এক বছরেরও বেশি সময়ই বিভিন্নভাবে ঘুরানো হয়। তারপর আমরা জানতে পারি তাদের ঘুষ দিতে হবে।
বি এস রেকর্ডের জন্য অনেকের কাছ থেকে ৫০০০/১০০০০ আরো বেশি টাকা ও তারা নিছে। আমাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা নিয়ে বি এস রেকর্ডের জন্য।
আমি আমার জমিটার মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি অফিসে যায় সেখানে আমার বাবা কে অনেক ঘুরানো হয় এবং বড়ো অংকের টাকা দাবি করা কিছু টাকা দেওয়া হইলে ও কোন কাজ হয়নি সুধু তারিখ করে কাজ করেনা যার জন্য সকল চেষ্টা ব্যাথ্য করে দেওয়া হয় ২০ হাজার টাকার জমি ২০০২ সালে কিনা মিউটেশন করার জন্য ১ লাখ টাকার মত ঘুষ দিয়ে ও আজ করানো সম্ভব হয়নি
বলা হয়েছিল কিছু খরচ করতে হবে কিছু টাকা পয়সা ছাড়া তো কাজ করা যায় না উপরের স্যারকে কিছু টাকা পয়সা দিতে হবে।
নামজারি করা। এতে নাইব সাহেবকে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি, নাহলে নামজারি খতিয়ান হবেনা।
চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়তলী থানার অন্তর্গত কাট্টলি সার্কেল এর কাট্টলি তহসিল ভূমি অফিসের সরকারি স্টাফ ও ক্যাজুয়াল স্টাফ মিলে সিন্ডিকেট করে আমার দলিলের দাগটা ভিপি পড়েছে বলে (বাস্তবে ভিপি নয়), আমার নিকট চেয়েছিল। আমি সেটা প্রত্যাখান করেছিলাম। পরে নিজের প্রয়োজনে আরো কম টাকা দিয়ে করেছি। এরপর আমার মনে হয় বেশি দিয়েছি।
নামজারী খারিজ,টাকা দেইনি বলে বন্টন নামা আবশ্যক বলে প্রতিবেদন দেয়,তারপর ২০০০০ টাকা দিয়ে পুনরায় আবেদন করলে বন্টননামা ছাড়াই একক নামজারী হয়ে যায়