খারিজ
সরকারি খরচ ১১২০ টাকা, দালাল চাইল ১১,০০০। ভুমি অফিস দালাল কে দেখিয়ে দিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি খরচ ১১২০ টাকা, দালাল চাইল ১১,০০০। ভুমি অফিস দালাল কে দেখিয়ে দিল।
১.৫ শতাংশ জমি উত্তর দাপুনিয ময়মনসিংহ সদর কাজটি শেষ করে দেওয়া পর্যন্ত ১০,০০০/= একই দাম ৫কাঠা একই দাম।দাপুনিযার নাযেব ।
আমি আমার কোম্পানীর একটি কাজ করার জন্য সেখানে গেলে আকুয়া ভূমি অফিস এর নায়েব ৫ লক্ষ টাকা চান পরে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে কাজটি করা লেগেছে। কারন দলিলে নাম এর বানান ভুল ছিল।
ক্রয় করা জমির নামজারী (খারিজ) করাতে গেলে প্রথমবার তাদের পরামর্শমতো সাড়া না দেওয়ায় আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত হয। পরে বাধ্য হয়ে দাবীকৃত ১৫,০০০ টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে।
টাকা না দিলে কানুনগো বাতিলযোগ্য রিপোর্ট দিয়ে দেয়
ভুমির খাজনা দিতে হোল্ডিং নম্বর পেতে আমাকে এই টাকাটা দিতে ওনারা বাধ্য করেছে।না দিলে হোল্ডিং নম্বর দিচ্ছে না। হোল্ডিং নম্বর না পেলে অনলাইনে ভুমি টেক্স/খাজনা পরিশোধ করা যায় না।এই টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে সাভার থানা আমিন বাজার ভূমি অফিস এবং মোহাম্মদপুর থানা রাম চন্দ্র পুর ভূমি অফিস।
আমার জমির রেকর্ড সমস্যা ছিল। সেটা কোট থেকে রায় পাই। তখন খারিজ করতে গেলে নানা সমস্যা তুলে ধরেন। কিছু টাকা ছাড়া ফাইল পরে থাকবে বলে জানান। পরে টাকা দিয়ে কাজ করতে বাধ্য হই।
বাবা মারা যাওয়ার পরে জমি খারিজ করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে প্রকৃত অর্থের বাহিরে ১০০০০৳ দাবি করা হয়। এবং এই টাকা না দেওয়া পর্যম্ত কাজ করে দিচ্ছিলো না। বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে যা অফিসের বাহিরে নিছে আমার থেকে
আমার পৈতৃক সম্পত্তি চার ভাই-বোনের মাঝে হিস্যাানুযায়ী বন্টন করার নিমিত্তে মিউটেশন করতে যাই।আমার কাছে রক্ষিত সমস্ত কাগজ নিষ্কণ্টক, ওয়ারিশান সনদ থাকা সত্তেও আমাকে ১.৭৫১৮ একর জমি নামজারী করতে দুই দফায় ৯৫০০/=(নয় হাজার পাঁচ শত টাকা)দিত হয়েছে।
দাতা এবং গ্রহীতার উপস্থিতিতে দাগ নাম্বার সংশোধন করতে চাইলে, এজলাস এর অফিসার নাকচ করেন। পরে দলিল লেখক বলে কিছু টাকা লাগবে । আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই । পরে আমি উত্তেজিত হই। এমতাবস্থায় কয়েক জন দলিল লেখক বলেন, কিছু সময়ের জন্য আপনি বাহবা পাবেন কিন্তু ক্ষতি আপনার হবে । আমি বাহিরের দেশে থাকি তাই বাধ্য হয়েই আমাকে টাকা দিতে হয় ।
নামজারির জন্য সরকারি ফি সহ ১৮০০০ টাকা চেয়েছিল। পরে ১২০০০ টাকা নিয়ে কাজটি করে দিছে।
জমির নাম জারি করার জন্য বিকাশে নিয়েছে
কোর্টের দেওয়া রিপোর্টে সাইন করতে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া
পঞ্চগড় রেকর্ড রুম থেকে আমার একটি এসএ খতিয়ানের জন্য আবেদন করি,,কিন্তু তারা খতিয়ানের জাবেদা না দিয়ে আজকাল করে ঘুরায় এবং টাকা চায়
ভূমি কর দিতে গিয়েছিলাম কিন্তু ভালো কোনো তথ্য না দিয়ে, বিভিন্ন ফন্দি বলে টাকা নেয়, বললাম এত টাকা কিসে লাগবে,বলল দিতে হবে আর কোনো কথা হবে না।
আমার বাড়ী সহ ফসলের জমি খাজনা পরিশোধ করতে গিয়েছি বললো অনেক টাকা খাজনা আসবে ২৫০০ মত। তাহলে এখব পারব না। তখন উনি বললো আমাকে ১০০০ হাজার টাকা দিবেন। আমি সবটা জমির খাজনা পরিশোধ করে দিব কিন্তু তে কত উল্লেখ থাকবে তাতে আপনার কোন আপত্তি থাকবে না । আমি বললা ঠিক আছে ৮৩ টাকা খাজনা আসলো আমি ১০০০ টাকা পরিশোধ করলাম।
নাম যারে আবেদন করার পর হার্ডকপি বোম্বাই অফিসে জমা দেওয়ার জন্য তারা টাকা দাবী করেছে
সেবাটি এক উকিলের মাধ্যমে হয়েছে। টাকা না দেওয়ায় আমাকে খতিয়ান হস্তান্তর করেনি
জমি খারিজ করতে গেলে বলে কাগজ ঠিক নেই এই সেই বলে পরে ঠিক ঠাক করে দিবে তাতে ৫০০০০ টাকা লাগবে ৩০০০০ টাকা দিয়েছি বাকি কাগজ পাওয়ার পর দিব
আমি নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন বাহানা দিয়ে হয়রানি করে অবশেষে দালালকে ১৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করিয়েছি