নামজারি
নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন বাহানা দিয়ে হয়রানি করে এবং নামঞ্জুর করে, অবশেষে দালালের মাধ্যমে ৬টি আবেদনে ৫০০০০ টাকা দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন বাহানা দিয়ে হয়রানি করে এবং নামঞ্জুর করে, অবশেষে দালালের মাধ্যমে ৬টি আবেদনে ৫০০০০ টাকা দাবি করে।
খাজনা জন্য যাওয়ার পর নানাবিধ কারণ দেখায় তারা এমন হিসাব দেখায় যাতে প্রায় 25000 হাজার মতো পরে সেই অফিস এর অফিস সহকারী মহিলা আলোচনা সাপেক্ষে 12000 টাকা দাবি করে এবং সরকার প্রদান করে মাত্র 1220/- টাকার মতো। এরা নানাবিধ ভয়ভিতি দেখায় বরং তারা খতিয়ান নম্বর ভুল তুলে দিয়ে খাজনার রশিদ প্রদান করে আমাদের
আমি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম একটি ৯ শতক জায়গার নাম জারি করার জন্য অফিসের কর্মকর্তা নায়ের সর্বশেষ বলেছে ১৫০০০ টাকা হলে আমার নামজারি করে দিবে ২০ কর্ম দিবসে 🥲🥲🥲
dalal er maddome dite hoyeche.
খারিজ বাবদ আমার কাছে ৭০০০/- নিছে। যা আবেদন করার পর পরই ১৫০০০/- টাকা থেকে দরকষাকষি করে।
একটি নাম জারি খতিয়ান করা বাবদ গতকাল ৩১-০৮-২০২৬ ইং তারিখ বরুড়া উপজেলা ভূমি অফিসে দিতে হয়েছে
জমি খারিজ করতে হিসাব ছিল ১২০০ টাকা। কিন্তু ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কথা বলতে চান নি। তার সহকারী আমাকে সাইড ডেকে নিয়ে বলেন ,আমি যদি নিজে নিজে করতে যাই তাহলে ১০০০০ এর বেশি লাগবে ,সে বলে আমাদের দেন আমরা ৭০০০ এর মধ্যে করে দিবো।আমি বাইরে ২-১ জন দালাল এর সাথে কথা বলে দেখি ওদের ছাড়া করার উপায় নাই। শেষে ৭০০০ টাকা দিয়ে করে নেই। সে অফিস সহকারী বলে সে নাকি টাকা খায় না এই টাকা নাকি প্রতি টেবিলে দিতে হয় খারিজ পাস করানোর জন্য।
খাজনার জন্য হোল ডিং নাম্বার প্রয়োজন ছিলো।কিন্তু ভূমি অফিসটা দিতে দালালের মাধ্যমে টাকা চায়। আর নাইলে বলে জানি না। পরে সাত হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি অনলাইনে জমির খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে।
একটা ভবন নির্মাণের সময় কোন লোক মিথ্যা অভিযোগ করে ভুমি অফিসে, অভিযোগ মিথ্যা হওয়া সত্যেও সেটা নিষ্পত্তির জন্য ১০০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে কাজ স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে দেয় তফসিলদার আর এসিল্যান্ড।
Lakshmipur Ramgonj আমার একটা নাম জারি করতে 150000 টাকা নেয় বিগত দুই বছর ঘুরতে ঘুরতে হয় না টাকা দেউয়ার পর এখন করে দিয়েছে
Naam Jari korar jonno.
অফিসার টাকা ছাড়া কাজ করে না
আমার একটা নাল জমির নামজারি আবেদন মঞ্জুর করার জন্য আমার থেকে সরাসরি খরচের টাকা ৪ হাজার দাবি করেছিল। আমি না দেওয়ায় আমার আবেদন না মঞ্জুর করে দেয় ওই অফিসের জনৈক সহকারী ভূমি কর্মকর্তা পদধারী ব্যক্তি। পরে আমার আবার টাকা খরচ করে আবেদন করে মঞ্জুর করানোর জন্য তাকে চাহিত টাকা দিতে হয় ঘুষ বাবদ।
প্রতিটি নামজারি তামিল করতে 1000/- টাকা দিতে হবে।
নামজারি করে দিবে। না হলে ঘুরতে হবে। মূল দলিল দস্তাবেজ নিয়ে হাজিরায় হাজির হতে হবে না। যশোরে থাকি তাই বাধ্য হয়ে চুক্তিতে যেতে হল।
ভূমি অফিসার টাকা কাজ হবে না
জমি দলিল করার জন বিক্রেতা মিউটেশন করতে জায় কিন্তু টাকা ছাডা উনি মিউটেশন করে দিবে না, আমি ছিলাম ক্রেতা তাই আমি বাদ্ধ হয়ে টাকা দিয়া মিউটেশন করে পরে দলিল করে নেই
জমির দাখিলা আসে আট হাজার টাকা। তারা দাখিলা কেটে দিবে তাদেরকে ২৪ হাজার টাকা সবমিলিয়ে দিতে হবে। পরে এই টাকা পরিশোধ করলে এক ঘন্টার মধ্যে দাখিলা পেয়ে যাই।
আমার এলাকায় ভূমি জরিপের কাজ মানে বিডিএস জরিপের কাজ চলমান আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা আমার কাছে অর্থ দাবি করা তো আমি এখন ওটা ভেবে রাখছি টাকা পয়সা দেই নাই দেখি কি হয়।
আমার একটা জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করি খতিয়ানে নাম ভুল থাকার কারণে আবেদন করলে এসিলান্ড সেটা খারিজ করে দেয় প্রত্যয়ন পত্র দেওয়া হলে ও মামলা খারিজ করে দেয় এবং ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে বর্তমানে আমি সেটা এখনো করাতে পারিনি টাকা দিতে পারিনি তাই