৪৯৪২৮৪
জমির নামজারি করার জন্য ১৫০০০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। প্রতিটা সেক্টরে বাটপারি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির নামজারি করার জন্য ১৫০০০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। প্রতিটা সেক্টরে বাটপারি
প্রতি কোটিতে ৩% টাকা চেয়েছে, সেই হিসেবে আমার ৭ লাখ এর কিছু বেশী আসছে, টাকা না দিলে ফাইল আগায় না, এই জমি অধিগ্রহণ কেন্দ্র করে আনুমানিক ১০০ কোটি টাকার ঘুষ বানিয্য চলছে।
জমি রেকর্ড করা, ঘুষের টাকা দাবি করে
ভূমিহীন আবেদন করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে যাই। আবেদন করার সময় একজন অফিস সহায়ক বলেন যে ৫০ শতক যায়গা খাস পাইয়ে দেবে যদি কিছু টাকা খরচ করি। ২০০০ টাকা দিয়ে আবেদন করি সেখানে। পরে ধাপে ধাপে ২০০০০ টাকা ঘুষ দেই এই জন্য।
তাদের হিসাব অনুযায়ী সরকারকে দিতে হবে ৭৭,০০০/- কিন্তু ক্রেতার নাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় কর্তৃক এফিডেবিট ছিল। তাই বিভিন্ন হিসাব দেখিয়ে সরাসরি রেজিস্ট্রার নিজে ১৬০০০০/- দাবি করেন এবং বাধ্য হই। তিনি ( নকলা+নালিতাবাড়ি) দুই উপজেলার দায়িত্বে আছেন।। প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চলমান রয়েছে। এদের প্রত্যেকের সম্পদের হিসাব নিলেই দেখা যাবে,,,,আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।
নামজারীর জন্য ১৭০০ টাকাঅগ্রিম নিয়ে কাজ করে দেয়নি ইউনিয়ন ভুমি উপ সহকারী কর্মকর্তা
খাজনা খাড়িচ করবো বলে জয়দেবপুর ভূমি অফিস যাই আমাকে ১ ঘণ্টা বসিয়ে রাখে।যারা টাকা দেয় তাদের কাজ আগে করে
ভূমি অফিস, বাইশটেকী, মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬ Land tax বাবদ ৯৫০ টাকা ঘুষ On February 2026
আমি ২৮/৮২৬ সালে ভূমি অফিসে যাই আমি জমি নিয়েছি ১৯৯৮ সালে এবং খারিজ করেছি অন 999 সালে এবং চেক কাটছে ১৯৯৯ সালে এবং ২০০১ সালে। এখন আমি আবার চেক কাটতে যাচ্ছি তো বলছে ৪০০০০ হাজার টাকা লাগবে,,,,,,অথচো আমার ১২০০০/১৫০০০ হাজার টাকা হলেই হবে
দলিল সম্পাদনের পর নামজারির জন্য মূল দলিল অথবা অবিকল নকল দলিল প্রয়োজন হয়। কিন্তু মূল দলিল হাতে পেতে প্রায় দুই বছর সময় লাগায়, অনেকেই নামজারির কাজ সম্পন্ন করার জন্য অবিকল নকল দলিল সংগ্রহ করেন। এই সুযোগে অবিকল নকল দলিল তোলার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ও স্বচ্ছ নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না। যেখানে স্বাভাবিকভাবে প্রায় ১,২০০ টাকা খরচ হওয়ার কথা, সেখানে অলিখিত নিয়মে সর্বনিম্ন ২,২০০ টাকা থেকে টাকা আদায় শুরু হয়। এরপর যার কাছ থেকে যতটা সম্ভব, পরিস্থিতি বুঝে তত বেশি টাকা দাবি ও আদায় করা হয়। ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করছেন এবং নিয়মিতভাবে হয়রানি ও অনিয়মের শিকার হচ্ছেন।
আমার ক্রয় কৃত মোট জমি সাড়ে তিন শতক,ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে পরিশোধ করতে গিয়ে দেখি আমার নামের ৩০ শতক উঠিয়ে রাখছে, মোট টাকার পরিমান চার হাজার টাকার উপরে দাবী করে কিন্তু আমার তো এত জমি নাই,আমার সর্বোচ্চ ভূমি উন্নয়ন কর ১০০ থেকে দেড়শ বা ২০০ টাকার মধ্যে হবে কিন্তু ওনারা দাবি করছে 4000 উপরে।
টাকা না দিলে কোন কাগজপত্র সই হবে না মুখের উপর ছুঁড়ে মেরেছিল ।
মুলত আমি একটি মিসকেইস মামলার রায় পাই যেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তামিল করার জন্য প্রেরণ করা হয় আমার মাধ্যমে সেখানে শিমুলিয়া ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা কাগজটি নিজের কাছে জমা রাখে এবং সাতদিন পরে আসতে বলে,,, সাত দিন পরে গেলে সে জানায় তার কাছে লেখার সময় নেই এবং তিনি নিজেই আমাকে বাইরে একটি কম্পিউটারের দোকান পাঠায় যে মূলত দালাল তিনি আমার কাছে ৩০০০ দাবী করে আমি নিরুপায় হয়ে দুই হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করাই।
জমি রেজিস্ট্রি করার সময়, ফুলগাজী, রেজিস্ট্রি অফিসে দিতে হয়েছিল
নামজারির জন্য চাইছিল না হয় আবেদন না মঞ্জুর করে দেবে
২৮/৮/২৬ তারিখে ভুমি অফিস গিয়েছিলাম।আমি জমি কিনেছি,,,১৯৯৮ সালে,,, খারিজ করেছি ১৯৯৯,,,, এবং ১৯৯৯ও২০০১ সালে চেক কেটেছি,,,,, কোন সমস্যা নেই,,,,,, আমার লাগবে ১২০০০/১৫০০০ কিন্তু চাইছে ৪০০০০
নামজারি করতে গিয়ে ঘুষ চাই
ওয়ারিশ দিয়ে জমি খারিজ এর জন্য ২৫০০০ টাকা চেয়েছে এবং খাজনা দিতে ২৩০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে যা সরকারের খাতায় জমা হয়নি।
সেবাটি ছিল জমির খাজনা।স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে ঘুস চাওয়া হয় এবং প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু কাজ না করে দিনের পর দিন হয়রান করে কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দি। এতে আমার কাজ হয়।
নামজারি আবেদনের শুনানির ডেটে আমার সকল কাগজ অকে থাকার পরেও আমার কাছে ৩০হাজার ঘুস চাওয়া হয়।দিতে না চাইলে বলে সব আমাদের হাতে নামজারি না মঞ্জুর হবে।আমার কাছে যাবতীয় ভিডিও সহ তথ্য প্রমান আছে।গাবতলি ভূমি অফিসে যতজন নামজারি করতে আসে সবার থেকে টাকা নেওয়া হয়।