বাবার নাম সংশোধন
একটি ক্রয় কৃত জমির দলিলের নাম বাবার নাম সব ঠিক আছে কিন্তু অনলাইন খতিয়ান এ বাবার নাম ভুল আসে ।সেটা সংশোধন এর আবেদন করি ।। ইউনিয়ন ভূমি অফিস এর নায়েব সাহেব টাকা ছাড়া সংশোধন এর অনুমতি দেয়নি।।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি ক্রয় কৃত জমির দলিলের নাম বাবার নাম সব ঠিক আছে কিন্তু অনলাইন খতিয়ান এ বাবার নাম ভুল আসে ।সেটা সংশোধন এর আবেদন করি ।। ইউনিয়ন ভূমি অফিস এর নায়েব সাহেব টাকা ছাড়া সংশোধন এর অনুমতি দেয়নি।।
নামজারি করার কথা। সব করে দিবে 8000 চায়
মিসকেস এর মামলা ছিলো ভুমি অফিসে,,সব ডুকুমেন্ট আমাদের পক্ষে থাকলেও তারা বছরের পর বছর নতুন নতুন ডেট দিয়ে হয়রানী করতেছিলো,,পরে ২০ হাজার দাবি করে বলতেছে এই টাকা দিল মামলার রায় হবে না হলে রায় হবে না।
নামজারীর তদন্তের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন পাঠাতে চাইছেনা ২০০০ টাকার জন্য, তার ১০০০ টাকা দেওয়ার পর প্রতিবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠায় সেখানে অফিস সহকারী ঘুষ দাবি করে,অবশ্য কানুনগো টাকা ছাড়াই অনুমোদন দিয়েছে।
আমার জমির দলিল হইছে এখন নামজারি করতে হবে, এখন নামজারি বা মিউটেশন করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা সে লোক আমার কাছে ১২০০০ টাকা করে ৩৬০০০ টালা দাবি করে।জমির মিউটিশন করা জরুরি টাই রাজি হইলাম। এবং পরিশোধ করে মিউটিশন করলাম।
১ শতক জায়গা নামজারি করতে সরকার নির্ধারিত টাকা ছিল ১১০০ টাকা, সেখানে আমার থেকে দাবি করা হয় ২৫০০০ টাকা। আমি অনেক চেষ্টা করে ও সরকার নির্ধারিত টাকায় সেবা পায় নি। বাধ্য হয়ে ২৫০০০ টাকা দিয়ে ১ শতক জায়গা নামজারি করেছি। টাকা বিকাশে পেমেন্ট করেছি।
হেবা দলিল করতে যেখানে সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকা লাগে সেখানে মৌলভীবাজার সাবরেজিস্টার অফিস আমার কাছে ২৫০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে। মৌলভীবাজারের সাবরেজিস্টার অফিস, বিআরটিএ,ও পাসপোর্ট অফিস ঘুষের কারখানা।
জমি নাম জারির করার জন্য আবেদন করেছিলাম, সেখানে প্রতি শতাংশে ১০ হাজার টাকা অতিক্রিতো দাবি করেছিল ভূমিক কর্মকর্তারা আমি ওই মুহূর্তেই প্রত্যাখ্যান করেছিলাম
নাম জারি করতে গেলে বলে ৮০০০টাকা লাগবে আমি বলি কেন সরকারি ১১৭০ টাকা লাগার কথা । তিনি বলেন ৮০০০লাগবে করলে করেন নইত যান।
এটি জমির নামজারি করতে হবে যার জন্য টাকা ছেয়েছিল
১১৭০ টাকার নামজারী করার জন্য ২২ হাজার টাকা নিছে। দলিল লেখক বলেছেন এখানে প্রতিটি টেবিলে বসে থাকা স্যারদের চা-পানির টাকা না দিলে ফাইল সামনের দিকে আগায় না !
আমি যশোর জেলা, শার্শা উপজেলার লক্ষনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারী করার জন্য যাই কিন্তু আমার কাগজের কোন প্রকারের ভূল না থাকার পরও আমার জমি খারিজ করতে রাজি হয় নাই বিধায় আমি বাধ্য হয়েই ১০০০০/- ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
জমির খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা লাগে সরকারি ভাবে কিন্তু আমার কাছে নিছে ১২৫০০০ টাকা।
৮০০০ টাকা না দিলে কাজ করবো না।তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি। এর মধ্যে ১১৭০টাকা ফি বাকিটা ঘুষ।
নামজারির আবেদন করছিলাম,তহসিলদার কে দেওয়া লাগছে, নিজে চাইনে,ওনার এক দালাল ওনার সামনে বলতেছে টাকা দেন,দিছি নিয়ে নিছে
আমি আমার জমির খাজনা দিতে গেলে চরবাট ভুমি অফিসের তহসিলদার আমার ৫০ টাকার খাজনা আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করে।
Asked for 3.5 lac but on request I could reduce some amount.
জমি খারিজ করার আগে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল।
ভিপি লীজে কেস জন্য টাকা চায় তারা
নামজারি করার জন্য দাব করেছিল তহশীলদার।