জমির নামজারি
আমি টাকা না দিলে আমার ফাইল ভুমি অফিসার এর কাছে পাঠাচ্ছিল না। এই সমস্যা ওই সমস্যা বলে।টাকা দেওয়ার পর সব হল।সে নিজে দাবি করবে না তাকে দিতে হবে নাহলে কাজ হবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি টাকা না দিলে আমার ফাইল ভুমি অফিসার এর কাছে পাঠাচ্ছিল না। এই সমস্যা ওই সমস্যা বলে।টাকা দেওয়ার পর সব হল।সে নিজে দাবি করবে না তাকে দিতে হবে নাহলে কাজ হবে না।
নামজারি করার কথা। সব করে দিবে 8000 চায়
মিসকেস এর মামলা ছিলো ভুমি অফিসে,,সব ডুকুমেন্ট আমাদের পক্ষে থাকলেও তারা বছরের পর বছর নতুন নতুন ডেট দিয়ে হয়রানী করতেছিলো,,পরে ২০ হাজার দাবি করে বলতেছে এই টাকা দিল মামলার রায় হবে না হলে রায় হবে না।
নামজারীর তদন্তের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন পাঠাতে চাইছেনা ২০০০ টাকার জন্য, তার ১০০০ টাকা দেওয়ার পর প্রতিবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠায় সেখানে অফিস সহকারী ঘুষ দাবি করে,অবশ্য কানুনগো টাকা ছাড়াই অনুমোদন দিয়েছে।
আমার জমির দলিল হইছে এখন নামজারি করতে হবে, এখন নামজারি বা মিউটেশন করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা সে লোক আমার কাছে ১২০০০ টাকা করে ৩৬০০০ টালা দাবি করে।জমির মিউটিশন করা জরুরি টাই রাজি হইলাম। এবং পরিশোধ করে মিউটিশন করলাম।
১ শতক জায়গা নামজারি করতে সরকার নির্ধারিত টাকা ছিল ১১০০ টাকা, সেখানে আমার থেকে দাবি করা হয় ২৫০০০ টাকা। আমি অনেক চেষ্টা করে ও সরকার নির্ধারিত টাকায় সেবা পায় নি। বাধ্য হয়ে ২৫০০০ টাকা দিয়ে ১ শতক জায়গা নামজারি করেছি। টাকা বিকাশে পেমেন্ট করেছি।
হেবা দলিল করতে যেখানে সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকা লাগে সেখানে মৌলভীবাজার সাবরেজিস্টার অফিস আমার কাছে ২৫০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে। মৌলভীবাজারের সাবরেজিস্টার অফিস, বিআরটিএ,ও পাসপোর্ট অফিস ঘুষের কারখানা।
জমি নাম জারির করার জন্য আবেদন করেছিলাম, সেখানে প্রতি শতাংশে ১০ হাজার টাকা অতিক্রিতো দাবি করেছিল ভূমিক কর্মকর্তারা আমি ওই মুহূর্তেই প্রত্যাখ্যান করেছিলাম
আমার বাবার ২ টা বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এর টাকা দিতে গিয়ে সরকারি চাকরি করা লোক সরাসরি চাইছে টাকা।৪ বছরের ফি কম দেখিয়ে দিবে আর ২৫০০০ টাকা ভাগাভাগি করে অফিসের সবাই নিবে। এছাড়া আমি নাকি কোন ভাবেই বকেয়া টাকা জমা দিতে পারবো না।
১১০০ শত টাকার নামজারির আবেদন করতে আমার লেগেছে ৬০০০ টাকা।তারপরও কত তোষামোদ করতে হইছে
২০২২ সালে জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম ১৫০০০ টাকা দাবি করেছে দেইনি বলে দুই মাস ঘুরাইছে।পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে খারিজ করে এসেছিলাম। কারণ জমি বিক্রি করা ইমার্জেন্সি ছিল আমার জন্য। নিরুপায় বাপ দাদার কষ্টের টাকা কেন জমির টাকা তাদেরকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আমার একটা জমির খাজনা বকেয়া ছিল। তো খাজনা দিতে গেলাম। খাজনা বকেয়া প্রায় ৩৫০০০ টাকার মতো।তারা আমার থেকে ৩০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করলো। ঘুষ না দিলে জমি লাল তালিকা ভুক্ত করে ফেলবে।উপায় না দেখে ৩০০০০টাকা দিলাম। ৩০০০০ টাকার পরিবর্তে তারা আমাকে ১০টাকার একটা খাজনা পরিশোধ রশিদ ধরিয়ে দিল। তারা কতটাকা এখান ঘুষ খেল একবার ভেবে দেখেন। আমাকে বললো খাজনা পরিশোধ হয়েছে।আমিও ওয়েবসাইটে লগিন করে দেখলাম হ্যাঁ আসলেই পরিশোধ হয়েছে। কিন্তু ৩০০০০টাকা বা ৩৫০০০টাকা না সেখানে ১০ টাকা পরিশোধ করে বাকি বকেয়া তারা সিস্টেমিক্যালি ১০টাকায় কনভার্ট করেছে।
নামজারীর জন্য ২০,০০০ টাকা চেয়েছে। কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে ১৬০০০ টাকা দিয়ে করি। আমার কাগজ পত্র সব কিছ।
নাম জারি করতে গেলে বলে ৮০০০টাকা লাগবে আমি বলি কেন সরকারি ১১৭০ টাকা লাগার কথা । তিনি বলেন ৮০০০লাগবে করলে করেন নইত যান।
এটি জমির নামজারি করতে হবে যার জন্য টাকা ছেয়েছিল
১১৭০ টাকার নামজারী করার জন্য ২২ হাজার টাকা নিছে। দলিল লেখক বলেছেন এখানে প্রতিটি টেবিলে বসে থাকা স্যারদের চা-পানির টাকা না দিলে ফাইল সামনের দিকে আগায় না !
আমি যশোর জেলা, শার্শা উপজেলার লক্ষনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারী করার জন্য যাই কিন্তু আমার কাগজের কোন প্রকারের ভূল না থাকার পরও আমার জমি খারিজ করতে রাজি হয় নাই বিধায় আমি বাধ্য হয়েই ১০০০০/- ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
জমির খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা লাগে সরকারি ভাবে কিন্তু আমার কাছে নিছে ১২৫০০০ টাকা।
৮০০০ টাকা না দিলে কাজ করবো না।তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি। এর মধ্যে ১১৭০টাকা ফি বাকিটা ঘুষ।
নামজারির আবেদন করছিলাম,তহসিলদার কে দেওয়া লাগছে, নিজে চাইনে,ওনার এক দালাল ওনার সামনে বলতেছে টাকা দেন,দিছি নিয়ে নিছে