নাম জারি
বিভিন্ন সময় তাল বাহানা করে অন্য মাধ্যম দিয়ে ঘুষ দাবি করা হয়ে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিভিন্ন সময় তাল বাহানা করে অন্য মাধ্যম দিয়ে ঘুষ দাবি করা হয়ে।
একটি জমির খতিয়ান বানানোর জন্য ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমাকে বললো,,আপনি ২০০০০ টাকা দিন,,আপনার খাজনা পরিশোধ করে দেওয়া হবে। আমার খুর জুরুরি ছিল,, ২০০০০ টাকা দিলাম,, দেখলাম খাজনার চেকে লেখা ৪৯৯৬ টাকা। বললো কত লিখলাম সেটা আপনার প্রয়োজন নেই।। আপনার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর পরিশোধ করে দিয়েছি। বুঝলাম ১৫০০০+ টাকা ঘুষ।
আমার নামজারী মামলা ১৬০৫৫/২৫-২৬, এই মামলাটির জন্য আমি ৪৫০০০ টাকা প্রদান করি, কিন্তু এখনো, আমার ফাইলটি অনুমোদন করেনি। আরেকটি মামলা ১২৫৭/২৬-২৭ ইং, আরো একটি মামলা ২২২১/২৬-২৭ ইং, এই দুই মামলার জন্য ৪০ হাজার প্রদান করেছি, তাও এখনো অনুমোদন আসেনি। পেন্ডিংয়ে পড়ে আছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাটহাজারীর নিয়মিত অফিসেই থাকে না, সপ্তাহে বা মাসে একদিন আসে।
৩০০০০ টাকা চেয়েছিল, ১৫০০০ টাকা দিয়েছি, কিন্তু এখন কাজ করে দেয় নাই
দুই মাসের বেশি হয়েছে আবেদন করেছি এসিল্যান্ড অফিসের লোকেরা টাকা ছাড়া কাজ করে না।
১/১ খতিয়ানের জমি অর্পিত খ তপসিলভুক্ত নামজারি করতে চেয়েছিলাম কাগজপত্র ঠিক থাকা সরতেও আমার কাছে ৪০,০০০ বা ৫০,০০০ হাজার টাকা দাবি করে পরে বলা এত টাকা কেন বলে টাকা ছাড়া এই জমি খারিজ করতে পারবেন না আমার কথা হল কাগজ ঠিক ঠাকা সরতেও কেন এত টাকা দাবি করে কাগজপত্র ত কোনো ভুল ক্রতি নেই
আমি অফিসে গিয়ছিলাম ২০২৩ সালে। উনি আমাকে আমার কাজটি করতে দিবেন না ইত্যাদি। যেহেতু আমি বাড়িতে থাকি না তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয়েছে
বিনিময় সম্পত্তি আমাদের দখলে আছে। আমরা ভোগ করি কিনা তা সরকার দেখবে সেই রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা দশ হাজার টাকা দাবি করে আমরা তা পরিশোধ করলেও আজ ও রিপোর্ট দেয়নি।। কাল দিব বলে কিন্তু সেই কাল আর হয়না।
একটি খ তফসিল ভুক্ত জমি খারিজ করতে টাকা নিয়েছে। টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই দিচ্ছিল না।
আমি একটি নামজারি করতে গিয়েছিলাম তখন সেখান থেকে বলল নামজারি করতে ৮০০০ টাকা লাগবে। এরমধ্যে ৪০০০ টাকা সহকারী কমিশনারের ফি, ৩০০০ টাকা নায়েবের ফি, বাকি ১ হাজার অন্যান্য ফি।
নাম জারি সরকারি ফ্রী ১১৭০ টাকা।আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৫০০০ টাকা। আমি অনলাইনে আবেদন করে ভূমি অফিসে নায়েবের কাছে গিয়েছিলাম।নায়েব সাহেব বলেন এভাবে কাজ হবে না। উপজেলা ভূমি অফিসে রেট বেশি।এসিল্যান্ডকে অনেক টাকা দিতে হয়। আপনাকে ৫০০০ টাকা দিতে হবে। এই টাকা দেওয়ার আগে আমি ভূমি অফিসে এসিল্যান্ডের সাথে দেখা করেছিলাম।উনি আমাকে বিভিন্ন সমস্যা দেখায়।দলিলটা বাতিল হয়ে যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি।
জমির মিস কেস মামলার রির্পোট এর পাঠানুর জন্য ১০০০০০ টাকা দাবি করছে অফিসের বড় সাহেব বাদী বিবাদী উপস্থতিত থাকার পরে আমি দি নাই এখন রিপোর্ট দিছে কিনা জানি ।।
একটি জমির নামজারি করতে ফতুল্লা ভূমি অফিসে ৫০,০০০ টাকা দাবি করে। সহকারী কমিশনার ভূমির সাথে কথা বলেও ঘুষ দেয়া থেকে নিস্তার পাওয়া যায়নি।
আমার এস এ খতিয়ান তোলা দরকার তাই বাধ্য হয়ে নিতে হয়েছে। ১২০ টাকা সরকারি ফি সেখানে ৫৫০ টাকা নিয়েছে ২ টা ১১০০
নামজারী করাতে ঘুষ দিতে হয়েছিল। দালালের মাধ্যমে না করালে ভূমি অফিস প্রস্তাব পাঠাচ্ছিল না।
When I went to the Munshiganj Muktarpur Land Office to pay my housing tax.An old man who has been working in that office for a long time directly demanded some extra money from me.I did not have it with me at that time.For that reason ,he expressed his inability to take the tax money from me . Then I returned without paying the tax. I am an expatriate .He demanded around 500 taka extra from me.
নতুন জমি ক্রয় করা হলো ১৭ লাক্ষ টাকা দিয়ে! জমিটা এখন দলিল করতে হবে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে করলে কম ব্যয়ে করা যাবে আর যা শ্রেণী আছে সেটা দিয়ে করলে টাকা লাগবে ৭ (লাক্ষ)!এখন জমি ক্রয় করার পর এতো টাকা দলিল করতে লাগে না সরকারি ভাবে আমরা জানি কিন্তু দলিল লেখক ও সহযোগী মিলে ৭ লাক্ষ এর কম করবে না।বাধ্য হয়ে শ্রেণী পরিবর্তন করে ৪ (লাক্ষ) দিয়ে করে আসছি।এরপর নামজারি করতে ৩০ (হাজার) লাগছে সরকারি রেট ১১৭০/-। এখন বলেন কই যাবো? কার কাছে যাবো? সরকার এসব মনিটরিং এ ব্যর্থ সরকারি প্রায় লোক দুর্নীতি ও ঘুষে জড়িত।জনগণের হয়রানি ও দুভোর্গ দেখার কেউ নেই? আল্লাহ ছাড়া বিচার আল্লাহ কাছেই দেই।
জমি খারিজ করতে এই পরিমাণ টাকা লাগবে না হলে খারিজ হবে না
আমি আমার নামজারির জন্য নিজে আবেদন করেছি ভূমি কর্মকর্তা বলেছে আপনার আবেদনে ভুল আছে, আমি তা সঠিক ভাবে পুনরায় আবেদন করেছি এর পর তারা একেক বার একেক কথা বলে আবেদন বাতিল করে দিয়েছে, তারা বলে প্রতিনিদীর মাধ্যমে আবেদন করতে এর পর আমি প্রতিনিদীর মাধ্যমে ১৩০০০ টাকা দিয়ে নামজারি সম্পূর্ণ করি।