নামজারি ৩.৭৬ শতাংশ জমি
নমজারি অনলাইন আবেদনের পর ভূমি অফিস থেকে দাবী করা হয়েছে। পুরোপুরি পরিশোধের পর নাম জারি সম্পন্ন হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নমজারি অনলাইন আবেদনের পর ভূমি অফিস থেকে দাবী করা হয়েছে। পুরোপুরি পরিশোধের পর নাম জারি সম্পন্ন হয়েছে
নামজারি, দেরি হবে, ঝামেলা আছে। কিছু খরচাপাতি করলে দেখতে পারি করা যায় কিনা
জায়গার নামজারির বিষয় ছিল ভূমি অফিসে, সহকারী ভূমি অফিসারের কাছে গেলে উনি আমার বাবার কাছে টাকা চান। এবং আমার আব্বা সহজ সরল লেখাপড়া না জানুক। উনি ধাপে ধাপে উনাদেরকে প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা দেন। পরবর্তীতে যখন উনারা মোটা অংকের একটা টাকা দাবি করেন। তখন আর আমরা তা দিতে পারিনি। তাই আমাদের কাজটি হয়নি উনারা কাগজপত্র যে কোন একটা ঝামেলা লাগিয়ে দিয়ে আমাদের এ বিষয়টা এখন আদালতে আছে। সেই সময় ওনারা চাইলে আমাদের এই সমস্যার সমাধান করে দিতে পারতেন। কিন্তু সহকারী ভূমি অফিসার তা করেননি। আমরা টাকা দিলে হয়তো আমাদের কাজটা হত। মূলত ভূমি অফিসে কিছু দালাল থাকে তাদের সাথে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা মিলে আমাদের এই কাজটা কে জটিল করে তুলেছেন টাকা না দেওয়াতে।
আমি কিছুদিন আগে আমাদের ১৪ শতাংশ জমি খারিজ করার উদ্দেশ্য নিকটস্থ ভুমি অফিসে গিয়ে সেখানে একটি জমি খারিজ এর আবেদন করি এবং আবেদন ফি জমা দেই।কিন্তু তারা আমাকে তখনই বলে দেয় যে নরমাল ভাবে আগাইলে কাজ টা হবে না তাই আপনাকে অন্য ভাবে আগাইতে হবে। মানে ৭ হাজার টাকা ঘুস/হারাম দিত্র হবে। আমি দেখলাম অনেক টাকা তাই পরিকল্পনা করলাম আমি নিজেই বাকি অফিসে গিয়ে কাজ টা করিয়ে নিবো যেহেতু আমি সরকারি কর্মচারী তারা আমার কথা রাখবেন।কিন্তু আমি উপজেলা ভুমি অফিসে গেলে তারা আমার সাথে রিতিমত মস্কারা করেছেন।যাই হোক কিছু দিন পর ওই আবেদন টি অহেতুক কারন দেখিয়ে বাতিল করে দেয়া হয়।পরবর্তীতে আমি আমার সেই আগের ডকুমেন্টস দিয়ে আবার সেই অফিসেই আবেদন করি সাথে ৭ হাজার টাকা দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ কাজ টা হয়ে গিয়েছে। বাধ্য হয়েই ঘুশ দিয়ে করতে হ
সাধারণ মানুষ কে বিভিন্ন ট্যাপে ফেলে অনলাইন বাবদ এই টাক দিতে হবে। হোল্ডিং এ আজব একটা ভুল দেখায় যা কোন ভুল ই না। অন্য দিলিল আনতে বলে বিভিন্ন বিভ্রান্ত করে তার পরে পাশে থেকে একজন বলল ভাই চা নাস্তা করতে কিছু দেন ঠিক করে দিচ্ছি।
আমি সম্প্রতিক সামান্য পরিমান জমিন কিনে ছিলাম। আমার জমিনের নাম জারী কর দরকার কিন্তু আমি নামজারী করার জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট তহিসলদার আমার সব কাগজ দেখেন অথাৎ জমিনের দলিল,খাজনা রশিদ, পূর্ববতী জমিনের মালিকর নামেও নামজারী দেখেন। দেখে বলেন আপনি এগুলো রেখে যান। পরবর্তিতে আপনাকে জানাবো। যাক আমি সব রেখে চলে আসলাম। কিছুদিন পর যাওয়ার পর তহসিলদারকে পেলাম না। আবার গেলাম তহসিলদার সাথে দেখা করলে তিনি বলেন আজকে ওনি ব্যস্ত আছেন। এই ভাবে অনেক দিন গুরার পর আমি নিরুপাই হয়ে আবার যায় তহসিলদারের কাছে অনেক অপেক্ষার পর ওনি আমাকে বলেন, আপনার কাগজে অনেক সমস্যা আছে যাক আমি ম্যানেজ করবো আপনার কাজ হবো আপনি আমাকে ১২০০০ টাকা দিবেন। আমি বললাম কেন? ওনি বলেন বেশি কথা বলবেন না। অথচ এই কাজে সরকারী খরচ ১১০০-১২০০ টাকা। আমি কি বলব
আসসালামু আলাইকুম। আমাদের দুর্ভাগ্য, ঘুষের সঙ্গে কম-বেশি সবাই পরিচিত। ২০২৫ সালের নভেম্বরে জমি কেনার পর নামজারির জন্য আবেদন করি। আবেদনটি বারবার বাতিল হলে ভূমি অফিসে গিয়ে নায়েব সাহেবকে কারণ জিজ্ঞেস করি। প্রথমে বললেন সার্ভারের সমস্যা, পরে আমার সামনেই আবার আবেদন বাতিল করে বললেন, “চাপ লেগে বাতিল হয়ে গেছে।” এরপর তার সহকারী আমাকে বাইরে ডেকে সরাসরি বললেন, “নায়েবকে ১,৫০০ টাকা দেন, তাহলেই হয়ে যাবে।” শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আমাকে টাকা দিতে হয়। সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, ঘুষ নেওয়ার সময়ও নায়েব সাহেব আল্লাহর নাম জিকির করছিলেন। আল্লাহর নাম মুখে নিয়ে মানুষের হক নষ্ট করা—এর চেয়ে দুঃখজনক বিষয় আর কী হতে পারে?
আমার জমির খাজনা ২০ টাকা, দিতে হয়েছে ১০০০ টাকা। জরুরী প্রয়োজন ছিল তাই দিতেই হলো।
সবুজবাগ ভূমি অফিস। জমি মিউটেশনের জন্য ওখানকার একজন কর্মচারী ১৭০০০ টাকা কন্ট্রাক্টে কাজটি করে দেয়। না দিয়ে উপায় আছে? কোন কর্মকর্তা সরাসরি টাকাটা চায় নি, ভুমি অফিসের কর্মচারী পুরা কাজের কন্ট্রাক্ট নেয়।
আমি টাংগাইল জেলার সখিপুর উপজেলায় ভুমি অফিসে যাই আমার ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া ভুমি নামজারি করতে।সেখানে আমার কাছে ৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে।আমার সামনে আরো অনেক লোকের কাছ থেকে টাকা নেয়।তাদের আমি চিনি না।আমি প্রায় ৪০ মিনিটের মত সেখানে অবস্থান করে দেখতে পাই কারো টাকা ছারা কোন কাজ হচ্ছে না।বাধ্য হয়েই আমি টাকা দেই।টাকা না দিলে বিভিন্ন তালবাহানায় দিনের পর দিন ঘুরায়।
আমার একটা জমির নামজারি করতে গেলাম,আর উনারা আমার কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করছে
ক্যান্টরমেন্ট ভূমি অফিস আমার কাছে প্রায় ৫ লাখ টাকা দাবি করে নামজারির করার জন্য। আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিক আছে। আরও আমাকে হয়রানি করে এবং কি এল.এ কেস নম্বর চায়? কিন্তু আমি ডিসি অফিস, এসি ল্যান্ড অফিস ইত্যাদি জায়গায় ঘুরে আমি এল.এ কেস নম্বর জোগাড় করতে পারি নাই।
প্রায় দশ বছর যাবত ভুমি কর বকেয়া আছে যা পরিমাণ পাঁচ থেকে দশ হাজার টাক হতে পারে। সেটা পরিশোধ করতে গিয়ে আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবী করা হয়। আমি কর না দিয়ে ফিরে এসেছিলাম।
একটি পর্চা খাজনা ছাড়া ও এক হাজার দিতে হবে না হলে হবে না, আর জাই নি।
জমি খারিজ বাবদ দবি ২৫০০০ দফা রফা।
আমার দলিলে নাকি ভুল ছিলো আমি একজন প্রবাসি কিন্তু কি ভুল ছিলো আমি ঠিক মত বুঝতে পারি নাই আমি ৫ থেকে ৬ বার ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম আমাকে শুধু গুরায় পরে একদিন ভূমি অফিসের নায়ের আমাকে বলে নামজারি করতে সাধারণতো ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা লাগে কিন্তু তোমার নামজারি করতে ডাবল টাকা লাগবে কারণ অন্যান্য স্যারদেরকে টাকা দিতে হবে
আমি সৌদি আরব প্রবাসী ৬ ডিসি মেন্ট যায়গায় খরিদ করি, ৫৬ রেকর্ড ছিল বা সাবেক দরন বা জমির শ্রেণী ছিলো ছাড়া বাড়ি আমি যখন খরিদ করি তখন ও টিক ছিল, বি এস রেকর্ড আগের জমির মালিকের নামে চলমান রেকর্ড আগের মালিকের নামে চলে যায়, শ্রেণী ছিল চারা বাড়ি এটা এখনো বতমান রেকর্ড বিট বাড়ি এটা চেঞ্জ করতে এতো টা দিতে হবে না হলে হবে না,
Tk nah dile amr mutation Hobe nah amr kagoj e jamela ace tk dile kore dibe tk nah diye 3 bar application korci cancel korce pore tk dici kaj kore dicee
নামজারি সাভেয়ার এ রিপোট দেওয়া জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে
ইউনিয়ন অফিসে, উপজেলা অফিসে টেবিলে টেবিলে ঘুষ দিতে হয়