নাজারি
টাকা না দিলে নামজারি হবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে নামজারি হবে না
আমাদের জায়গা দিয়ে সরকারি গ্যাস লাইন যাবে, সরকার ওই জমিটুকু মূল্য আমাদেরকে দিয়ে দিবে। কিন্তু ওই টাকা তুলতে গেলে প্রতি ১ লাখে১০০০০ টাকা করে দিতে হয়
একটা নামজারি করার ছিল। কিন্তু অফিস এর লোকজন সেটা আবেদন করে দিতেও চায়না। আবেদন করলে তা বিভিন্ন কারন দেখিয়ে বাতিল করে। পরে অফিসের বাহিরে থাকা এক দালাল আমাদের জানায় যে টাকা ছাড়া কাজ হবে না। টাকা দিলে এটা ১৫ দিনের মধ্যে নামজারি হবে। সে বলে সব স্যারেরা টাকায় কাজ করে। পরে ৭০০০ টাকা দিয়ে নামজারি টা ২৩ দিনের মাথায় পাই। এই হলো ভুমি অফিস। আমি বলি এটা হলো, দেশের নাম্বার ১ ঘুসের অফিস। যেখানে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
আমি অনলাইনে আবেদন করার পর ভুমি অফিস থেকে approved নেওয়ার জন্য গেলে ৪খতিয়ানে ৮০০টাকা ঘুষ দাবি করে, টাকা না দিলে কাজ হবেনা অলরেডি একদিন আগে জমা করা হয়েছে কিন্তু আমাকে ফিরিয়ে দেয়, কি আর করার টাকা দিয়েই aapprovel নিতে হলো।
প্রথমে অনলাইনে আমি নিজেই আবেদন করি। করিগঞ্জ পৌর ভূমি অফস থেকে আমাকে জানানো হয় হার্ডকপি জমা দিতে হবে। আমি হার্ডকপি জমা দেই। আমাকে জানানো হল পিতার নামে গড়মিলম্।ি এফিডেফিট করে সংশোধন করতে হবে। এই কথা বলে আমার আবেদনটা বাতিল করে দেয়। পরবর্তিতে এফিডেফিট করে সংশোধন করলাম এবং ২য় বার আবেদন করলাম। ২য বার হিস্যা সঠিক নয় কারণ দেথিয়ে আবার বাতিল করা হয়। অথচ আমার আবেদনে হিস্যায় কোন গড়মিল ছিলনা। ৩য় বার আবেদন করি। এইবার খাস জমির নিকটবর্তী দেখিয়ে বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে একটা দালালের কাছে গেলাম। সে আমার নিকট ৬০০০০ টাকা দাবী করল। অনেক বলে কয়ে ৫০০০০ টাকায় রাজী করালম। ৩ দিনের মধ্যে আমার কাজ হয়ে যায়। অথচ এই নামজারির জন্য আমি ৬ মাস ঘুরেছি।
আমাদের ৮ শতাংশ জমি দুই ভাইয়ের নামে আছে, তো সেটা নামজারি করে আলাদা দলিল করতে গিয়েছিলাম, প্রথমে বলল যে এখন এই সেবা বন্ধ আছে, তার কিছুক্ষণ পরেই পিয়ন সাহেব বলতেছে ঠিক করা যাবে, কিন্তু স্যারদের কিছু চা পানির ব্যবস্থা করতে হবে, আমি পরিমাণ জিজ্ঞেস করলে বলে যে ৪০০০০ টাকার মতো হলেই হয়ে যাবে।
আমার মাটি একটি দাগ ছিল পরে দেখি ২ টি দাগ আমি বললাম আমার মাটি ১ টি দাগ rs খতিয়ানে করা আছে আপনি একটি দাগ করে দেন উনারা বলছে টাকা লাগবে আমি বললাম এইটা আপনাদের ভুল টাকা কেন দিব উনারা বললো তাহলে ২দাগে নিতে হবে এমন কি আমারা দাগ হাত ছাড়ার উপাই
আমি ২০২৪ সালে আরামবাগ মিরপুরে একটি ফ্লাইট কিনেছিলাম আমার সারাজীবনের প্রবাসী সঞ্চয় দিয়ে। তেজগাঁও সাব রেজিষ্ট্রেশন অফিসে সাব কালেক্টর ১২০০০০ টাকা ঘুষ খাবেন না হলে ২ বছরেও রেজিষ্ট্রেশন হবে না। দিলে ১ দিনেই পাবো। কি করবো বাধ্য হয়ে দিয়ে আসি। এইভাবেই ভুমি অফিসের সরকারি লোকজন কোটি কোটি টাকার মালিক হচ্ছে। আমরা কি করবো? কার কাছে যাবো। মুভিতে যে রকম হিরোর উদয় হয় আমাদের বাস্তব জিবনে কি এমন কেও আসবে না.... আল্লাহ আপনি আমাদের জন্য তাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান..
আমার বাবার বাড়ি। আমাদের ভাই বোন দের নামে নামজারি তিন বার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তৃতীয় বার প্রত্যাখ্যানের কারণ ছিল, আমার বাবা তার নামে নাম খারিজের সময়,খারিজের জন্য যে ফি হিসেবে টিকা জমা দিয়ে ছিল তার কপি তাদের লাগবে।
মূলত ঘটনা আমার বাবার। আমাদের ভিটে বাড়ির জায়গার খারিজ,জরিপসহ কোনো ট্যাক্স প্রদান করা হয়নি। ফলে জায়গাটি সরকারিকরণ হয়ে যায়। ফলে আমার বাবা মামলা করেছে। এতে সরকারি নামকরণ থেকে নাম কেটে দিয়েছে। এখন নামজারি করতে ভূমি অফিট থেকে ৫ লাখ। আর দালালচক্র এক্সট্রা ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছে।
২০ টাকার কাজ ১০০০ টাকা নিয়েছে
জমি টি আমার দাদুর নামে ছিল। এখন আমার দাদু এবং বাবা দুজনে মারা গিয়েছে তাই আমার ২ ভাই এর নামে খারিজ করে খাজনা দিব। আমার সব কাগজ ঠিক আছে। আমাকে সরাসরি বলে ২০০০ এর নিচে আমরা নেই না। এটাদেন কাজ হয়ে যাবে।আমাকে ৩/৪ দিন যেতে হয়ে টাকা দেই না বলে। পরে টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি।
আমি ভূমি অফিসে তিনবার খারিজের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি তিন বাড়ি নামঞ্জুর করা হয়েছে পরে বাধ্য হয়ে দালালের কাছে টাকা দিয়া দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে
জমি রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে ফেনী টাউনের ভূমি অফিসার প্রতি ফাইলের জন্য ২৫,০০০ টাকা করে ঘুষ নিচ্ছেন। টাকা না দিলে জমি রেজিস্ট্রেশনের ফাইল পাস হয় না এটাই যেন এখানকার অনিয়িখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য,এই অবিচারের বিরুদ্ধে কেউই মুখ খুলছেন না। প্রতিবাদ করলে কাজ আটকে যাবে বা আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হবে এমন ভয়ে সবাই নীরব থেকে সবকিছু সহ্য করে যাচ্ছেন। কিন্তু সবার এই নীরবতার সুযোগ নিয়েই দুর্নীতি আজ সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়েছে.
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশনে লাইনের গ্যাস এর মালিকানা নাম পরিবর্তনে সাধারণত ৫ হাজার টাকা লাগার কথা সরকারী নিয়মানুযায়ী। কিন্তু আমি গ্যাস অফিসে গেলে তারা ১৫,০০০ টাকা দাবি করে। আমার পরিচয় ও বিভিন্ন কথা বলার পর ১০,০০০ টাকা দিতে বলে। টাকা দেয়ার সময় বলে- "টেবিলের নিচে টাকা ফেলুন, উপরে সিসি ক্যামেরা আছে। আরো বলে যে- ওয়াশরুমের ভিতর ঢুকে টাকা গুলো গুণে গুছিয়ে নিয়ে এসে টেবিলের নিচে ফেলুন। আমি ১০০০০ টাকা তার পায়ের নিচে টেবিলের নিচে ফেলেছি। তারপর সে আমার কাজ টা করে দিয়েছে। তার মানে এখানে সে/তারা ৫০০০০ টাকা ঘুষ খেয়েছে। গ্যাস অফিসের অবস্থান: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন, বাইপাইল (এস.এ. কুরিয়ার অফিসের পাশে), আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।
ভূমি জরিপের কাগজ আনতে সার্ভেয়ারকে দিতে হয়েছে। তিন হাজার টাকা চেয়েছে। না দেওয়ায় ১৫ দিন ঘুরিয়েছে। পরে ১ হাজার দিতে বাধ্য হয়েছি। একবার এই টেবিলে পাঠায় আরেক বার আরেক টেবিলে পাঠায়। দুনিয়ার সব কাগজ যোগাজ করতে হয়েছে। কিন্তু টাকা পাওয়ার পর কোনো কাগজ ছুঁয়েও দেখেননি। ঘুষ খাদক ভদ্রলোকের নাম ও মোবাইল নাম্বার আমার কাছে সেভ করা আছে।
লোহাগাড়া, আধুনগর হাসমহলে কর্মরত মহিলা এবং বারান্দায় বসা ছেলেটা নামজারি করতে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেই। দিতে না চাইলে ফাইল ফেলে রাখে এবং মিথ্যে মামলার হইরানি করে। প্রতিবাদ করলে হুমকি দেই আর নাইলে ফাইলে ভুল করে দেই।
আমার বাবার নাম তারা তাদের সার্ভারে ভুল করে। যার সংশোধন করতে এবং আমার বাবার সম্পত্তি আমার বাবার নামে করে দিতে,তার বিনিময়ে পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
২০০৪ /২০০৫ সালের দিকে দুটি জায়গা নাম জারি করতে আমার প্রায় ১০০০০ টাকার উপরে ঘুষ দেয়া লাগছে, ষোলশহর ভুমি অফিসে।
একটা মিস কেইসের আবেদন করেছি, সেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে শুনানি পর্যন্ত মোট ৫০০০ টাকার মতো ঘুষ লাগছে, কতবার যে যাওয়া লাগছে তার কোন হিসেব নাই, এখন কানুনগোর কাছে আটকে আছে আরো টাকা পরিশোধ না করার কারণে। আরো কত টাকা লাগবে জানিনা। আর মিউটেশন করতে আরো অনেক দিতে হবে।