নামজারী
জেলা পরিষদে নামজারি ফাইল আটকিয়ে রাখে বিগত ৬ মাস যাবৎ, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করার কারণে। নিজের প্রয়োজনে দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করি তারপর প্রতিশ্রুতি দেয় যে ফাইল পৌঁছে যাবে এবং কোনো সমস্যা হবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জেলা পরিষদে নামজারি ফাইল আটকিয়ে রাখে বিগত ৬ মাস যাবৎ, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করার কারণে। নিজের প্রয়োজনে দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করি তারপর প্রতিশ্রুতি দেয় যে ফাইল পৌঁছে যাবে এবং কোনো সমস্যা হবে না
খতিয়ান তুলতে অতিরিক্ত টাকা লাগছে।
পর্যায়ক্রমে তিন টি জমি ক্রয় করার পর মিউটেশনের জন্য আবেদন করার পরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আমার কাগজ পত্র যাওয়ার পরে ইউনিয়ন ভূমি সরকারি কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ঘুষ দাবি করে সেই মোতাবেক ঘুষ প্রদান না করলে আমার কাজটা হবে না বিদায় আমি তিনবার তিন হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করি বাধ্য হয়ে
পারিবারিক সম্পত্তি বন্টন দলিল হওয়ার পরে মেডিটেশন করানোর জন্য যখন গিয়েছি ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন জাহাজ বিভিন্ন ভুলত্রুটি দেখিয়ে টাকা নেয়ার জন্য জিম্মি করেছিল আমরাও অপারগস্ত হয়ে বহু বছরের রঙিল একটা সম্পত্তি দলিল হয়ে যাওয়ার পরও সামান্য একটা টিউশনের জন্য কেন ঝুলে থাকব টাকার বিনিময়ে হলেও করিনি যেখানে ১১৭০ টাকা সরকারি বিল পরিশোধ করার কথা ওখানে এক দলিলে 20 থেকে 25000 করে নিয়েছিল। উপরে কর্মকর্তারা তাদের কিছু পিওন রেখেছে দাম দর করার জন্য ,,তাদের কাজ হচ্ছে শুধু ভুল ধরে দিবে সমাধান দিবে পিয়ন।
আমার বাবা গত ২০২৫ এর অক্টোবর মাসে ১৫ তারিখ আখিরাত এর বাসিন্দা হয়ে যায়, আল্লাহ তাকে জন্নাত বাসী করুন আমিন। আমি তার ছেলে ওয়ারিশ হিসাবে, আব্বার রেখে যাওয়া সম্পদ সকল ওয়ারিশ এর নামে নাম জারি প্রয়োজন মনে করে স্থানী একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ নাম জারি আবেদন করতে যায়। তারা এই কাজ সঠিক ভাবে করিয়ে দিতে চায়, তবে অতিক্রম অর্থ দাবি করে। “তারপর নামজারি ১১৭০ টাকার কথা বললে তারা বলে, ঠিক আছে আবেদন করে দিচ্ছি, এর পর সকল কাজ আপনি নিজে থেকে করে নিয়েন। বিষয়টি সমস্যা দেখে আমার খালু (পূর্বে অভিজ্ঞতা) থেকে তাদের কিছু টাকা দিয়ে কাজ টি করিয়ে নিতে বলে। এর পর বিভিন্ন কিছু বুঝার পর তাদের হতে টাকা দিয়ে কাজটা করিয়ে নেই। #এগুলো প্রথম অভিজ্ঞতা ছিলো, তাই বেশ অবাক হয়েছি।
ওড়াকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা প্রত্যেক ফাইলের জন্য এক হাজার টাকা করে ঘুষ নেয়
আমি নামজারী করার জন্য আবেদন করেছি। যাওয়ার পর আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে। তারপর বলেছে ৬ শতক জায়গার জন্য ৬০হাজার টাকা দিতে হবে।
Ghush chara dolil hobe na shob kagoj thik thakleo. 50 hajar dewar poreo kisu dhomok dilo moktarke Tarpor dolil korlo. Ghush o nilo tarporeo kharap bebohar kore poribesh dushito korlo. Gonno manno manush shobai mon kharap kore firlo.
জমি ক্রয়ের পর নামজারী আবেদন করেছিলাম নিজেই অনলাইনে, কিন্তু তা বাতিল করা হয়। এ বিষয়ে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে ভূমি কর্মকর্তা বলে যে, কন্টাকে না আসলে নামজারী হবে না, বাতিল করা হবে। ১৫,০০০ টাকায় কন্টাক করি এবং নামজারীও হয়ে যায়।
জমির নামজারি করে দিবে
তেরোশো টাকা নামজারিতে লাগে সরকারিভাবে কিন্তু আমাদের এখানে সব অফিস সাড়ে সাত হাজার টাকার নিচে কোন নাম জারি হয় না
ফাইল আটকে রাখা হয়েছে। যতবার যাই ততবারই বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা করে। আমি ওনাদের কথামতো সমস্ত ডকুমেন্ট সাবমিট করেছি। সরকারের নিয়ম মোতাবেক ৩২ দিনের মধ্যে নামজারি হওয়ার কথা। আজকের দশ মাস অতি করেছে। আমি ঘুষ দেয়ার পক্ষে না।
নাম জারি করতে হবে তো তারজন্য খাজনা দিতে হবে তবে আগে নাম পত্তন করতে হবে বলে টাকা নিয়েছিলো ।
জমি ক্রয়ের পরে নামজারির জন্য আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছিলাম সেই আবেদনের কোনো আপডেট দেয়নি। এরপর ভূমি অফিসে যেয়ে যোগাযোগ করলে আমাকে জানানো হয় এভাবে আবেদন করলে তারা সেটা আমলে নেয় না। এরপর জমির খাজানা বাদেও অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দাবি করে। কাজটি জরূরী এবং ঘুষ ছাড়া অন্য কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে সেই টাকা দেয়ার পরে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আমার কাজটি হয়ে যায়।
জমির জামজারি করতে টাকা চেয়েছিলেন
দলিল রেকর্ড করেতে দিছিলাম তখন তসিলদার সরকারি ফি ছাড়াও ৩০০০হাজার টাকা বেশি নিয়েছে
ভূমন কর। সরকারি ফি ১৫০/- কিন্তু ভূমি অফিস নানান বাহানা করে বলে এখন অনলাইনে করা যাবে । আমরা বললাম করে দেন । তখন বলে লোক নেই । পরে আসেন । পরে গেলে দেখা গেল আরেক জন লোক বসে আছে, সে ৯০০০/- টাকা লাগবে বলে দিল ।
জরীপ অফিস থেকে রেকর্ড তঞচকতা করা হয়। সংশোধনের জন্য আবেদন করার পর উপজেলা সেটেলমেনট অফিসে ৳৫০০০০.০০, জোনাল সেটেলমেনট অফিসে ৳৭০০০০.০০ , সার্ভেয়ারকে ৳২০০০.০০ , মোট ৳১২২০০০.০০ ঘূষ দিতে হইছে ।
ই নামজারী আবেদনের রিপোর্ট করাতে ৫০০ টাকা দাবি করা হলো না দিলে তারা রিপোর্ট করাবে না অথচ আমরা ক্যানসার রুগির চিকিৎসার জন্য নামজারি করতে এসেছিলাম। শেষমেশ টাকা দেওয়ার পরই খসড়া রিপোর্ট বানিয়ে দিলো নায়েব সাহেব।
ঢাকা সিলেট রোডের ভূমি অধিগ্ৰহনে আমাদের কিছু জমি পড়ে এবং টাকা তুলতে গেলে ওরা বলে লাখে তিন হাজার টাকা দিলে আমাদের টাকা দ্রুত দিয়ে দিবে নয়তো ইটা অনেক লম্বা প্রসেস,, টাকা তুলতে অনেক সময় লাগবে। আমরা এখনো টাকা দেই নাই এর জন্য আমাদের টাকা এখনো ঝুলে আছে। আমাদের আশেপাশের প্রতিবেশিরা অনেকে লাখে তিন হাজার টাকা দিয়ে ওদের সম্পূর্ণ টাকা নিয়ে এসেছে।