নামজারি
২৫ হাজার টাকা চেয়েছিল পরে এক বড় ভাইকে দিয়ে উনাকে ফোন করিয়ে ২৫ হাজারের স্থলে ১২০০০ টাকা দিয়ে এসেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২৫ হাজার টাকা চেয়েছিল পরে এক বড় ভাইকে দিয়ে উনাকে ফোন করিয়ে ২৫ হাজারের স্থলে ১২০০০ টাকা দিয়ে এসেছি।
সরাসরি,অফিস চলাকালীন, অফিস সহকারী
I am buy a flat and apply for nam jari but 3 times they refuses for some silly reason . And they demand 45000 tk for nam jari . When i paid this amount they do the work . Computer operator and office secretary take the amount. Even ACland also them to do the work but they don't do the work.
২০২২ সালে আবার বাবার জায়জা নাম জারি করতে হাটহাজারী ভুমি অফিসে আমার কাছে সবমিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা দাবি করে কর্মকর্তারা। তারা বলে এটাতে অনেক কাজ আছে, এখান হতে সেখানে যেতে হবে, তাই খরচ আছে। অথচ সরকারি ১১৭০ টাকা ব্যতিত আর খরচ থাকার কথা নয়। পরে টাকা না দেওয়ায়, আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আবেদন খারিজ করে দেয়।
ফরিদপুর জেলার চর ভদ্রাসন উপজেলার অনেক ইউনিয়ন ভূমি অফিস তার মধ্য গাজিটেক ইউনিয়ন অফিসে ঘুষের ছড়াছড়ি একটু বেশি যে কোন কাজ করতে গেলে টাকা ছাড়া হয় না, ঔ অফিসে একজন মাষ্টার রোল এ ড্রাইভার আছে যে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে গাজিরটেক ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কম্পিউটারের কাজ করে, কেউ কোন কাজ নিয়ে অফিসে গেলে তিনি ঘূষ দাবি করেন, এই অফিসের যিনি ভূমি সহকারি আছেন তিনি প্রবিন হওয়ায় কম্পিউটার চালাতে পারে না সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একজন মাষ্টার রোল ড্রাইভার মাসে লাখ লাখ টাকা ঘুষ নিচ্ছে। আমরা চাই এর একটি প্রতিকার হোক
আমি অনলাইনে সরকারী ফি দেয়ার পরেও পর্চা উত্তোলনের সময় , প্রথমে কাগজ আসেনি বলে জানিয়ে দেয় । কিছু সময় পরে সেখানের লোক আমাদের কাছে প্রতি ডকুমেন্ট ১০০০ টাকা দাবি করে । আমি প্রত্যাখ্যান করি ।
২ টি নামজারীর জন্য ২০০০০ টাকা চেয়েছিল পরে১৬ ০০০টাকার বিনিময়ে করে দিয়েছে।
একটা নামজারী আবেদন। কোম্পানীর নামে জমি ছিলো, সেটা আমি কিনে নিজের নামে নামজারী করাইতে পারছিলাম না। অবশেষে সার্ভেয়ার এবং অন্যান্য কর্মচারীদেরকে দেড় লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারীর কাজ করাইতে রাজী করিয়েছি।
জমি খারিজ করতে ১০০০০ টাকা চেয়েছিল। পরে পরিশোধ করলে তারা কাজ করে দেয়।
প্রতিবেদন দিতে রাজি না হওয়ায়, পাশের জন পরামর্শ দিল ২০০০ টাকা দিতে।
টাকা না দিলে নামজারি হবে না, সেজন্য টাকা দিয়ে নামজারি করতে হয়েছে,
খারিজ খতিয়ান করে দেবে এই জন্য আট হাজার টাকা লাগবে আর সরকারি খরচ কম
ami jomir kagoj dekhte geacilam tara amr kace 3000 tk chai ami baddho hoiye diyesi
আমি আমাদের কেনা জমির রেকর্ড স্টোর করতে গিয়েছিলাম। সব ঠিক ছিল, তবুও ৩০-৩৫ হাজার টাকা দাবী করেছে। আমরা ৫-৮ হাজার দিব বলেছি, তারা আর কিছু বলে নি। এখনো হোল্ডে আছে।
Bhumi office khotian dea jonno ghush azide
জমি খারিজ করতে গেলে নায়েবসহ স্টাফ বিপুল পরিমান টাকা চায়। টাকা না দিলে কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও প্রস্তাব প্রেরন করে না এতে খারিজ বাতিল হয়ে যায়। বর্তমানে মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিচ্ছে। এমনকি টাকার বিনিময়ে সমস্যা জনিত জমি খারিজ হয়ে যায়।
নামজারী করতে চাই কম্পিউটার দোকানে টাকা দিলে ফাইল পার হয়।সরাসরি করতে গেলে হয়রানি করে।
গত ২৭-০৩-২০২৪ ইং তারিখে আমি একটি নামজারীর আবেদন করি আমার সব কিছু ঠিক থাকার পরে ও আমার আবেদন বাতিল করে দেয় কারণ হিসেবে উল্লেখ করে কর প্রদান করেন নাহ অথচ খারিজ করার পরে কর পরিশোধ করার সিস্টেম। একই ফাইল আবার অফিস সহকারীকে দিয়ে করানো হয়েছে টাকা নিয়েছে ৮ হাজার। অফিস সহকারী বাতিল হওয়া আবদেন থেকে আমাী নাম্বার নিয়ে কল করে।
আমি একটি জমির অংশসহ ফ্ল্যাট ক্রয় করি। আমি অনলাইনে নামজারির আবেদন করি। কাগজপত্রের ফটোকপি নিয়ে উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার অফিসে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)-র অফিসে গেলে কাগজপত্র এই অফিসে না ঐ অফিসে জমা দিতে হবে, এসব বলে ঘুরায়। পরে আমি ৩ ঘন্টা অফিস থেকে অফিসে ঘুরে শেষে জমা দিয়ে আসি। কিছুদিন পর দলিলে ভুল আছে বলে খারিজ নামঞ্জুর করে দেয়। অথচ একই দলিল শুধু নাম ঠিকানা পালটে প্রায় ২০ জনে আলাদা আলাদা ফ্ল্যাট কিনে এবং অনেকেই নামজারি করে নিয়েছে। পরে আমি শুনলাম টাকা ছাড়া আবেদন করলে আ কার এ কার ভুল হয়েছে দেখিয়ে নামঞ্জুর করে দেয়। পরবর্তীতে এক দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিয়ে নামজারি করাই। কাগজপত্র সব একই কিন্তু এবার নামজারি হয়ে গিয়েছে। এসি ল্যান্ড থেকে পিয়ন পর্যন্ত কেউ ঘুষ ছাড়া কাজ করে না এখানে।
আমাদের জায়গার ভুমি কর ৪৯ বছর বকেয়া দেখাচ্ছে, অথচ আমরা ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রদান করা আছে, সেই তথ্যটা অনলাইনে আপ্লোড করছে না, সেখানকার তহসিলদার। বিভিন্নভাবে হয়রানিমুলক কথা বলছে