Police Niyog
Ami police TRC poder Jonno filed work e pass Korar por Amar kach theke 1400000 tk chawa hoi. misty khawar Jonno. Ami dei ni, and job o korini. in sah Allah Amar aro valo chakuri Hobe.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Ami police TRC poder Jonno filed work e pass Korar por Amar kach theke 1400000 tk chawa hoi. misty khawar Jonno. Ami dei ni, and job o korini. in sah Allah Amar aro valo chakuri Hobe.
আমার ডিপিএস-এর মূল কাগজটি হারিয়ে গেছে। তাই আমি জিডি করে টাকা উত্তোলনের আবেদন করার জন্য থানায় যাই। সেখানে ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি জানালে তিনি ভিতরে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে বলেন; তিনি বেশ আন্তরিক ছিলেন। পরে কম্পিউটার অপারেটর অনলাইনে সব কাজ সম্পন্ন করে দেন। কাজ শেষে তিনি টাকা চাইলে আমার সহকারী তাকে কত টাকা দিতে হবে জিজ্ঞেস করলে তিনি ৫০০ টাকা দাবি করেন। থানার ভিতরে অন-ডিউটিতে জিডি করার জন্য টাকা চাইতে পারে—এমন ধারণা আমি আগে করতে পারিনি। পরে আমার সহকারী তাকে ৩০০ টাকা দিয়ে দিলে আমরা জিডির কাগজটি হাতে পাই।
আপনি যে কোন কাজেই জাবেন না কেন টাকা দিতে হবে। আগ্রাবাদ শিপিং অফিস
আমাকে মারধর করার পরে থানায় মামলা করতে যাওয়ার পর পুলিশ ঘুষ দাবি করে।
১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে আমি ১০ম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে যোগদান করি। ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আমার মোবাইলে ডিএসবি —(017-----------16) নাম্বার থেকে কল আসে। স্বাভাবিকভাবেই তাদের সাথে কথা হয়।আমি যেহেতু পূর্বে BREB জব করেছি সেজন্য ভেরিফিকেশনের সকল ডকুমেন্টস বাসায় রেখে আসি।তারা যাওয়া মাত্র সকল ডকুমেন্টস বের করে দেওয়া হয়। কাগজপত্র বের করে দেওয়া হলে সবকিছু চেক দেয়।এরপর তারা মিষ্টি খাওয়ার জন্য ৭০০০/- টাকা দাবী করে।আমি বাসায় না থাকায় আমার সহজ সরল বাবা মা কষ্ট করে ৩০০০/- টাকা ম্যানেজ করে দেয়। সন্ধ্যায় বাসায় কল দিয়ে জানতে চাই,"তারা টাকা দাবী করছে নাকি।" বাবা বলে হ্যা ৩০০০টাকা নিয়েছে ৭০০০ টাকার কম মানে না। আমরা আসলে কোন দেশে আছি। সব শালারা চোর,দুর্নীতিবাজ
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, নেত্রকোনায় টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না। জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত দুইজন কর্মকর্তা কে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না দিলে দূরে বদলি করে দেয়। টাকা দিলে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে। প্রতি বছর দুইবার নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়। টাকার পরিমাণ কম হলেও বদলি করে দেয়। টাকা দিলে আবার অর্ডার বাতিল করা হয়। এটা একটা চলমান প্রসেস।
অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে ১৪ লক্ষ টাকা দিয়েছি। কিন্তু ভাইভাতে আমাকে টিকানো হয় নাই। আমার টাকাও ফেরত দিচ্ছে না।
আমি একটা হেলথ সার্টিফিকেট নিতে গিয়েছিলাম তো কম্পিউটার যে ছিল সে আমার কাছে সে ফি হিসাবে এক হাজার টাকা দাবি করে কিন্তু সিভিল সার্জন বলছিল কোন টাকা লাগবে না কিন্তু সে আমাকে বলে টাকা না দিলে সে আমাকে সার্টিফিকেট দিবে না তাই এক পর্যায়ে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই
Tk5000 na dile family card hobe na
এপ্রিল ২০২৪ সালে একটি রোড এক্সিডেন্ট হয়েছিল। খানজাহান আলি থানার এক ASI ২৫০০০ টাকা নিয়েছেন ভিক্টিম কে ক্ষতিপুরন দেবেন আর কোনো হয়রানি মামলা করবেন না। কিন্তু তারা ভিক্টম কে কোনো আর্থিক সহায়তা দেননি। পুরো টাকা টাই সেই দুর্নীতি বাজ ASI নিজ কাজে ব্যবহার করেছেন।
ছাদের উপর চোর ধরলাম, কিছু উত্তম মধ্যম দিলে চোরের সহযোগীরা মিথ্যা উস্কানি দিয়ে পোলাপান দিয়ে কয়েকটি জানালার গ্লাস ভেঙ্গে চোর ছাড়িয়ে নিয়ে যায় । পুলিশে ফোন দিলে পুলিশ এসে তদন্ত করলো চোরের পিতা আজিমপুর কর্মস্থলে পুলিশ কনস্টেবল। যারা মিমাংসা করতে এসেছিলো এমন দুই বাড়িওয়ালাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেলো । টাকা না দিলে অপহরণ মামলার হুমকি। ৭০০০ টাকা দিয়ে মামলা থেকে বাঁচলাম। ঘটনা ২০০৫ সাল ।
আমার কারখানাটি এনআইভুক্ত কারখানা ছিল। পরে আমি কারখানাটিকে আরএসসি ভূক্ত করে সকল রেমিডিয়েশন কমপ্লিট করেছি। কিন্তু আমার কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করতে ডাইফ ঢাকা অফিসে গেলে অফিস প্রধান সরাসরি আমাকে বলে যে, যতই রেমিডিয়েশন কমপ্লিট করেন না কেন কারখানাটি এনআইভুক্ত কারখানা ছিল তাই মহাপরিদর্শক নবায়ন করতে নিষেধ করেছেন। ০২ লক্ষ টাকা দিলে নবায়ন হবে। উপরে ম্যানেজ করতে হবে। পরে এক লক্ষ টাকা পরিশোধ করি।
কোন প্রকার ভাইবা পরীক্ষা দেওয়া লাগেনি সরাসরি নিয়ে নিয়েছে এবং কাজ শেষে তারা ৳500 করে নিয়েছে....... ইলেকট্রনিক্স ডিপার্টমেন্ট হেড উনি সরাসরি নেননি কিন্তু উনার ভাই ছোট ভাইকে দিয়ে উনি এগুলো টাকাও নিয়েছেন
২০২০ সালে তামাবিল-ডাউকি স্থল বন্দর দিয়ে ভারত গিয়ে ছিলাম ৷ ইমিগ্রেশনে পুলিশের স্পেশাল ব্যাঞ্চের লোককে তাহাদের নিয়মতান্ত্রিক সহনীয়মাত্রায় ১০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে ৷ সবাইকেই দিতে হয়েছে ৷ না দিলে departure সিল দিবে না ৷ এখনকার খবর জানি না ৷ হয়তো রেট বেড়েছে ৷
**বিষয়: এনআইডি সংশোধনের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ।** আমি আমার আম্মুর এনআইডি সংশোধনের জন্য **রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে** যাই। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এনআইডি সংশোধনের কাজ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী আমার কাছে **৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেন**। আমি উক্ত ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে আমার কাছে হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ পাঁচ টাকা স্কয়ার ফিট দাবি করে পরবর্তীতে UNO এর সাথে কথা বলে একটা আবেদন জমা দেই পরে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক তিন টাকা হারে টাকা জমা দিতে টাকা দিতে বলেন, এর মধ্যে দুই টাকার হাড়ের রশিদ দিবে বাকি টাকা ওরা খেয়ে ফেলবে এবং আমাকে দুই টাকা হারের রশিদ দিয়েছে।
**বিষয়: এনআইডি সংশোধনের জন্য ৪০,০০০ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ।** আমি আমার আম্মুর এনআইডি সংশোধনের জন্য **রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে** যাই। উক্ত অফিসে প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা, একজন সহকারী মহিলা কর্মকর্তা (ম্যাডাম) এবং আরও একজন কর্মকর্তা/কর্মচারীসহ মোট তিনজন কাজ করেন। এনআইডি সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আমার কাছে থাকা সত্ত্বেও সেখানে কর্মরত **সহকারী মহিলা কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আমার কাছে ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করা হয়**। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানাই। উল্লেখ্য, একই অফিসে কর্মরত অপর একজন কর্মকর্তা, যিনি হুজুরের মতো দেখতে, তিনি আমার সঙ্গে ভালো আচরণ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই
আমি ২ বারে ২ জনের সাথে তাদের বৃদ্ধ ভাতার মোবাইল নম্বর পরিবর্তন সাহায্য করতে তাদের সাথে কাঠালিয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসে যাই। বৃদ্ধ ভাতার এম. এফ. এস. মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করার জন্য সমাজসেবা অফিসে গেলে তারা প্রথম জনের কাজের জন্য ২০০ টাকা দাবি করে, তখন কথা না বাড়িয়ে দিয়ে আসি। কিছুদিন পরে আরেকজনের একই সমস্যার সমাধানের জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে, পরিস্থিতির জন্য ৫০০ টাকা দিয়ে আসতে হয় আমাকে। ওখানে আসলে সরকারি ফি কত টাকা বা আদৌ আছে কিনা আমার জানা নেই।
ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি জানান,দুইজন উদ্যোক্তা আছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য, ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তাদের কাজ হচ্ছে,সেবা প্রার্থীদের সরকার নির্ধারিত ফির মাধ্যমে (সর্বোচ্চ ৫০ টাকা) সেবা গ্রহীতাদের অনলাইন আবেদন করে দেওয়া কিন্তু উদ্যোক্তারা সেটা না করে সরাসরি সেবা গ্রহিতাকে বলছেন ট্রেড লাইসেন্স করতে ২০০০টাকা লাগবে এবং আমি যেসব কাগজের কথা বলবো সেগুলো আমাকে দিতে হবে, তার মানে চুক্তি নিচ্ছেন, অথচ সাধারন একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে সরকারি খরচ ৭৫০-৯০০টাকা, বাকি ১০০০ টাকা উদ্যোক্তারা ঘুষ হিসেবে নিচ্ছেন।
পুলিশ তদন্ত এর জন্য আস্তে চাই না।কোট থেকে তাকদের তদন্ত এর জন্য আদেশ দিলে ও পুলিশ আসে না তাদের সাথে যোগাযোগ করলে বলে টাকা দিলে আসবে তখন টাকা দিতে বাধ্য হয়