মামলার তদন্ত
সমাজসেবা অধিদপ্তরের সিলেট প্রবেশন অফিসে ঘুষ দেয়া হয়েছিল। উকিল মনে হয় বলে দিয়েছিল কি না জানা নেই। তবে ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিল তাও আবার রমজান মাসে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের সিলেট প্রবেশন অফিসে ঘুষ দেয়া হয়েছিল। উকিল মনে হয় বলে দিয়েছিল কি না জানা নেই। তবে ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিল তাও আবার রমজান মাসে।
আমার নামে একটা মিথ্যা মামলা চলমান সেটার জন্যে থানা থেকে ওসি ফোন করে বলে তোমার নামে একটা রিপোর্ট জমা দিতে হবে । সে জন্য কিছু খরচ দিতে বলে আপ্দার ছিল বেশি, আমি তাকে ৫০০০ টাকা দিয়ে আসি । আদালতে গিয়ে রাষ্ট পক্ষের আইনজীবী মামলা শেষ করার জন্যে আপদার করে এক লক্ষ টাকা তাকে আমি পর্যায় ক্রমে দিবো বলে এখন পর্যন্ত দিয়েছি দশ হাজার টাকা।
আমি তাকে বলে জন্ম নিবন্ধন করতে হবে সে আমার কাছে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে
বিদ্যুৎ সংযোগ করতে পোল ও মিটারের জন্য ২৫০০০/ টাকা দাবি করলে আমি প্রথমে প্রত্যাখ্যান করি, কিন্তু ধাপে ধাপে আমার কাছে ৩৫০০০/ টাকা আদায় করে। কানসাট অফিস ও চাপাই নবাবগঞ্জ অফিস।
টাকা না দিলে আমার বাসায় নতুন হাউজ কানেকশন দিবে না ও মিটার দিবে না। এই জন্য টাকা নিছে চার ধাপে ৩৫ হাজার। টাকা ছাড়া ওয়াসার ঐ অফিসে একটা মিটারও ইশু হয় না।
আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য একটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের খুব জরুরী ছিল। তাই আমি রাউজান থানার সামনে কম্পিউটার দোকান থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করি। তারপর আমি আমার ফাইলটি থানায় নিয়ে যায়। থানায় থাকা কম্পিউটার অপারেটর যিনি ছিলেন তিনি আমাকে বললেন ১০০০ টাকা লাগবে। আর না হলে কাজ হবে না। পরবর্তীতে আমি আমার এক পরিচিত পুলিশ মামাকে ফোন করে বলি আমার কাছ থেকে টাকা চাইছে পরবর্তীতে আমার মামার সাথে কথা বলার পর আর টাকা নিল না। এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
এলজিইডি অফিস মানেই ঘুষের কারখানা, আপনি ঘুষ না দিলে আপনার ফাইল কোন ভাবেই পার হবে না। সেটা হোক কোন নেতা বা আপনি নিজেই। ল্যাব টেস্ট ১০০% কাজ করা হয়েছে, আপনাকে জানানো হবে আপনার কাজের মান খারাপ। আপনি ১০০% কাজ করেছেন আপনার কাজে ঘাটতি আছে। মাঠ পরিদর্শন থেকে শুরু করে, সমস্তই ঘুষ। কাজ পাওয়ার পর সিএস বাবদ টাকা টাকা পিডি অফিস + জেলা অফিস + উপজেলা অফিস মোট ২-৩% চলে যাবে। আর বিল করার সময় ১% করে তিন অফিসে ৩% ঘুষ বাধ্যতামূলক। ঘুষ না দিলে ফান্ড নেই,এখন বিল সম্ভব না। আপনি বাধ্য ঘুষ দিতে। লাস্ট ২ কোটি টাকার কাজে ৭ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছি, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।
গত ২৫ আগস্ট আমাদের বাসায় গত ৫ মাসের গ্যাস বিল পরিশোধ না করার কারণে গ্যাস অফিসের প্রতিনিধিরা আসেন। তারা জানান, আমাদের গ্যাসের চাবি ভেঙে গেছে। পরবর্তীতে তারা গ্যাসের রাইজার খুলে নেন এবং জানান যে, গ্যাসের বিল, বকেয়া সুদ ও ব্যাংকে কিছু টাকা জমা দিতে হবে। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী আমি গ্যাস বিল বাবদ ৫,৫৩০ টাকা এবং জামানত/অতিরিক্ত জামানত বাবত ব্যাংকে ৫,৯৭৬ টাকা জমা দিই। পরবর্তীতে আমাকে জানানো হয় যে, তাদেরকে আরও ৪,০০০ টাকা দিতে হবে, যা তাদের মজুরি হিসেবে দাবি করা হয়। আমি ওই ৪,০০০ টাকার বিষয়ে বৈধ কোনো ডকুমেন্ট, রসিদ বা সরকারি কাগজপত্র চাইলে তিনি তা দিতে পারেননি। অতিরিক্ত ৪,০০০ টাকা কোনো বৈধ কারণ, রসিদ বা সরকারি প্রমাণ ছাড়া আমার কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে। “এর প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে”
পুলিশ ডিপার্টমেন্টে এখনো বদলী বানিজ্য বিদ্যমান। নির্দিষ্ট পরিমান টাকা না দেয়া ছাড়া খুব কম সংখ্যক অধস্থন কর্মকর্তা কর্মচারিরাই তাদের চাহিত জেলা বা ইউনাটে চাকরি করার সুযোগ পায়। বিশেষ করে চট্টগ্রাম রেঞ্জের কুমিল্লা, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,চট্টগ্রাম এবং ফেনি জেলাতে বদলী হতে হলে কমপক্ষে ৮০% অফিসারকেই ২,৫০,০০০-৩,০০,০০০টাকা ঘুষ দিতে হয়। যদিও বিষয়টি পুলিশে ওপেন সিক্রেট ।
Govt job er police verification e basay ese taka demand kore 10000, ami 3000 payment kori jeno police kono jhamela na kore sejonne.
আর হারানো মোবাইল উদ্ধার করার জন্য জিডি করেছিলাম থানায় । পরবর্তীতে মোবাইল উদ্ধারের পর কিন্তু মোবাইল না দিয়ে আমার কাছে ৪০০০ টাকা চা খাওয়ার টাকা দাবি করা হয় পরবর্তীতে আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে মোবাইলটি নিয়ে আসি।
সম্প্রতি আমার একটি নামকরা বেসরকারী এনজিও থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য আবেদন করি যা টাঙ্গাইল এসপি অফিস এর অধিনে হয়, যেহেতু আমার স্থায়ী ঠিকানা টাঙ্গাইল সদর। আবেদনের প্রায় দেড় মাস পর গত ২০-০৮-২০২৬ তারিখে এসপি অফিস থেকে ফোন করে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে আমাকে এসপি অফিসে যেতে বলে । আমি পরের দিন যাওয়ার পর সে কাগজপত্র দেখে এবং বলে সব ঠিক আছে। আমি এপ্রুভ করে দেব কিন্তু ভাই সরকার তো আমাদের ভেরিফিকেশন এর টাস্ক বাবদ কোন টাকা দেয় না আমাদের ও তো কিছু খরচ আছে, এই বিষয় টা তো আপনার দেখতে হবে, আমি একটু নারাজি হওয়ায় তিনি ডাইরেক্ট বলেন ভেরিফিকেশন কবে হবে উনি সেটা বলতে পারবেন না! বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা দিলে তিনি বলেন ১ সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাবে।
কুমিল্লা পিডিবির উপ প্রকৌশলী আইয়ুব আলী প্রিপেইড মিটারের ভুলের কারনে রিসার্চ নিচ্চিলো না কয়েক মাস অন্য মিটারের লাইন চালানো হয় পরবর্তীতে ওরা এইটা চেক করে ১ লক্ষ টাকা দাবী করে ৪০০০০ এ দেনা দরবার এর পর লাইন ক্লিয়ার করে মামলার ভয় দেখিয়ে ওরে নিয়ে স্থানীর নিউজ এ রিপোর্ট ও হয় কিন্তু কোন সাজা হয় নি
বাবার মৃত্যুর পরে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য মৃত্যু সাল নিবন্ধনের সার্টিফিকেটটি প্রয়োজন ছিল যার অর্থে আমরা ইউনিয়ন পরিষদে যাই এবং তিনি সবকিছু নেওয়ার পরে সরাসরি কিছু সম্মানী বা কিছু চা পানি টাকা চেয়ে বসেন, কিছু করার নাই যদি টাকা পরিশোধ না করি দুই মাসেও এই সার্টিফিকেট পাবো না আমি প্রবাসে থাকি এতদিন ছুটি আমার হাতে ছিল না। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হল ।
জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি ছিলোনা, পাসপোর্ট করতে বাংলা ইংরেজি দুইটাই লাগবে তাই পউরসবায় আবেদন করেছিলাম। সর্বসাকুল্যে ১৩০০ টাকা দিতে হয়েছে। It is supposed to be free of cost.
তিনটনের গাড়ি প্রতি ৩০০ পাঁচ টনের গাড়ি প্রতি ৫০০ এই টাকা আশুলিয়া থানার এসপি ওসি ও ডিসি সহ ভাগ পায় এটা চাঁদাবাজের বক্তব্য। আমি ট্রিপল লাইনে কল দিয়েছিলাম পুলিশ আসছে চাঁদাবাজ কে এরেস্ট করে নাই।
সমাজ সেবা অধিদপ্তর এ প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করার পর। প্রতিবন্ধী কাড করার জন্য। গিয়েছিলাম সেখানে দাইত্ত রত বেক্তি সরাসরি বলে তাকে ১০০০ টাকা না দিলে সে কাড করে দিবে না। এবং ২০২৬ এর বাজেটে যে ভাতা আসছে সটা পেতে হলে তাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে না হলে সে কাজ করবে না
প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল সহ তাদের দাবি মাদ্রাসার উন্নতিকল্পে প্রজেক্টর কিনতে টাকা দিতে হবে,,,আমি আর আমার সাথের আরেকজন দিতে না চাইলে তারা বলে তাহলে আপনারা কিভাবে MPO file পাঠাবেন,? পাঠান দেখি,,৷ তারা বলেন আপনারা মনে করেন এ টাকা দান করছেন,,, ধিক্কার জানাই এই জানোয়ারদের
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ত্রিশাল শাখা, ম্যানেজার এর দাবি ৫০০০০০ ঋণ হলে ৫০০০০ হাজার টাকা দিতে হবে, এবং আমি ৫০০০০ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫০০০০০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি।
ফায়ার লাইসেন্স রিনিউ করতে গেলাম আগে নিত ১৫০০ টাকা কিন্তু লেখা তাকত লাইসেন্সে ৫০০ এইভার নিয়েছে ৯০০০/- টাকার বেশি উনারা দাবি করেন যে যত বর শোরুম হবে ডিডে উল্লেখ থাকবে তত টাকা দিতে হবে।আমরা ব্যাবসা করি তাই দিতে বাধ্য হলাম ঘটনাটা সিলেটেই হচ্ছে অবিরত