সরকরি অফিসে টাকা ছারা ফাইল চলে না
সরকরি অফিসে টাকা ছারা ফাইল চলে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকরি অফিসে টাকা ছারা ফাইল চলে না
শ্রম আইন সেবা। ডিরেক্টর দাবি
Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) is updating record of various returns of the Company without violating Companies Laws and bypassing jurisdiction of the Company Court of the High Court of the Supreme Court of Bangladesh. There is a writ petition pending in the High Court to solve this problem but in vain.
পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার শুরুতেই বিভিন্ন কাগজপত্র দেওয়ার পর তিনি টাকা দাবি করে এবং এক হাজার টাকা দেওয়াতে তিনি নেন নি এবং বলে যে আবার যোগাযোগ করবে এবং বলে যে বিভিন্ন কাগজপত্র আরো লাগবে যখন টাকা দেওয়া হয় আর কোন কাগজপত্র লাগবে না বা ঠিক আছে বলে।
আমার ফাইল গায়েব। ফাইলটি পাওয়া যায় এখনো। তিন বছর ফাইল খুজে না পেয়ে নতুন করে আবার প্রক্রিয়া করতে হয়।
যে টাকা ফী তাঁর চেয়ে ৫ গুন বেশি দাবি। না দিলে লাইসেন্স লেট হবে। প্রবলেম হবে।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আসতে গিয়েছিলাম এসপি অফিস পাবনাতে আমি যখন এয়ারলাইন্স চাইলাম তখন আমাকে বলল আপনার এগেনস্টে একটি মামলা আছে সে মামলার ক্লিয়ারেন্স নথি নিয়ে আসেন আমি বলেছিলাম যেহেতু আমি ইতিপূর্বে দিয়েছি সুতরাং এটা আমি নিয়ে আসি নাই আমার কাছে পাসপোর্ট রয়েছে এরপরে আমি তার কাছ থেকে এটা নিতে চেষ্টা করি কিন্তু সে যখন দিচ্ছিল না তখন আমি তাকে ১০০০ টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যম দিয়ে এটি সংগ্রহ করে
জমিজমা বন্দক রেখে লোন নিয়ে বিদেশ স্টুডেন্ট ভিসায় পড়ালেখা করতে যেতে চাইছিলাম, ২০১৩ সালের কথা।বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, মনোহরদীর ,হাতিরদিয়া শাখায় গেছিলাম। ম্যানেজার ফিসফিস করে বললো প্রতি লাখে ১০ হাজার ওনাকে এক্সট্রা ঘুষ দিতে হবে। তাহলেই পাবো ঋণ। নইলে নয়। আমি দেয়নি। ঋণ ও পাইনি। বিদেশও যাওয়া হয়নি।
সম্প্রতি আমি আমার পরিবারের এক সদস্যের বিবাহের কাবিননামা উত্তোলন করার সিদ্ধান্ত নেই। কাজি অফিসে যাওয়ার পর,কাজি আমাকে তার অফিস সহকারীর সাথে কথা বলতে বলে,সেখানে আমি তাকে বিয়ের সময় কাজিকে পরিশোধিত অর্থের রিসিট দেখিয়ে কাবিন নামা এবং ইংরেজি অনুবাদ কপি এর কথা জানতে চাই। অফিস সহকারী জানায় যে বাংলা কাবিন নামার জন্য তাকে ৫০০ টাকা এবং ইলরেজি অনুবাদের জন্য ৩,০০০ টাকা অর্থ পরিশোধ করতে হবে। একই সাথে এটাও উল্লেখ করা হয় যে যদি এই ডকুমেন্টস সমূহ অনলাইনে সার্টিফাই করিয়ে নিতে হয় সেক্ষেত্রে তাকে ৮,০০০ টাকা অর্থ পরিশোধ করতে হবে। পরবর্তীতে আমি বাংলা,ইংরেজি অনুবাদ এবং ম্যাজের সার্টিফিকেটের জন্য ২,০০০ টাকার বিনিময়ে কাজির কাছ থেকে পরিবারের অন্য সদস্যের মাধ্যমে সংগ্রহ করি।
রেল একটি জনসেবা মূলক প্রতিষ্ঠান। নিয়মানুযায়ী গন্তব্যস্থান এর টিকিট নিয়ে যাএা করবে। কিন্ত অধিকাংশ জনগন টিকিট না কেটে, ট্রেনের টিটি, পুলিশ, বগির সহোযোগির সহোযোগিতা নিয়ে চলাচল করে। কিছু টাকা দিলেই যাএা নিশ্চিত। ট্রেনের ষ্টাফ যেন চাকুরী নেয়, ঘুষ খাওয়ার জন্য। দেখার কেউ নাই। যারা যাএী সেবা দিবে, তারাই অসুবিধার কারন। এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও মালামালের ঝুকি বাড়ে। যারা টিকেট কাটে না, তারা নিশ্চয় ভালো মানুষ নয়। দিন দিন ট্রেন ব্যাবসা লসে পড়ে ভাড়া বাড়ায়, এতে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। অন্যায় কারীরা সুবিধা নিতেই থাকছে। আমরা মানুষ হিসাবে লজ্জিত, টাকা আমাদের কিনতে পারে। এটা কোন সৃষ্টির সুন্দর্য নয়।
২০২১ সালে বাড়ির কাজ শুরু করার সময় ওয়াসা অফিসে জানাই, সেই মাস থেকেই নির্মান বিল করা শুরু করে, যার ইউনিট প্রতি মূল্য প্রায় ৪৫ টাকা৷ আর আবাসিক এর ইউনিট মূল্য প্রায় ১৫ টাকা। ২০২৩ সালে বাড়ির কাজ আপাতত শেষ হলে তখন থেকে তাদের বলে, চিঠি ইস্যু করে নানাভাবে বিল আবাসিক করার চেষ্টা করছি, কিন্তু এখনো করতেছে না। ২ হাজার টাকা যেখানে বিল আসতো, এখন সে বিল করে ৪-৮ হাজার টাকা। শেষ আপডেট হচ্ছে আবাসিক করে দিবে তাও ৩০% বানিজ্যিক/ নির্মান বিদ্যমান রেখে। তার জন্য তাদের খুশি করতে ১০,০০০/- টাকা দিতে হবে। দিচ্ছি না বলে করে দিচ্ছে না।
শ্রম ও কল কারখানা এর লাইসেন্স renew.
একাটি লাইসেন্স করতে ২৫০০০ টাকা দাবি করে। অথচ সরকারি ফি ৬০০০ টাকা।অনলাইন করার পরও মোবাইল নম্বরে কল করে ঘুষ চাওয়া হয়।
জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ি এর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসহ সকল নিয়োগে রমরমা বানিজ্য চলে। সেটা এক প্রকার ওপেন সিক্রেট। খাগড়াছড়ি জেলার সকল বাসিন্দা জানে।কিন্তু কোন মিডিয়ায় আজ পর্যন্ত প্রকাশিত হয় নি। কেন হয়নি সেটা এখানকার দ্বায়িত্বরত সাংবাদিকরা বলতে পারবে। পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফলে এখানকার হস্তান্তরিত সকল বিভাগের নিয়োগ /বদলি জেলা পরিষদের কাছে ন্যাস্ত। আর সকল সার্কুলারের বিপরীতে নিয়োগকারী একমাত্র কতৃপক্ষ জেলা পরিষদ হওয়ায় প্রত্যেকটা পদের বিপরীতে ১০~২৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয় যা কারো অজানা নয়। সহিসেবে এক একটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শতকোটি টাকার লেনদেন হয়। আর ভুক্তভোগী হয় আমাদের মত নিম্ন মধ্যবিত্ত বেকার চাকরি প্রার্থীদের যারা নিজ যোগ্যতায় চাকরির জন্য দিনরাত কষ্ট করে যাচ্ছে। কিন্তু মেধা হেরে যাচ্ছে টাকার কাছে।
আমি এলপিআর এ আসবার পর আমার জিপিএফ ফান্ডের জমানো টাকা, প্রাপ্ত ছুটির নগদায়ন হিসাব যে অডিটর করেছে সে আমাকে এক লাখ টাকা ডেবিট আছে বলে ভয় দেখিয়ে ৬০০০০ টাকা দাবী করে।আমি ভয়ে তার সাথে ৫০০০০ টাকায় রফা করি। পরে যখন আমি আমার প্রকৃত হিসাব হাতে পেলাম তখন দেখি আমার ৪০০০০ টাকার মত ক্রেডিট আছে। সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো আমার পাওনা প্রদান কারী কতৃপক্ষের নিকট অডিট রিপোর্ট ঘুষের টাকা পরিশোধ করার তিনদিন আগে জমা হয়ে গিয়েছিল যা আমাার জানা ছিলনা। কিন্তু যখন আমি প্রাপ্ত বিল সংক্রান্ত কাগজ হাতে পাই তখন বিষয়টি আমি ধরতে পারি।
“শিরোনাম: বিস্ফোরক পরিদপ্তরে লাইসেন্স প্রক্রিয়ার বিনিময়ে ঘুষ দাবির অভিযোগ। অভিযোগ: বিস্ফোরক পরিদপ্তর, ঢাকায় লাইসেন্সের জন্য আবেদনকালে উপ-প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক — লাইসেন্স করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে২০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। অভিযোগকারী এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং কোনো অর্থ প্রদান করেননি। অনুরোধ: নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ।”
এলজিইডি অফিসে এনারা ঘুষ কে বৈধ করে নিয়েছেন একপ্রকার চাপ প্রয়োগের মাধ্যেমেই। ঘুষ না দিলে আপনি ১০০% কাজ করলেও কাজে ভুল হয়ে যাবে, এই বাহানা ওই বাহানা তারপর বিল আর হবে না। তখন বিলের কাগজ নিতে হলে প্রথম উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে মোট কাজের হবে ০.৫% এরপর জেলা অফিস Xen 0.5% পিডি ০.৫% একাউন্টস ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ার মিলে ০.৫%। একটা কাজ টেন্ডারে পাওয়ার পর ০.৫ করে ৩ জায়গায় দিতে হয়। এনারা একাটে বলে সিএস। এরকম করে দিলে কিভাবে কাজ ১০০% হবে? কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজীবপুর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার দ্রুত না সরালে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। আজ প্রায় ৩.৫ বছর যাবত একই উপজেলায় তিনি আছেন।
পছন্দ মতো প্রাথমিক শিক্ষক পদায়ন
RAJUK - রাজধানী উন্নয়ন অফিসে কোনো কাজের জন্য গেলে প্রতিটি ধাপে ঘুষ বা বাড়তি টাকা দিতে হয়। ফ্ল্যাট বা প্লটের আবেদনের ফরম কেনা থেকে শুরু করে কাজের শেষ পর্যায় পর্যন্ত সব জায়গায় টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকার করলে বা না দিলে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয় এবং কাজ আটকে রাখা হয়। হয়রানি থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। একদিন ক্ষুব্ধ হয়ে টাকা দেওয়া বন্ধ করে প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও কোনো লাভ হয়নি; বরং সেই কাজটি আজ পর্যন্ত আটকে আছে এবং সম্পন্ন হয়নি। সংক্ষেপে, এটি সরকারি অফিসে দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এবং প্রতিবাদ করেও প্রতিকার না পাওয়ার এক বাস্তব চিত্র।
ই এফ টি চালু হওয়ার কারণে একটি এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীর বেতন বন্ধ হয়ে যায় কারণ তার জন্ম নিবন্ধন ভুল ছিল। আইডি কার্ড ভুল ছিল আইডি সংশোধনের জন্য প্রথমে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা জরুরী এজন্য আমরা ইউনিয়ন পরিষদে যায় সচিব আমাদের বারবার ঠিক হবে না এই বলে এক সপ্তাহ ঘুরাই। এরপর কম্পিউটার অপারেটর বলল দুনিয়াতে কোন কাজ আটকে থাকে না তবে মাল লাগবে । তখন আমরা বুঝলাম যে না এখানে ঘুষ দেওয়া লাগবে পরে সেই কম্পিউটার অপারেটর সেই সচিবের দালাল পরে বুঝতে পারলাম। এরপর সেই অপারেটর কে বললাম সচিব কে ফোন দেন কত টাকা নিবি ঘোষ এরপর সে ফোন দিল এবং 5000 টাকা লাগবে বলল এরপর আমরা পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করি। আমরা টাকাটা দিয়ে সংশোধন করতে বাধ্য হয় কারণ একজন কর্মচারীর চার মাস ধরে বেতন বন্ধ