Factory Fire License Renewal
আমাদের কোম্পানীর প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে এই অর্থ দাবী করা হয়। দরকষাকষি চলছে। কারখানা চালাতে গেলে ফায়ার লাইসেন্স আবশ্যক |
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের কোম্পানীর প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে এই অর্থ দাবী করা হয়। দরকষাকষি চলছে। কারখানা চালাতে গেলে ফায়ার লাইসেন্স আবশ্যক |
জাষ্ট তদন্ত রিপোর্ট ককসবাজার জেলা অফিস থেকে ঢাকা অফিসে পাঠানো ও অনুমোদন হয়েছে মমে অতিরিক্ত নগদ ৫০০০/ এবং ডিসি হিসাব ককসবাজার ব্যাংকের মাধ্যমে ১০০০০/ নিয়েছেন পরবর্তী টিসিবির লাইসেন্স অনুমোদন হয়নি। আমার অতিরিক্ত নেওয়া টাকা ফেরত চায়।
এই খানে একজন ঠিকাদার কাজের ওয়ার্ক ওয়াডার পেতে হলে অফিস খরচের নামে ইন্জিনিয়ার এর কমিশন সহ কাজের উপর থেকে ৩%থেকে ৫% পর্যন্ত কমিশন দিতে হয় এবং কাজের চেক নেয়ার সময় প্রতি চেক এর সময় পার্সেন্টিস দিতে হয়।2%।
ব্যাংকে একটি সিন্ডিকেট তৈরী হয়েছে, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ৩ জন ও বাহিরে শতশত দালালের সাথে খাতির করে প্রতিটি লোন বাবাদ ২০-৩০ হাজার করে টাকা নেয়। আপনারা মিষয়টি গুরুত্বের সহিত তদন্ত করে দেখেন। তবে প্লিজ আমার নাম যেন পৃরকাশ না হয়। প্রকাশ হলে আমি খুব বিপদে পড়বো। আমার জীবন ঝুঁকিত পড়বে।
maintenance of the electric meter and wiring
একটি দেশ এর ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য ঐ দেশের এ্যাম্বাসী থেকে ভেরিফিকেশন আসে। তখনই কাজটা কম্পিলিট করার জন্য এই টাকা চাওয়া হয়
আমার স্বামী প্রবাসে থাকে, তার পাসপোর্ট যে জন্ম নিবন্ধন দেওয়া সেটা ইউনিয়ন অফিস থেকে তুলতে গেছি বলেছে অনলাইন নাই, তাই নতুন করে জমা দিতে হবে, কিন্তু জন্ম নিবন্ধন ১৭ ডিজিট নাম্বার আছে তার পর বলছে করতে হবে, তখন আগে তথ্য সাথে বর্তমানে শাশুড়ী নামে বানান ভুল আছে পরে স্বামী পাসপোর্ট সমস্যা হবে, তা বলায় ২.৪০ মিনিট বসা রাখছে ামি বার বার বলছিলাম ৯ মাসের বেবি আছে বলতাছে ওয়েট, পরে সবাই চলে যাওয়ার পর সচিব ৩০০০ টাকা চায় ভাবছি মজা করে, পরে বলে চলে যেতে, একই সমস্যা আরেকজনের তখন সেটা ছেলে নিয়ে আসে তাকে ৭০০ টাকায় করে দিছে, আমি চলে আসি পরে ২ বার ভাই ও শ্বশুর কে দিয়ে পাঠায় তখন টাকার কথা অস্বীকার করে, বরে এটা দিয়ে জন্মনিবন্ধন সম্ভব না, তার জন্য আমার মেয়ে ও জন্ম নিবন্ধন হচ্ছে না
আমার বড় ভাইয়া একসময় একটি আধা সরকারি অফিসে চাকরি করতেন এবং চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময় তাকে নাম, ঠিকানাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক তথ্যাদি সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়েছিল। যেহেতু সেটি আধা সরকারি অফিস তাই তার বিভিন্ন তথ্যাদি যাচাইয়ের জন্য পুলিশের তরফ থেকে লবণচরা,খুলনা থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এরপর থানায় গিয়ে সকল কাগজপত্র দেখানোর পরও সেই পুলিশ কর্মকর্তা সবশেষে গিয়ে ২০০০টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং সেই টাকাটি তাদের যাচাইকরণ ও তদন্ত ফি এরকম যুক্তি দেন। তার সাথে ভাইয়ার এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় কিন্তু পাছে এসবের জন্য সেই কর্মকর্তা মিথ্যা যাচাইকরণ রিপোর্ট দিতে পারেন এই ভেবেই ভাইয়া টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
অবৈধ জম্মনিবন্দন করে ৫/১০ হাজার টাকা নেয়
একটা স্বাভাবিক রিপোর্ট পাওয়ার জন্য। পারিবারিক সমস্যার কারণে
আমার ওয়াইফের NID নতুন করে সংশোধন এর জন্য অনলাইনে আবেদন কলে বিভিন্ন প্রকার কাগজ পত্র কালেক্ট করার নামে হয়রানি শুরু করে। সব কিছু এরেঞ্জ করার পর ও কাজটি বিভিন্ন অজুহাতে ঝুলিয়ে রাখে। পরবর্তীতে কাজ সমাধানের নামে ৩৪০০০ হাজার টাকা ঘোস দাবি করলে আমি পত্যাখান করি। এখনো কাজটি হয় নাই। কারণ এতো বড় এমাউন্ড খরচ করার সামর্থ্য নেই।
আমি ম্যানুফ্যাকচারিং লাইসেন্স গ্রহন করার সময় ২০২৪ সালের মার্চ মাসে — , পরিচালক ঔষধ প্রশাসন, এই আঠারো লক্ষ টাকা ঘুস দাবী করে এবং আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
সরকারি ফী বাবদ ৭৫০ বেশি দিয়ে করে নিতে হয়েছে। টাকা না দিলে কাজ করতে চাচ্ছিলেন না।
আমি ডিলারশিপ এর বিজনেস করি যার কারনে মাল পরিবহন এর জন্য ব্যাটারি চালিত ইজি বাইক আছে হঠাৎ একদিন হাইওয়ে থানার পুলিশ গাড়ি দাড় করালো এবং মামলা দিলো ২৫৪৫ টাকার সেটা পরিশোধ করে তারা বললো আমাদের ওসি স্যার এর সাথে যোগাযোগ করুন পরের বার মামলা না খেতে চাইলে তার পর যোগাযোগ করলাম করার পর ওসি বললো প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা দিতে হবে জমা থানায় যদি না দেন মামলা দেওয়া হবে।
এল জি ডি, গণপূর্ত, এডুকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং হাইওয়ে এ সকল ডিপার্টমেন্টগুলোতে নির্মাণ প্রকল্পের বিল গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতি চেকের উপরে ৩% হারে কর্তৃপক্ষকে দিতে হয় যেমন নির্বাহী প্রকৌশলী সহ ডিপার্টমেন্টের সবাইকে পার্সেন্টে হারে বন্টন করতে হয়
No money no honey...my file is involved till today.
আমার পরিচিত একজন কাজিন এর জন্ম নিবন্ধন এর নাম সংশোধন করতে ইউনিয়ন অফিসে যাই অফিস থেকে ১৫০০ টাকা চাওয়া হয়েছে চা নাস্তা করার জন্য ব্রাহ্মণবড়িয়ায় নবীনগর বীরগাঁও
বায়িং হাউজ নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম বস্ত্র অধিদপ্তরে৷ এপ্লাই করার পর ইন্সপেক্টর ইন্সপেকশন করতে আমাদের অফিসে এসেছিলো। উনাকে কিছু না দিলে উনি পজিটিভ রিপোর্ট দিবে না এটা উনি অনেকভাবে বুঝিয়েছে। শেষ মেষ না পেরে অফিসের স্যাম্পল প্রোডাক্ট চেয়েছে আমাদের নিকট উনার পারসোনাল ইউজের জন্য। গত মাসের ২০ তারিখে এপ্লাই করার পরেও আজ এক মাস ছয় দিন হয়ে গেছে ফাইল আগায় নি। আজকে যখন বস্ত্র অধিদপ্তরে গিয়েছি উনারা দুইটা ফাইল আবার চেয়েছে, উনারা বলেছে এগুলো ঘাটতি কাগজের চিঠি হিসেবে আমাদের কাছে যাওয়ার কথা। কিন্তু আমরা কোনো মেসেজ, ইমেইল বা চিঠি পাই নি। কাগজ নিয়ে ঠিক করে দেয়ার কথা বলায় আমাদের কাছে বিশাল এক অর্থ চেয়ে বসেছে তারা। বস্ত্র অধিদপ্তরের —, — অনর্থ বারংবার প্রশ্ন করে গিয়েছে আমরা সরকারি লোক?
কারখানার পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়ন করার সময় এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করা হয়
আমার নামে সাইবার ক্রাইম বিষয়ক একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। যা পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। সেই সুযোগ নিয়ে থানার এসআই অর্থাৎ তদন্ত অফিসার, জেলা কোর্ট পুলিশের পেশকার আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। যাতে করে মামলার তদন্ত রিপোর্ট আমার বিপরীতে না যায়।