কাজের বিল প্রাপ্তি থেকে ঘুষ চাওয়া
আমি সকল প্রকার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ করেছি। বিল পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারি এবং কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুষ দাবি করছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি সকল প্রকার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ করেছি। বিল পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারি এবং কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুষ দাবি করছে।
স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে নানাভাবে হয়রানি করে। আমি ভোটার হয়েছি ২০১০ সালে। চা নাস্তা খাওয়ার জন্য খরচ চাই। আমি দেয় নাই,, বলে সার্ভার সমস্যা পরে আসিয়েন। সুষ্ঠু সমাধান চাই।
কম্পিউটার অপারেটর ও বড় বাবু সেল পারমিশনের জন্য ৫০,০০০/- দাবি করে অফিসে বসে সিগারেট খেতে খেতে।
BMT আপডেট করেন আমি গত নভেম্বরে বিএমটি দেই, সরকারি নির্দেশ মনে তা আপডেট করতে গেলে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে
এক জন ব্যক্তি লাইন টেনে দিয়েছে, সেজন্য সে বকশীষ দাবি করে।
আমার এক জেঠি বিধবা হয়েছেন ১০ বছর হয়। উনার বর্তমানে বয়স ৬৫ বছর। বিধবা কার্ড করার জন্য আবেদন করেছি। জমা দিতে গিয়েছি সংশ্লিষ্ট অফিসে কিন্তু অফিসের লোক বলল যে এখন বিধবা কার্ড আশ হয় না আগের গুলাই দিতে পারি নাই এটাও না হবার সম্ভাবনা বেশি।তখন সে বলল অফিসের কিছু খরচ দিলে ওনারা এই কার্ড টা করে দিবেন। ৫০০০ চেয়েছিল কিন্তু আলোচনার পর ৩০০০ রাজি করিয়েছি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বগুড়া জেলার সরকারি নাজির আখতার কলেজে ভর্তি বাতিল পূর্বক মূল মার্কশীট ফেরত চাইলে ১৫০০ টাকা দাবী করা হয়।
ফাইল আটকিয়ে রেখেছে 19 দিন। কিছু করার ছিল না।
ক্রেন ও উত্তোলক যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য যোগ্যব্যক্তি ঘোষনা করে কলকারখানা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়। একজন কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি আরেকজনের সাথে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন। আমার বিস্তারিত শুনে ওই অফিসার বলে আগে এগুলো করতে দশ লক্ষ টাকা লাগতো, এখন পাচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগে। আমি সরকারি ফি কত জিজ্ঞাসা করতে উনি জানালো এখানে অনেক টেবিলে টাকা দিতে হয়। বড় বড় স্যারদের টাকা দিতে হয় এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যন্ত সবাই এই টাকার ভাগ পাবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।
লাইসেন্স নবায়ন ফি৩০০০/- অতিরিক্ত ২০০০টাকা না দিলে নবায়ন করে দিবে বা।বাধ্য হয়ে টাকা দেয়।
নাম -—,,পিতা -—, জেলা -সাতক্ষীরা, তারা ২৪০০০০০ ঘুষ দিয়ে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী ভিসি আমার সাথে যোগাযোগ করে চাকরি নিচ্ছে, দয়া করে বিষয়টা আপনারা দেখুন.
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
পুলিশ সরাসরি পাস্পোর্ট ভেরিফিকেশন করতে চা নাস্তার বিল চেয়েছে। ভাবখানা এমন যেন টাকা না দিলে এই কাজ হয় না। ৫০০ টাকা চেয়েছিল, রীতিমত নেগোসিয়েশন করে ৪০০ দিয়েছি।
দুপুরের খাবারের কথা বলে নেয়া হয়েছিল
মিরসরাই ইকোনোমিক জোন এর জন্য অধিগ্রহণ করা জমির টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে আমি এল এ শাখার সার্ভয়ারকে এই টাকা দিয়েছি। আমার এলাকায় সব মানুষকে এই ঘুষ দিয়ে টাকা উত্তোলন করতে হয়েছে। মোট টাকার ৭-১৫% পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে। জমিতে সামন্য সমস্য থাকলে সেটি ৪০-৫০% পর্যন্ত দিতে হয়েছে। শুধু আমার এলাকায় ১হাজার একর অধিগ্রহণ হয়ছে, ঘুষের টাকার পরিমান কত সেটি অনুমান করুন!! শুনেছি এই টাকার ভাগ পুরো জেলা প্রশাসক কার্যালয় সহ মন্ত্রনালয় পর্যন্ত যায়।
একজন ঠিকাদারের থেকে ফাইলের বিল করার সময় % উল্লেখ করে কমিশন চাওয়া হয়
যশোর মনিরামপুর উপজেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এর সহকারী প্রকৌশলী কমিশন না দিলে ফাইল ছাড়ে না এবং টিউবওয়েল সাবমার্সিবল টিউবওয়েল এবং পাবলিক টয়লেট বিক্রির রমরমা ব্যবসা খুলে নিয়েছে
জামালপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে কর্মরত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক রাশেদ মামুদ সাহেবের কাছে যেকোনো বিল তৈরি করতে উক্ত বিলের ৬% টাকা দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলছে তার ঘুষ বানিজ্য। টাকা ছাড়া তিনি দুনিয়াতে আর কিছু চিনে নাহ। তার ঘুষ বানিজ্যের জ্বালায় অতিষ্ঠ সেবা গ্রহীতরা।
আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একজন মিথ্যা অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের তদন্ত পিবিআই, রংপুর এর একজন অফিসার করে এবং ৭০০০ টাকা নেন। ক্যাশ নেন
২০২২ সালে নাম সংশোধনের জন্য যশোর নির্বাচন অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তখনকার নির্বাচন অফিসার ছিলেন —, তিনি অসংখ্যবার আমাদেরকে ঘুরিয়েছেন কাজটি ঝুলিয়ে রেখে, কাজটি না হওয়ার কারণ ছিল ঘুষ দিয়েছিলাম না তাই, পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আন্দোলনের পরে আমি একদিন ফোন করে বললাম আমার কাজটি কখন করে দিবেন আমাকে জানান তিন দিনের মধ্যে কাজটি না করলে আমি এলাকার অন্যান্য প্রতিবাদী লোকজন নিয়ে আপনার অফিসে হাজির হব এই কথা বলার একদিন পরেই মোবাইলে মেসেজ চলে আসে যে আপনার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে এবং আপনার নতুন এন আই ডি কার্ড টি যশোর নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করুন। কিন্তু এর আগে তিনি আমাদেরকে খুলনা বিভাগীয় অফিসে পর্যন্ত পাঠিয়েছিলেন দুইবার করে বিনা কারণে, আর যশোর নির্বাচন অফিসে অসংখ্যবার গিয়েছিলাম।