কাজের বিল প্রাপ্তি থেকে ঘুষ চাওয়া
আমি সকল প্রকার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ করেছি। বিল পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারি এবং কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুষ দাবি করছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি সকল প্রকার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ করেছি। বিল পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সকল কর্মচারি এবং কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুষ দাবি করছে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে টাকা ছাড়া কোনো বদলী হচ্ছে না।তারা আইওয়াশ করার জন্য যারা বদলীর জন্য টাকা দিচ্ছে বা তদবীর করাচ্ছে তাদের কাছ থেকে মানবিক আবেদন নিয়ে বদলি করছে।অথচ যারা প্রকৃতপক্ষেই সমস্যায় আছে কিন্তু টাকা দিতে পারছে না তাদের বদলি হচ্ছেই না বরং যারা টাকা দিচ্ছে তাদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ওদের আরো কষ্টের মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ের বদলির অর্ডারগুলো পর্যালোচনা করলেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তাছাড়া পদোন্নতি কেনা কাটা সহ সকল জায়গায় তাদের অনিয়মের অভাব নেই। দেখার যেন কেউ নেই😥😥।
এখন হবে না, টাকা ছাড়া
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করতে ফোন দেয় লালমাই থানার এএসআই —। গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিতে-পরে ১৫০০ টাকা দি।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি মার্কস দেওয়ার বিনিময়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী হতে প্রতিজন ৫০-১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সবার মনে আশঙ্কা যে টাকা না দিলে নাম্বার কমিয়ে দিতে পারে।
আমি জেলা প্রশাসক, ঠাকুরগাঁও স্যার-এর কাছে একটি চিঠি দিয়েছি এক মাস আগে। পরবর্তীতে আপডেট নিতে জেলা প্রশাসক হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করি। তারা বলেন, “আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি, শাখা বরাবর ৩য় তলায়।” সেখানে গিয়ে চিঠির কথা জানালে তারা বলেন, চিঠি পেয়েছেন এবং আদেশও লিখেছেন। কিন্তু অফিসে কম্পিউটার অপারেটর নেই। অন্য অপারেটর আছেন, তবে তিনি ফ্রি নেই যে এটি লিখে দেবেন বা আদেশের কপিটি প্রস্তুত করে দেবেন। আমাকে বলেছেন, “বাইরে থেকে লিখিয়ে নিয়ে আসতে।” পরে বাইরে থেকে সেটি লিখিয়ে নিয়ে গিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সহ সেটি লিখা বাবদ টাইপিং ও প্রিন্টিং খরচ হিসেবে আমার ৭০ টাকা খরচ হয়েছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এটি তো তাদের অফিসিয়াল আদেশ যা তাদের অফিসিয়াল খরচ বহন করবে প্রিন্টিং কিংবা টাইপিং সেটি আমাকে দিতে হয়।
আমার এক জেঠি বিধবা হয়েছেন ১০ বছর হয়। উনার বর্তমানে বয়স ৬৫ বছর। বিধবা কার্ড করার জন্য আবেদন করেছি। জমা দিতে গিয়েছি সংশ্লিষ্ট অফিসে কিন্তু অফিসের লোক বলল যে এখন বিধবা কার্ড আশ হয় না আগের গুলাই দিতে পারি নাই এটাও না হবার সম্ভাবনা বেশি।তখন সে বলল অফিসের কিছু খরচ দিলে ওনারা এই কার্ড টা করে দিবেন। ৫০০০ চেয়েছিল কিন্তু আলোচনার পর ৩০০০ রাজি করিয়েছি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বগুড়া জেলার সরকারি নাজির আখতার কলেজে ভর্তি বাতিল পূর্বক মূল মার্কশীট ফেরত চাইলে ১৫০০ টাকা দাবী করা হয়।
ক্রেন ও উত্তোলক যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য যোগ্যব্যক্তি ঘোষনা করে কলকারখানা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়। একজন কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি আরেকজনের সাথে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন। আমার বিস্তারিত শুনে ওই অফিসার বলে আগে এগুলো করতে দশ লক্ষ টাকা লাগতো, এখন পাচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগে। আমি সরকারি ফি কত জিজ্ঞাসা করতে উনি জানালো এখানে অনেক টেবিলে টাকা দিতে হয়। বড় বড় স্যারদের টাকা দিতে হয় এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যন্ত সবাই এই টাকার ভাগ পাবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়ার বিনিময়ে
কেন্দুয়া উপজেলার কৃষি অফিসার হিন্দু ভদ্র লোক টাকার জন্য ডিলারদের প্রতিষ্ঠানে যায়। বিগত সরকারের আমলের একটা লাইসেন্স ঠিকিয়ে রাখার জন্য ১লাখ টাকা নেয়। কিন্তু কোন কাজ ও করেনাই। উল্টো লাইসেন্স এর ক্ষতি করলো অফিসার উনি আবার একটা ইউনিয়ের প্রশাসকের দ্বায়িত্বেও আছেন।
বাংলাদেশে যে কোন অঞ্চলের ব্যাবসায়ী যদি তার দোকানের জন্য নতুন এজেন্ট সিম নেওয়ার জন্য সবকিছু কাগজপত্র সঠিক দেওয়ার পর ও লাইন ম্যান (DSO) কে ঘুষ দিতে হয়। এই ঘুষ সবগুলো লাইন ম্যান (DSO) খায় না, এগুলো হাউজের সবাই একসাথে খায়। যেমন আগস্ট মাসে ৫০ জন নতুন এজেন্ট আসছে উপজেলায়। ৫০×৫০০ = ২,৫০,০০০/- টাকা হাউজের সবাই মিলে ভাগবাটোয়ারা করে খাবে। এই টাকা লাইন ম্যান (DSO), সুপারভাইজার, ম্যানেজার, TM/AM/GM পর্যন্ত যায়। কিন্তু দোষ পড়ে লাইন ম্যান (DSO) উপর।
চাকুরির ভেরিফিকেশন করার জন্য এসে ৭০০০ টাকা চেয়ে ছিলো, চা মিষ্টি খাওয়ার জন্য। ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে, যদিও আমার সকল কাগজ ঠিক ছিলো।
ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কটি চার লেনে উত্তোলনের জন্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করে। যার ফলে ঐ সড়কের পাকুন্দিয়া অংশে আমাদের জমিও সরকার অধিগ্রহণ করে, অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ হিসেবে সরকার আমাদের ৯৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরন দেয়। ক্ষতি পূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য যখন আমরা জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় যায় তখন তারা ২০ লক্ষ টাকা ঘোষ দাবি করে এবং দর-কষাকষি করে না পেরে অবশেষে ১০ লক্ষ টাকায় রফাদফা করি। তাছাড়া দীর্ঘ ১ বছর তারা আমাদের চরম লেভেলের ভোগান্তিতে ফেলে, ১ বছর তাদের দরজায় দরজায় ঘুরে টাকা উত্তোলন করা লাগছে।
উপজেলা কৃষি অফিসারগণ বিভিন্ন কৃষকদের নামে সাদা কাগজে কাঁচা ভাউচার দেখিয়ে কৃষকদের স্বাক্ষর নকল বা ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে ফেলে। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা হতে এভাবে টাকা আত্মসাৎ করছে।
ওসি এবং এসআই দুইজন মিলেই আমাদের সাধারণ ডায়রির বিপরীতে টাকা দাবি করে। আবার পরে এটাও জানতে পারি যে অপর পক্ষের কাছ থেকেও তারা ভালো অংকের টাকা খেয়েছে। এবং তারা খুবই আনন্দিত হয় যখন কোন কেস তাদের কাছে আসে কারণ টাকা একদিক থেকে না দুই দিক থেকে আসে। এটা জুলাই মাসের ঘটনা নতুন ওসিক পরিবর্তনের পর।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য পিয়ন ১০০ টাকা চেয়েছিল। সোনালি ব্যাংক, শম্ভুগঞ্জ শাখা, ময়মনসিংহ
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে ২০১৫ সালে টাকা চাইলো ফোন করে সরাসরি। আমার মনে হয়েছে নিজের যোগ্যতায় আমি জব পাবো। আর টাকা দিয়ে চাকরিতে ঢোকা মানে নিজের কাছে আজীবন ছোট হওয়া
জলঢাকা উপজেলা নির্বাচন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গিয়েছে এই জন্য নিয়েছে